আর্কাইভ

Archive for the ‘পরিবেশ’ Category

উত্তমাশা অন্তরীপে ভ্রমণ

cape of good hopeআশরাফুজ্জামান উজ্জ্বল : গাড়িতে করে জোহানেসবার্গ পার্ক বাসস্টেশনে নামিয়ে দিল রানা ও তৌকির। এখান থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন শহরে বাস যায়।

লম্বা ভ্রমণে ঘুমানো মুশকিল, তবু আরামদায়ক একটা ঘুম দিলাম। সময় কাটাতে বাসের কাচ ভেদ করে রাস্তার দুই পাশের দৃশ্য অবলোকন করতে লাগলাম। ছোট ছোট টিলার সারি, মাঝেমধ্যে কিছু বসতবাড়ি ছাড়া পুরো এলাকাই ফাঁকা মরুভূমির মতো। জনমানবের কোনো চিহ্ন নেই। ১৮ ঘণ্টায় ১৪০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে বাস ঠিকঠাকই পৌঁছল কেপটাউনে। বাংলাদেশ ট্রাভেল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মাহমুদুল হাসান শিপলুর বন্ধু মাসুদ থাকে কেপটাউনে। নিজের গাড়ি নিয়ে বাসস্টেশনে আমার জন্য অপেক্ষা করছিল সে। বাসায় যাওয়ার পথে একচক্কর শহরটা ঘুরিয়ে দেখাল। কিছু এলাকায় গাড়ির পার্কিংয়ের জায়গা পাওয়াটা বেশ কঠিন। পাঁচ-ছয়বারের চেষ্টায় পার্ক করা যায়। ওর বাসার সঙ্গেই আছে একটি সুন্দর মসজিদ। মাসুদ জানাল, এই এলাকায় প্রচুর মুসলমান রয়েছে। বাংলাদেশির মালিকানাধীন ৫০টির মতো গ্রোসারির দোকান রয়েছে। অবস্থা দেখে মনে হলো, পুরো দক্ষিণ আফ্রিকার মুদি ব্যবসার পুরোটাই বোধ হয় আমাদের দখলে। ওই দেশের প্রতিটি শহরে বাংলাদেশি গ্রোসারির দোকান পাওয়া যায়। যদিও জীবন এখানে অনেক অনিশ্চয়তায় ভরা, তার পরও দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা করাটা সহজ হওয়ায় বাংলাদেশিরা মোটামুটিভাবে সফল। যদিও এখন ইমিগ্রেশন আইন অনেক কড়াকড়ি। এরই মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার পাসপোর্টধারী অনেক বাংলাদেশি অন্য দেশে চলে গেছেন।

দুপুরে খাবার খেয়ে মাসুদ বলল, বিকেলে ‘টেবিল মাউন্টটেন’-এর পাশে ‘সিগন্যাল হিল’-এ ঘুরতে যাব। সঙ্গী হিসেবে মাসুদের চাচাতো ভাই বাবলু। সে-ও দীর্ঘদিন ধরে আছে কেপটাউনে। আসার পথে একটা মাজার দেখলাম। কেপটাউনে মাজার যে আছে জানা ছিল না। যদিও পরে জেনেছি, ত্রিশটির মতো মাজার রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। এগুলোকে বলা হয় ‘ক্রেগমাত’।

bolders bay beachবিশ-পঁচিশ মিনিটের মধ্যে ‘সিগন্যাল হিল’-এ চলে এলাম। এখান থেকে একসঙ্গে টেবিল মাউন্টটেন ও কেপটাউনের অসাধারণ দৃশ্য দেখা যায়। সবাই ছবি তোলায় ব্যস্ত। এখানে সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত দেখতে প্রচুর দর্শনার্থীর সমাগম হয়। এ ছাড়া জায়গাটাকে লোকে ‘লাভারস লেন’ও বলে থাকে। বিকেল হলেই প্রেমিক-প্রেমিকাদের দেখা মেলে এখানে।

সিগন্যাল হিল থেকে গেলাম ‘ক্যাম্পাস বে বিচ’। যাওয়ার রাস্তাটি অসাধারণ। টেবিল মাউন্টটেনের পাশেই এই সমুদ্রতীরের অবস্থান। যাত্রাপথে বেশ কিছু বিলাসবহুল বাড়িঘর নজর কাড়ল। শৌখিন ধনকুবেরদের বাড়ি। সাধারণত ছুটি কাটাতে এঁরা এখানে আসেন। অনেক বাড়িতে দেখলাম অফ সিজনের জন্য টু-লেট লেখা সাইনবোর্ড ঝুলছে। অনেক গাড়ি ও বিদেশি পর্যটকদের সমাগম চোখে পড়ল সৈকতে। কেউ শুয়ে আছেন, কেউ বা কুকুর নিয়ে জগিং করছেন আবার কেউ মোবাইলে সেলফি তুলতে ব্যস্ত। চারদিকে মানুষ এবং সবাই বিচ বিনোদনে ব্যস্ত।

শুধু ঘুরলেই তো চলবে না, আর তাই পেটপূজার জন্য গেলাম নান্দোসে। দক্ষিণ আফ্রিকায় এটা বেশ জনপ্রিয় ফাস্ট ফুড শপ। সত্যিই ওদের খাবার বেশ সুস্বাদু! দোকানগুলো খুবই সুন্দর, সার্ভিসও বেশ ভালো। মজার ব্যাপার হলো, খাবার শেষে আমাদের দুই লিটারের কোকা-কোলার অর্ধেকটা অব্যবহৃত ছিল, সেটি দিয়ে দেওয়া হলো ওয়েটারকে। সে তো ওটা পেয়ে দারুণ খুশি।

ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও নাকি ধান ভানে। বাঙালি-বাঙালি আড্ডা হবে না তা কি হয়? ওদের নিয়ে গেলাম স্থানীয় এক বাংলাদেশি ক্লাবে। ওখানে দল-মত-নির্বিশেষে কেপটাউনের বাংলাদেশিরা একত্রিত হয়, আড্ডা মারে, পুল খেলে। ওখানকার বেশির ভাগ লোকই দেখলাম শরীয়তপুর ও ফরিদপুর জেলার। সবার আন্তরিক ব্যবহার ও আতিথেয়তা ছিল মনে রাখার মতো। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ক্লাবটিতে রাজনৈতিক পোস্টারে ভরপুর থাকলেও দলীয় আলাপ-আলোচনার চেয়ে আড্ডা, খেলাধুলায় মশগুল সবাই।

পরদিন গেলাম উত্তমাশা অন্তরীপে। ইংরেজিতে অবশ্য জায়গাটাকে বলে ‘কেপ অব গুড হোপ’। সঙ্গী হিসেবে যোগ দিলেন অরুণ। মাসুদের বন্ধু। প্রথমেই ‘বোল্ডার বে বিচ’ গেলাম। ওখানকার ‘জ্যাকঅ্যাস পেঙ্গুইন’ দেখতে প্রতিবছর ৬০ হাজার পর্যটক আসেন। প্রবেশমূল্য ৭০ র‌্যান্ড। ভেতরে গিয়ে দেখতে পেলাম প্রচুর চীনা পর্যটক। কলকাতার এক বয়স্ক দম্পতিরও দেখা মিলল। এই সৈকতে অনেকে এক দিনের জন্য ক্যাম্প করে থাকেন। বড় বড় পাথরের পাশে ছোট ছোট পরিবারগুলো এক দিনের জন্য সংসার পাতে। পুকুরে গোসল করার মতো করে সাগরে যায় গোসল করতে।

ওখান থেকে এবার যাব উত্তমাশা অন্তরীপে। কেপ পয়েন্টে আসার পথে রাস্তার এক জায়গায় দেখলাম, সব গাড়ির গতি কমে যাচ্ছে। সামনে ভালো করে তাকাতেই দেখতে পেলাম, বেশ কিছু বানর রাস্তার মাঝখানে বসে আছে। মাসুদ সবাইকে সাবধান করে বলল—যার যার মোবাইল ও ক্যামেরা যেন পকেটে রেখে দিই, কারণ সুযোগ পেলেই এসব কেড়ে নিয়ে পালায় বানরগুলো। বাবলু আস্তে করে গাড়ির জানালা বন্ধ করে দিল। কিছুক্ষণের মধ্যে উত্তমাশা অন্তরীপে এসে পৌঁছলাম। প্রবেশ করার জন্য টিকিট কাটতে হলো। চারদিকে বিশাল পাহাড়ের মাঝে গাড়ি দারুণ গতিতে ছুটে যাচ্ছে। দিগন্তজোড়া খালি মাঠ। দূর থেকে মনে হলো, আকাশে ছুঁয়ে আছে পাহাড়। প্রচুর দর্শনার্থীর আগমন হয়েছে। সিটি সাইট সিয়িংয়ের দ্বিতল বাসও প্রচুর। তবে বেশির ভাগই চীনা পর্যটক দিয়ে বোঝাই। আজকাল ওরাই নাকি দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি দেশ ভ্রমণ করে থাকে।

এখানে আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগর এসে মিলেছে। নাবিকদের কাছে এই জায়গাটি বেশ বিখ্যাত। উত্তমাশা অন্তরীপের পার্কিংয়ে বাবলু বসে ছিল। তবে যাঁরা হেঁটে যেতে ইচ্ছুক নন, তাঁদের জন্য রয়েছে ট্রাম সার্ভিস। আমরা হেঁটেই ধীরে ধীরে ওপরে উঠে গেলাম। ওপর থেকে চোখে পড়ল নিচের মনোরম দৃশ্য। এককথায় অসাধারণ।

Advertisements

খাগড়াছড়ি হেরিটেজ পার্ক

khagrachhori heritage park

নানামুখী চাপের মুখে ঢাকা শহর…

dhaka under pressure 1adhaka under pressure 1b

বরফ রাজ্যের অভিজ্ঞতা পেতে যান ভারতের মোনালি

manali

ঢাকায় ইট-পাথরের মাঝেও কিছু সবুজের হাতছানি

Nd

মেক্সিকো ভূমিকম্প: উঁচু ভবন টিকে থাকার ৪ কারণ

৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প যখন মেক্সিকো সিটিতে আঘাত হানে তখন সেখানকার উঁচু ভবনগুলো কেঁপে উঠে। এ ভূমিকম্পে কিছু ভবন ধসে পড়লেও অনেক ভবন অক্ষত ছিল।

দেখা গেছে, যে ভবনটি ধনে পড়েছে তার ঠিক পাশের ভবনটি দাঁড়িয়ে আছে। এর কারণ কী?

প্রথম কারণ হচ্ছে, শহরের সব জায়গায় মাটি এক রকম নয়। শহরের একটি বড় অংশ গড়ে উঠেছে প্রাচীন হ্রদ থেকে উঠে আসা মাটির গঠনের সাহায্যে। এর ফলে অনেক জায়গায় মাটি আলগা । এ ধরনের মাটি ভূমিকম্পের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ভূমিকম্প হলে এ ধরনের মাটি বেশি নড়াচড়া করে। ফলে এ ধরনের মাটির উপর তৈরি করা ভবন ভূমিকম্পের সময় বেশি দুলতে থাকে। যেসব ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো মাটির গঠনের কারণে হয়েছে নাকি ভবন তৈরির দুর্বলতার কারণে হয়েছে – সেটি বলা মুশকিল।

দ্বিতীয়ত; ১৯৮৫ সালের ভূমিকম্পের পর মেক্সিকোতে ভবন তৈরির নীতিমালা বা বিল্ডিং কোড সংশোধন করা হয়েছে। ১৯৮৫ সালের সে ভূমিকম্পে ১০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। এছাড়া ৩০ হাজার বিল্ডিং ধসে পড়ে এবং আরো ৬৮ হাজার বিল্ডিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ভবন তৈরির নীতিমালা সংশোধন করা হয়।

সে নীতিমালায় বলা হয়েছিল ভবন তৈরির সময় মাটির গুনাগুণ বিবেচনা করতে হবে। শহরের কোন এলাকার মাটি কেমন সেটি পরীক্ষা করতে হবে। মাটির গুনাগুণ বিবেচনা করে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে কিনা সেটি যথাযথ তদারকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে সে নীতিমালায়। কিন্তু সে নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কিনা সেটি পরিষ্কার নয়।

তৃতীয়ত; মেক্সিকোতে বেশিরভাগ মানুষ নিজেরাই নিজেদের বাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করে কিংবা সংস্কার করে। অনেক সময় দেখা যায়, ভবনের দেয়াল ভেঙ্গে সেখানে নতুন জানালা বসানো হচ্ছে কিংবা অন্য কিছু করা হচ্ছে।

তারা নিজেদের পছন্দমতো ভবনের ভেতরে পরিবর্তন আনে। ফলে অনেক সময় সেটি ভবন তৈরির নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে না।

চতুর্থ কারণ; মেক্সিকো শহরে কিছু ভবন নির্মাণ করা হয়েছে যেগুলো ভূমিকম্প সহনীয়। এবারের ভূমিকম্পে মেক্সিকো সিটির ৫৭ তলা ভবনটি অক্ষত আছে। ত্রিকোণ আকৃতির এ ভবনটি ভূমিকম্পে নড়াচড়া করলেও ভেঙ্গে পড়েনি। অর্থাৎ ভবনটি এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে যাতে সেটি নড়াচড়া করবে, কিন্তু ভেঙ্গে পড়বে না।

এমনকি ১৯৮৫ সালের ভূমিকম্পে মেক্সিকো শহরের দুটি সুউচ্চ ভবন- একটি ৪৪ তলা এবং ৫৪ তলা- অক্ষত ছিল।

প্রকৌশলী এবং স্থপতিরা বলছেন, ভূমিকম্পের জন্য সহনীয় করে ভবন তৈরি করলে সেখান থেকে ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব। তারা বলছেন, কোন ভবনের ভিত্তি যদি গভীর এবং বিস্তৃত হয়, তাহলে সেটি ভূমিকম্প সহনীয় উঠে। কিন্তু ভিত্তি শুধু গভীর হলেই চলবে না।

সেটি যদি শেষ পর্যন্ত শক্ত মাটি পর্যন্ত না পোঁছায় তাহলে সেটি তেমন কোন কাজে আসবে না। কোন ভবনের কাঠামোতে যদি পিলারের পাশাপাশি কংক্রিট দেয়াল থাকে তাহলে সেটি ভূমিকম্পের জন্য সহনীয় হয়। শুধু পিলারের উপর তৈরি করা ভবন ভূমিকম্পের জন্য সহনীয় নয়।

সূত্র: বিবিসি

বাঘ মানুষ দেখলেই হামলে পড়ে কি?

tiger 1আসমা নুসরাত : সবাই সত্যি জানে—এমন অনেক কথা পরে যাচাই করে দেখা গেছে,সেগুলো মিথ্যা।

প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো, প্রাকৃতিকভাবেই বাঘের শিকার তালিকায় মানুষ নেই। যেমন শূকর বা হরিণ আছে। যতক্ষণ না আক্রান্ত হওয়ার ভয় পায়, ততক্ষণ পর্যন্ত বাঘ মানুষকে আক্রমণ করে না; বরং মানুষ দেখলে বাঘ এড়িয়ে যাওয়ারই চেষ্টা করে। ব্যতিক্রম দুর্বল বা আহত বাঘ, যে অন্য বন্য প্রাণী শিকারের সামর্থ্য হারিয়েছে। সে তখন লোকালয়ে হানা দেয়। এ ছাড়া যদি জায়গা সংকীর্ণ হয়ে যায় অথবা উপযুক্ত শিকারের অভাব দেখা দেয়, তবে বাঘ লোকালয়ে হানা দিতে পারে, হামলে পড়তে পারে মানুষের ওপর। নয়তো লোকালয়ে হানা দেওয়ার অভ্যাস বাঘের নেই। বিশেষ ব্যতিক্রম দেখা যায় সুন্দরবনের ক্ষেত্রে। ফরাসি পর্যটক ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ের সেই ১৬৬৬ সালে সুন্দরবন নিয়ে এ রকম লিখে গেছেন,‘বাঘেরা নৌকায় হানা দেয়, যখন মাঝিরা ঘুমিয়ে থাকে। শিকারকে তারা টেনে গভীর বনে নিয়ে যায়।’

সত্তরের দশকে জার্মান জীববিজ্ঞানী হিউবার্ট হেনড্রিকস তিন মাস বাংলাদেশের সুন্দরবনে এসে থেকেছিলেন।

তিনি ধারণা করেছিলেন, লবণ-জল সুন্দরবনের বাঘকে বিশেষ করে তুলতে পারে। লবণ-জল লিভার ও কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাতে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে এবং স্বাভাবিক আচরণে গড়বড় দেখা দিতে পারে। তবে হিউবার্ট তাঁর ধারণা পরখ করে দেখার সুযোগ পাননি।

স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউশনের এস ডিলন রিপ্লেও ভেবেছেন সুন্দরবনের বাঘের মানুষ সম্পৃক্ততা নিয়ে। তিনি জানাচ্ছেন, সুন্দরবনের জেলেরা ছিপ ফেলে দীর্ঘ সময় বসে থাকে। বসে থাকে জাল ফেলেও। মাছের গন্ধও বাঘকে আকৃষ্ট করে থাকে।

গবেষকরা আরো ভেবেছেন, সোয়াম্প টাইগারের বনমোরগ, বন্য শূকর বা গুইসাপ খুঁজতে কষ্ট হয়। তাই মানুষের প্রতি আকর্ষণ বাড়ে।

উল্লেখ্য, পৃথিবীর ১৩টি দেশে বাঘ মেলে। মানুষ দেখলে হামলে পড়ার রেকর্ড এমনকি ভারতের বাঘেরও (যদিও এগুলো বেঙ্গল টাইগার) নেই। তাই সেই কথাটিতেই স্থির থাকছেন গবেষকরা, বাঘ মানুষ দেখলে হামলে পড়ে না; বরং বাঘ মানুষ এড়িয়ে চলে।