আর্কাইভ

Archive for the ‘তথ্যপ্রযুক্তি’ Category

পুরনো দিনের কিছু জনপ্রিয় তথ্যপ্রযুক্তি

5 olden-day techs

Advertisements

কার্টুন-রসঃ মোবাইল ফোন কেনা

buying mobile phone

অ্যান্ড্রয়েড ৮-এর আকর্ষণীয় ৮ ফিচার

android oreoগত মাসেই অ্যান্ড্রয়েড সাম্প্রতিক সংস্করণের (অ্যান্ড্রয়েড ৮.০) আনুষ্ঠানিক নাম ঘোষণা করেছে গুগল। এর নাম ওরিও। চলতি বছরের মে মাসে বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলন আইও ২০১৭ উপলক্ষে এই অপারেটিং সিস্টেম উন্মুক্ত করে গুগল। পিক্সেল ২ ও পিক্সেল এক্সএল ২-এর সঙ্গে এই অপারেটিং সিস্টেম থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ওরিও সংস্করণটির ওটিএ হালনাগাদ পিক্সেল ও নেক্সাস স্মার্টফোনে দিয়েছে গুগল। অ্যান্ড্রয়েডের নতুন এই সংস্করণটিকে অ্যাপলের সর্বশেষ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ১১-এর প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা হয়। দুটি অপারেটিং সিস্টেমেই বেশ কিছু আকর্ষণীয় ফিচার আছে। অ্যান্ড্রয়েড ওরিও সংস্করণটির কয়েকটি আকর্ষণীয় ফিচার সম্পর্কে জেনে নিন:

পিকচার ইন পিকচার মোড: ওরিওতে পিকচার ইন পিকচার মোড নামের ফিচারটি দিয়ে কোনো স্মার্টফোন বা ট্যাবে একই সঙ্গে দুটি কাজ করা যায়। ফিচারটি ব্যবহার করে কোনো ভিডিও কল বা ভিডিও দেখার সময়েও ব্যাকগ্রাউন্ডে একই সময়ে অন্য অ্যাপ ব্যবহার করা যায়।

স্মার্ট টেক্সট সিলেকশন: গুগলের উন্নত মেশিন লার্নিং পদ্ধতি ব্যবহার করায় ওরিওতে টেক্সট নির্বাচনে বিশেষ সুবিধা পাওয়া যায়। টেক্সট নির্বাচন, ঠিকানা, মেইল অ্যাড্রেস, ফোন নম্বর শনাক্ত করার পাশাপাশি এগুলো কাজে লাগানোর বিষয়ে অপশন পাওয়া যাবে।

পিন অ্যাপ শর্টকাট: অ্যাপ শর্টকাট পিন করে রাখার সুবিধা এসেছে ওরিওতে। শর্টকাট তৈরিতে নতুন অপশনও এতে এসেছে।

নতুন নকশার ইমোজি: গত মে মাসে গুগলের কর্মকর্তারা অ্যান্ড্রয়েড ও’র সঙ্গে নতুন ইমোজির বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। প্রায় দেড় বছর ধরে নতুন ইমোজি নিয়ে কাজ করার পর ব্যবহারবান্ধব ইমোজি সেট ওরিওতে উন্মুক্ত করছে গুগল।

নোটিফিকেশন চ্যানেলস: অনেক অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশনে বিরক্ত হতে পারেন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী। নোটিফিকেশন যাতে সহজে ব্যবস্থাপনা করা যায়, এর সুবিধা আছে ওরিওতে। সব ধরনের অ্যাপ থেকে যাতে নোটিফিকেশন না আসে, সে সুবিধা আছে এতে।

পাসওয়ার্ড অটোফিল: ওরিওতে গুগলের পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনার বিশেষ সুবিধা এসেছে। ব্যবহারকারীরা তাঁদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করলে অটোফিল ফ্রেমওয়ার্ক আইডি-পাসওয়ার্ড পূরণ করে দেবে। ডেভেলপারদের ক্ষেত্রে অবশ্য তাদের অ্যাপে অটোফিল এপিআই দিয়ে রাখতে হবে।

জায়গা না থাকলেও আপডেট: স্মার্টফোনে জায়গা শেষ হলেও ওটিএ আপডেট পাওয়া যাবে। অর্থাৎ হালনাগাদের সময়েও ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে।

এটা ওয়াই-ফাই: ওরিওচালিত স্মার্টফোনে অবস্থানের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়াই-ফাইতে যুক্ত হওয়া বা বন্ধ হওয়ার সুবিধা আছে। এতে জিপিএস চালু থাকা প্রয়োজন পড়বে।

তথ্যসূত্র: গ্যাজেটস নাউ

ভারতে আইটি সেক্টরে ধস, বাংলাদেশে উল্টো চিত্র

submarine cable routing 1ফিরোজ মান্না ॥ ভারতের আইটি সেক্টরে কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে বড় ধরনের ধস নেমেছে। যদিও দেশটির আইটি সেক্টরটি বিস্ময়করভাবে বিকশিত হলেও এখন আর সেই অবস্থা নেই। এমন অবস্থার জন্য অটোমেশন পদ্ধতি দায়ী। অটোমেশনের ফলে দেশটিতে আইটি সেক্টরের কিছু কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হচ্ছে। আর কিছু কাজ করা হচ্ছে রোবোটের মাধ্যমে। ফলে দেশটিতে নিম্ন ও মাঝারি পর্যায়ের আইটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেশিরভাগ কোম্পানি ছাঁটাই করে দিচ্ছে। ভারতে আইটি সেক্টরটিতে কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা আয় ক্রমাগত নিম্ন দিকে চলে যাচ্ছে। অটোমেশন পদ্ধতি চালুর পর আইটি কোম্পানির মালিকরা এক দিকে যেমন কর্মী ছাঁটাই করছে, অন্যদিকে কর্মীদের বেতনও কমিয়ে দিয়েছে। ভারতের ফ্রন্ট লাইন পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এসব কারণই উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশে সেক্টরটি ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। আইটি সেক্টরকে সরকারীভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ফলে এখানে আইটি সেক্টরে ধস নামার আশঙ্কা এখনই পরিলক্ষিত হচ্ছে না। সরকার নিজেও আইটি সেক্টর নিয়ে আশাবাদী। এই সেক্টরের মাধ্যমে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে বলে বলা হচ্ছে। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালনের আগেই দেশ পুরোপুরি আইটিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে।

সরকার ভিশন ’২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বছরে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের টার্গেট নিয়েছে। আর ২০৪১ সালের মধ্যে দেশ ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য সরকার ৭০ হাজার আইটি বিশেষজ্ঞ তৈরি করার কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। আর এই ৭০ হাজার বিশেষজ্ঞ আরও ২০ লাখ আইটি শিল্পে দক্ষ জনবল গড়ে তুলবে। ২০ লাখ আইটি জনবল আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ৫০ বিলিয়নের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় করবে। এই আয় জাতীয় আয়ে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করবে বলে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ জানিয়েছে। ভারতের দীর্ঘ ৩০ বছরের অভিজ্ঞতায় আইটি সেক্টর শীর্ষস্থান দখল করে ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাস মাত্র ৮ বছরের। এই ৮ বছরে বাংলাদেশ আইটি সেক্টরে বড় রকমের অগ্রগতি অর্জন করেছে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় আইটি সেক্টর দিন দিন উন্নত হচ্ছে। দেশে গড়ে উঠেছে কয়েক শ’ সফটওয়্যার শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। প্রতিবছর বিদেশে সফটওয়্যার শিল্প থেকে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করছে। এসব সফটওয়্যার শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকার সরাসরি সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এ কারণেই ভারতের মতো বাংলাদেশে আইটি শিল্পে ধস নামার আশঙ্কা অনেক কম।

ভারতের ফ্রন্টলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত ‘লুজিং স্টিম’ (বাষ্প হারাচ্ছে) শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরে (২০১৫-১৬) ভারতের আইটি সেক্টর থেকে আয় হয়েছে ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে। তবে প্রতিবছরই এই আয় কমে আসছে। ২০১২-১৩ সালে এ খাত থেকে মোট বৈদেশিক রফতানির ২০ দশমিক ৮ শতাংশ অর্থ আয় করলেও ২০১৪-১৫ সালে মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ অর্থ আয় করতে সক্ষম হয়। ক্রমাগত ভারতের আইটি সেক্টরে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। এই সেক্টর এখন খাদের কিনারে এসেছে। আইটি শিল্প অনেকটাই অস্থিত্ব সঙ্কটে ভুগছে। ভারতের যেসব শহর তথ্যপ্রযুক্তির জন্য বিখ্যাত ছিল, ওসব শহরের আইটি প্রতিষ্ঠানে গত কয়েক মাসে বড় ধরনের ধস নেমেছে। মূলত ২০০১ সাল থেকেই ভারতের আইটি সেক্টরে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতে সস্তায় দক্ষ আইটি কর্মী পাওয়ার কারণেই দেশটির এই খাতে ধীরে ধীরে বিকাশ হয়েছে। আইটি খাত থেকে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও সরকারের বেড়েছে। এক সময় এই আদায় ডাবল ডিজিটেও পৌঁছায়। ভারতের আইটি খাতের বিশেষজ্ঞরা এক সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করেছেন। পরে দেশীয় আইটি খাত বিকাশে নিয়োজিত হয়েছেন। ফলশ্রুতিতে ভারতের আইটি খাতে কর্মীদের দক্ষতা এসেছে। এসব দক্ষকর্মী পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশের আইটি খাত বিকাশে ভূমিকা রেখেছেন।

ভারতে গত দুই দশক ধরে আইটি সেক্টরের বিকাশ হয়েছে। তবে ২০০১ সাল থেকে ২০০৮-০৯ পর্যন্ত এ খাতে বিকাশের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে চেন্নাই, হায়দরাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু, পুনে ইত্যাদি শহরে এই সেক্টরের অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটে। তবে এখন সেই বিকাশ অনেকটাই ভাটা পড়েছে। কর্মী ছাঁটাইয়ের কারণে দেশটিতে কর্মীরা চরম প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। ভারতের আইটি সমৃদ্ধ শহরগুলোতে সফটওয়্যার বিজ্ঞানীদের সংগঠনগুলো কর্মী ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে এই প্রতিক্রিয়া দেখায়। তারা কর্মী ছাঁটাইকে চ্যালেঞ্জ করেছিল। তখন ইনফয়েস কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এন আর নারায়ণ মার্থি বিজ্ঞানীদের রহস্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, সফটওয়্যার শিল্পে যা ঘটেছে তা দুঃখজনক। কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিম্নশ্রেণীর কর্মচারীদের চাকরি ঠেকাতে পদক্ষে নেয়া উচিত ছিল। তিনি দাবি করেন, তার সহপ্রধান ২০০১ সালে নিম্ন বেতনের কর্মচারীদের চাকরি বাঁচিয়েছিলেন। বর্তমানে ভারতে সফটওয়্যার শিল্প অনেক ছোট হয়ে এসেছে। পাশাপাশি কর্মচারীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ভারতের চেন্নাই, হায়দারাবাদ, দিল্লী, ব্যাঙ্গালুরু ও পুনেতে আইটি সেক্টর থেকে হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। এসব কোম্পানিগুলো থেকে ১০ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞ মাঝারি পর্যায়ের অনেক কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। এ সব কর্মীর বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগ তুলে এদের ছাঁটাই করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে। কোম্পানিগুলোর মালিকরা বলেছে, কর্মী ছাঁটাইয়ের কিছু কারণ হচ্ছে আইটি খাতে কিছু কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হচ্ছে। আবার কিছু কাজ হচ্ছে রোবোটের মাধ্যমে। ফলে অধীকসংখ্যক কর্মীর প্রয়োজন নেই বলে কিছু কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে।

বাংলাদেশে আইটি সেক্টরের বয়স খুব বেশি দিন আগের না। এরপরও তুলনা মূলকভাবে বাংলাদেশ আইটি সেক্টরে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। গত ৮ বছরের আইটি খাতে রফতানি হয়েছে ৭শ’ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৮ সাল নাগাদ আইসিটি সেক্টর থেকে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি করা সম্ভব হবে। ২০২১ সাল নাগাদ রফতানি হবে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এজন্য প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

ফ্রন্টলাইন বলছে, ভারতের অলাভজনক সংস্থা ন্যাশনাল এ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এ্যান্ড সার্ভিস কোম্পানি (নাসকম) বলছে, আইটি শিল্প চলতি অর্থবছরে তুলনায় ২০১৮ অর্থবছরে ২০ থেকে ৩৮ শতাংশ কর্মসংস্থান কমে যাবে। আগামী অর্থবছরে এই খাতে ১ দশমিক ৩ থেকে ১ দশমিক ৫ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে, যেখানে চলতি বছরে ১ দশমিক ৮ লাখ কর্মসংস্থান যোগ হয়েছিল। এই সেক্টরে এক বছরে সর্বোচ্চ ২ দশমিক ৪০ লাখ কর্মসংস্থানও যুক্ত হয়েছিল।

নাসকমের প্রেসিডেন্ট আর চন্দ্রশেখর বলেছেন, অটোমেশনের কারণেই এই খাতে চাকরি কমে যাচ্ছে। ভারতীয় আইটি শিল্প, অটোমেশন এবং ক্লায়েন্টের ডিজিটাল চাহিদার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। এবং তারা অটোমেশন এবং খরচ কমানোর আশায় কর্মসংস্থান পুনর্গঠন করছে।

টিসিএস এবং ইনফোসিসে এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে কর্মী সংখ্যা কমে যথাক্রমে ১৮০০ এবং ১৪১৪ হয়েছে। আর এই প্রতিষ্ঠান দুটি ভারতের এক-পঞ্চমাংশ সফটওয়্যার রফতানি করে যার মূল্য ১১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম সফটওয়্যার পরিষেবা রফতানিকারী প্রতিষ্ঠান উইপ্রোর প্রান্তিক হিসেবে ১৩০৯ জন বেড়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নাসকম প্রধান আরও জানিয়েছেন, আইটি সেক্টরসহ প্রযুক্তির কারণে সব সেক্টরেই চাকরি কমে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে এবং একই ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। আর এখন তাদের বেকারত্বের মাত্রা শূন্যের কাছাকাছি। এখানে (ভারতে) চাকরির ক্ষতি এবং কষ্ট থাকলেও শেষ পর্যন্ত এটি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির একমাত্র পথ বলে অভিমত প্রকাশ করেন চন্দ্রশেখর।

গত বছর ‘এইচএফএস রিসার্চ’ সংস্থা বস্টন, লন্ডন ও বেঙ্গালুরু থেকে এক যোগে ‘ফিউচার ওয়ার্কফোর্স ইমপ্যাক্ট মডেল’ নামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল, যাতে তারা দেখিয়েছে যে পৃথিবীর আইটি ও বিজনেস সার্ভিস কোম্পানিগুলো আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি, অটোমেশন এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অর্থাৎ বুদ্ধিমান যন্ত্রের সুবিধা নিয়ে তাদের ব্যবসা বাড়াতে পারছে কর্মীসংখ্যা কমিয়েই। এদের হিসেব অনুসারে ২০২১ সালের মধ্যে ভারতে সব চেয়ে ‘কম দক্ষতাসম্পন্ন’ কর্মীদের ২৮ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার কর্মীর আর কোন জায়গা থাকবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এই কাজের ক্ষেত্র সঙ্কোচনের অনুপাতটা হলো ৩৩ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার মানুষের জীবিকা। এই সব কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে, যন্ত্রের মাধ্যমে হবে, তার জন্য এত মানুষ লাগবে না। এর বিনিময়ে ভারত এই সময়ে ১ লাখ ৬০ হাজার চাকরির ক্ষেত্র সৃষ্টি করবে (১৪ শতাংশ বৃদ্ধি) আর আমেরিকা হয়ত ১ লাখ ৭৩ হাজার (সাত শতাংশ বৃদ্ধি)। দেখাই যাচ্ছে, যত মানুষ কাজ হারাচ্ছে, তার চেয়ে কাজ পাচ্ছে অনেক কম মানুষ।

বাংলাদেশ সরকার ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের কাজ করে যাচ্ছে। ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন হলে আইটি সেক্টরে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে উল্লেখযোগ্য দেশ।

দেশের তরুণ-তরুণীরা আইটি সেক্টরে বড় অবদান রেখে যাচ্ছে। তারা নিজ উদ্যোগেই আউটসোর্সিং করে যাচ্ছে। এতে বড় অংকের বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। বিষয়টি সরকারী পর্যায়ে অধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এ জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ নানা কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যে ৭০ হাজার আইটি বিশেষজ্ঞ তৈরি করার কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। এই ৭০ হাজার বিশেষজ্ঞ ২০২১ সালের মধ্যে আইটি সেক্টরে ২০ লাখ দক্ষ জনবল তৈরি করবে। দক্ষ জনবল তৈরি হলে বিপুল অংকের বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবে তখন বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। বাংলাদেশের জ্ঞানভিত্তিক একটি অর্থনীতির ওপর দাঁড়িয়ে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আইসিটি সেক্টর থেকে আয় হবে। ভারত বিগত ৩০ বছরে আইটি শিল্প থেকে প্রায় দেড় শ’ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করছে। আইটি সেক্টরের ইতিহাস মাত্র ৮ বছর আগের। সরকার বিভিন্নমুখী পরিকল্পনা,পলিসি প্রণয়ন এবং প্রকল্প গ্রহণের মধ্য দিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা হচ্ছে। সারাদেশে ১ লাখ ৭০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪ কোটি ২৭ লাখ শিক্ষার্থীদের জন্য বিশাল পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। সরকার সারা বাংলাদেশে সাড়ে ৫ হাজার কম্পিউটার ল্যাব, ২ হাজার ১টি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করেছে। আগামী ৩ বছরে প্রাইমারি, হাইস্কুল ও কলেজ লেভেলে আরও ১৫ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। সরকার নানামুখী উদ্যোগের ফলে দেশ আইটি সেক্টর এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার আশা করছে আইটি সেক্টর দিন দিন উন্নত হচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশ আইটি সেক্টরে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে।

দেশের ৯৮ শতাংশ ফেসবুক ব্যবহারকারীই নিষ্ক্রিয়!

facebook-3হিটলার এ. হালিম : দেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ। এর মধ্যে  ৯৮ শতাংশই নিষ্ক্রিয়। মাত্র ২ শতাংশ সক্রিয়। স্ট্যাটাস দেওয়া, নিউজ শেয়ার, লাইক, মন্তব্য ও বিতর্ক করাসহ বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে তারাই জমিয়ে রেখেছেন সামাজিক যোগাযোগের এই ভার্চুয়াল স্পেস। আর সক্রিয়দের বেশিরভাগের আগ্রহ বিভিন্ন অনলাইন ও দৈনিকের খবরে। দেশের মোট ব্যবহার হওয়া (৪৩৬ গিগা) ব্যান্ডউইথের প্রায় ৮৮ গিগা ব্যবহার হয় ফেসুবকের পেছনে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি),  ইন্টারনেট সেবাদাতা সংগঠন সূত্রে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী ইন্টারনেটের সেবার সঙ্গে যুক্ত। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত দেশে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ৭ কোটি ৩৩ লাখেরও বেশি। এরমধ্যে বেশিরভাগই শুধু ফেসবুক ব্যবহারের জন্যই ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত থাকেন।

সামাজিক গণমাধ্যম বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘উই আর সোশ্যাল’ ও ‘হুট সুইট’-এর এক জরিপে দেখা যায়, ফেসবুক ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। এখানে ২ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ সক্রিয়ভাবে ফেসবুক ব্যবহার করছেন। গত এপ্রিল মাসে প্রকাশিত এ সংখ্যা বর্তমানে ২ কোটি ৯০ লাখের মতো। অন্যদিকে ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ডস স্ট্যাটস জানাচ্ছে ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী ছিল ২ কোটি ১০ লাখ। সে সময় বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৬ কোটি ৭২ লাখ ৪৫ হাজার। আর বিটিআরসির হিসাবমতে বাংলাদেশের বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৭ কোটি ৩৩ লাখ।

বাংলাদেশের মানুষ ফেসবুকে আসলে কী করে, সে বিষয়ে কোনও গবেষণা হয়েছে কিনা, এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি না। তবে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের (বিডিওএসএন) সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসানের ব্যক্তিগত ধারণা হলো, দেশের মোট ফেসবুক ব্যবহারকারীর মাত্র ২ শতাংশ সক্রিয়। মুক্ত সফটওয়্যার নিয়ে দীর্ঘদিন কাজের ফলে তিনি বিষয়টি খুব নিবিড়ভাবে দেখেছেন। তিনি জানান, ‘ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে মাত্র ২ শতাংশ সক্রিয়ভাবে ফেসবুক ব্যবহার করেন। এদের সংখ্যা সব মিলিয়ে সাড়ে ৫ লাখের মতো হবে। তারা ফেসবুকে মন্তব্য করেন, কোনও বিষয় নিয়ে বিতর্ক করেন, শেয়ার করেন। এরমধ্যে রয়েছেন সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, মার্কেটিয়ার ইত্যাদিরা। 

মুনির হাসান বলেন, ২৫ শতাংশ ব্যবহারকারী ফেসবুকে মোটামুটি সক্রিয়। তারা সপ্তাহে গড়ে একবার হলেও ফেসবুকে ঢোকেন। বিশেষ কোনও উৎসব বা জন্মদিনে তারা সক্রিয় হন। জন্মদিনকে ঘিরে কিছু লাইক, কমেন্ট পেয়েই তারা খুশি। আর ৩০ শতাংশ ব্যবহারকারী ফেসবুকে কিছুই করেন না। তাদের মধ্যে অনেকে ফেসবুকে আইডি খুলতে হয়, তাই খোলেন। তাদের অনেকেই আবার ভুলে যান যে তার একটি ফেসবুক আইডি আছে। 

অন্যদিকে ৪০-৪৩ শতাংশ ফেসবুক ব্যবহারকারী একেবারে নীরব। তাদের সম্পর্কে বিডিওএসএন-এর সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা ফেসবুকে ঢোকেন কিন্তু কিছুই করেন না। কোনও কিছুতে লাইক বা কমেন্ট করেন না। মাঝে মাঝে কোনও লিংক হয়তো ওপেন করে দেখেন। তারা লগইন করেন, ফলে তার ছাপ দেখা যায়।’ তিনি জানান, ‘এর ফলে বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ট্রেন্ডটা ঠিক বোঝা যায় না।’ 

এদিকে দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন আইএপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম দেশে ফেসবুক ব্যবহারে কী পরিমাণ ব্যান্ডউইথ খরচ হয়, তার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, ‘বিভিন্ন আইএসপির ব্রডব্যান্ড (উচ্চগতি) ইন্টারনেট ব্যবহারকারী যারা ফেসবুকে ঢোকেন, তাদের মধ্যে মধ্যবয়সীরা ফেসবুকের নিউজ ফিডে খবর পড়তে পছন্দ করেন। তবে গবেষণা না থাকায় একেবারে সুনির্দষ্ট কোনও তথ্য নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আমিনুল হাকিম বলেন, ‘দেশে মোট ব্যবহার হওয়া ব্যান্ডউইথের মধ্যে (মোবাইলফোন অপারেটর ১১০ গিগা এবং আইএসপি ৩২৬ গিগা) ৮৮ গিগা ব্যবহার হয় ফেসবুকের পেছনে।’ তিনি জানান, ‘মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা প্রায় সারাক্ষণই ফেসবুক, মেসেঞ্জারে লগইন অবস্থায় থাকেন। মোবাইলফোন অপারেটরগুলোর ব্যবহার হওয়া ১১০ গিগা ব্যান্ডউইথের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ ব্যবহার হয় ফেসবুক ব্যবহারে। আর আইএসপিগুলোর গ্রাহকদের ব্যবহার হওয়া ৩২৬ গিগা ব্যান্ডউইথের মধ্যে ১০ শতাংশ তথা ৩২ দশমিক ৬ গিগা ব্যবহার হয় ফেসবুক ব্যবহারে।  

গত কয়েকদিনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ৩০ জনের বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা প্রত্যেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এর সাহায্যে বিভিন্ন কাজ করলেও মূলত ফেসবুকেই তাদের বেশি সময় ব্যয় হয়। কেউ কেউ আবার ফেসবুকে কম ঢুকলেও প্রায় সারাদিন মেসেঞ্জারে থাকেন। সব মিলিয়ে তারা গড়ে ৩-৪ ঘণ্টা ফেসবুকে কাটালেও মেসেঞ্জারে থাকেন ৮-১০ ঘণ্টা।

এদিকে ফেসবুক ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট কেনার পেছনে তাদের সবার মাসে ব্যয় হয় গড়ে ৩০০-৪০০ টাকা। এর মধ্যে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকাও ব্যয় করেন তারা। ওয়াই-ফাই সংযোগের খরচ ধরলে ব্যয়ের পরিমাণ আরও বাড়বে। ব্যবহারকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যাদের ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সুযোগ নেই, তাদের ফেসবুক ব্যবহারের খরচ কিছুটা বেশি।

তবে একটি বিষয়ে উল্লিখিত সব বয়সী ব্যবহারকারীর মধ্যে মিল রয়েছে। তারা সবাই দিনের অবসর সময় অনলাইনে কাটান। তরুণরা রাত ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই অনলাইনে থাকেন বলে মত দিয়েছেন। এছাড়া দিনের অন্যান্য অবসর সময়েও তারা ফেসবুকে সময় ব্যয় করেন। অন্যদিকে কর্মজীবীরা অফিসের অবসর সময়ে ফেসবুক স্ক্রল করেন বলে জানান। তবে কর্মজীবীরা ফেসবুকে বেশি লগইন করেন অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে। সেই হিসাবে দেখা গেছে বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বেশিরভাগ কর্মজীবী ফেসবুকে লগইন করেন। আর যারা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে অপছন্দ করেন না, তারা ইউটিউবে লগইন করে কানে ইয়ারফোন গুজে গান শোনেন। কেউ কেউ ‍মুভিও দেখেন।

নিজের ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণ বলতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আফরিদা জেরিন প্রশা বলেন, ‘দিনের বেশিরভাগ সময়-ই নেটে যুক্ত থাকি। মূলত ফেসবুকই বেশি ব্যবহার করা হয়। আমাদের ক্লাস শিডিউল চেক করার জন্য নিয়মিত ফেসবুক গ্রুপ চেক করি। মেসেঞ্জারে বলতে গেলে সবসময়ই থাকি।’

একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শাহেদ হাসান বলেন, ‘বেশ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করি। এরমধ্যে ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি সময় দেই। এটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।’

জানতে চাইলে অপসোনিন ফার্মাসিটিউক্যালস লিমিটেডের বিপণন বিভাগের কর্মকর্তা হাবীব কাজী বলেন, ‘মূলত ফেসবুক ব্যবহারের জন্যই ইন্টারনেট ব্যবহার করি। ফেসবুকে মজার সব ভিডিও দেখতে ভালো লাগে। এছাড়া ইউটিউবেও অনেক সময় দেই। রাত ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনলাইনে বেশি থাকি।’

নিজের ইটারনেট ব্যবহারের যৌক্তিকতা বলতে গিয়ে গাজীপুরের উধুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কল্পনা আক্তার বলেন, ‘আমি রাত ৮টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ইন্টারনেটে থাকি। ফেসবুক চালাই, খবর পড়ি। ফেসবুকের বিভিন্ন পেজে নতুন সব কাপড়ের কালেকশন দেখি।’

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রওজাতুল জান্নাত জানান, ‘ফেসবুকে অনেক সময় যায়। বিশেষ করে নতুন ডিজাইনের জামা-কাপড় দেখতেই বেশি সময় ব্যয় হয়। সবচেয়ে বেশি থাকি মেসেঞ্জারে।’

বাংলা ট্রিবিউন

অ্যাপল ও ফেসবুক-এ পারিবারিক ইমোজি

emoji types 1

প্রোগ্রামিং-পাগল তালহা’র বিশাল অর্জন !

talha programmer 1atalha programmer 1b