আর্কাইভ

Archive for the ‘স্বাস্থ্য’ Category

থ্যালাসেমিয়াঃ একটি বংশগত রোগ

thalasemia diagnosis 1a

thalasemia diagnosis 1b

Advertisements

হাসি নিয়ে মনিষীদের কিছু বচন…

great men on laughing

laugh to stay healthy

বিশ্বব্যাপী বায়ু দুষণ ও ঢাকা…

air pollition

পা দিয়ে লিখেই দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বেল্লাল !

পা দিয়ে লিখেই দাখিল পাস করেছে মেধাবী ছাত্র বেল্লাল আকন। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের উমিদপুর গ্রামের খলিল আকন ও হোসনে আরা বেগমের ছেলে বেল্লাল। জন্মগতভাবেই নেই দু’টি হাত। পা দু’টিতেও রয়েছে ত্রুটি।

শারিরীক প্রতিবন্ধী হয়েও মায়ের অনুপ্রেরণায় এগিয়ে চলেছে সে। পা দিয়ে লিখেই সফলতা অর্জন করেছে ইবতেদায়ি ও জেডিসি পরীক্ষায়। উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। তবে সে এবারের দাখিল পরীক্ষায় ৩.৮৫ পেয়েছে।

মেধাবী ছাত্র বেল্লাাল জানায়, শুধু ডান পায়ের আঙ্গুল দিয়ে লিখে পিএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছি। দাখিল পরীক্ষায় সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারিনি। কারণ শারিরীক প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছি বিধায় অর্থ সঙ্কট ছিল প্রকট। তবে নানা প্রতিবন্ধকতাকে পিছনে ফেলে মাধ্যমিক লেখাপাড়ার গন্ডি পার করেছি। এখন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় আরও ভালো ফলাফল অর্জন করতে চাই।

বেল্লালের মা হোসনে আরা বেগম জানান, জন্মেও পর থেকে ওকে নিয়ে অনেক কষ্ট করেছি। গ্রামের লোকজন নানা রকমের অপকথা ছড়ায়। এ কারণে প্রথমদিকে বেল্লালকে ঘরের মধ্যে লুকিয়ে রাখতেন। এক শিক্ষকের অনুপ্রেরণায় ছেলেকে লেখাপড়া করানোর সিদ্ধান্ত নেন। ঘরে বসে পড়াতে আর পায়ের আঙুলের মধ্যে চক দিয়ে সিলেটে লেখা শেখানোর অভ্যাস তৈরি করে ফেলি। বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের উমেদপুর মাদ্রাসায় তাকে ভর্তি করা হয়। তবে বেল্লাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে এতেই আমরা খুশি।

বেল্লালের পিতা খলিল আকন বলেন, আমার ছেলে প্রতিবন্ধী এটা বলতে পারছি না। মেধা ও দক্ষতা দিয়ে সমাজে বেল্লাল নিজেই নিজের স্থান তৈরি করে নিয়েছে।

উমিদপুর মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ জানান, বেল্লাল যে ফলাফল পেয়েছে, এতেই আমার খুশি।

দেশে দেশে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গ-বাণিজ্য !

organ selling business 1

organ selling business 2

যে সব খাবার এক সঙ্গে খাওয়া ক্ষতিকর

সবাই মনে করেন প্রচুর ফল ও সবজি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। বয়স্কদের মতো শিশুদের জন্যেও ফল ও সবজি খাওয়া খুব জরুরি। তবে মনে রাখতে হবে কিছু খাবারের সঙ্গে ফল বা সবজি খাওয়া উল্টো শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর হতে পারে।

বিভিন্ন ধরনের ফল বা সবজি এক সঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। বড়রা যেমন এক্ষেত্রে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যায় পড়তে পারেন, তেমনি শিশুরা পড়তে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। কিছু ফল বা সবজি অন্য খাবারের সঙ্গে খাওয়া একেবারেই খাওয়া উচিত না। তেমন কিছু খাবার এবার জেনে নিন।

কমলা ও গাজর : কমলার সঙ্গে গাজর মিশিয়ে খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ এই ফল ও সবজির কম্বিনেশন অ্যাসিডিটি যেমন তৈরি করে, তেমনি কিডনিকে নষ্ট করে দিতে পারে।

পেঁপে ও লেবু : এক সঙ্গে পেঁপে ও লেবু খাবেন না। এতে অ্যানিমিয়া তৈরি হওয়া ও  রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। বিশেষ করে এই ডেডলি কম্বিনেশন শিশুদের জন্য খুব ক্ষতিকর। তাই সতর্ক থাকুন।

কমলা ও দুধ : দুধের সঙ্গে কমলার জুস মিশিয়ে পান করা ক্ষতিকর। এতে হজমের সমস্যা সহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কমলায় থাকা অ্যাসিড দুধের এনজাইম নষ্ট করে দেয়, যা হজমের জন্য জরুরি।

পেয়ারা ও কলা : একসঙ্গে পেয়ারা ও কলা খেলে অ্যাসিড হওয়া, বমি ভাব হওয়া, পেটে গ্যাস হওয়া ও স্থায়ী মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।

সবজি ও ফল : একসঙ্গে ফল ও সবজি মিশিয়ে খাওয়া কখনো উচিত না। কারণ ফলে সুগারের উপাদান থাকে যা হজম হতে সময় নেয়। তাই ফল ও সবজির মিশ্রণ শরীরে টক্সিন তৈরি করতে পারে। এতে আপনার ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, পেটে ইনফেকশন ও পাকস্থলীতে ব্যথা হতে পারে।

আনারস ও দুধ : এই কম্বিনেশনটা খুব ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ আনারসে থাকা ব্রোমেলেইন দুধের সঙ্গে মিশে বিষাক্ত হয়ে উঠে। এর ফলে পেটে গ্যাস, বমি ভাব, পেটে  ইনফেকশন, মাথাব্যথা ও পাকস্থলীতে ব্যথার মতো অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কলা ও পুডিং : একসঙ্গে কলা ও পুডিং খাওয়া ঠিক না। কারণ তা হজম করা কঠিন হয়ে উঠে আর শরীরে টক্সিন তৈরি করে। এই কম্বিনেশন শিশুদের জন্য খুব ক্ষতিকর।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

প্লাষ্টিকের মাদুর নিয়ে শংকা !

plastic mat

plastic mat 1b