আর্কাইভ

Archive for the ‘তথ্যপ্রযুক্তি’ Category

স্মার্টফোন যেসব যন্ত্রপাতিকে অপ্রয়োজনীয় করে দিয়েছে !

smartphone made them extinct

Advertisements

প্রোগ্রামারের দৃষ্টিকোণ থেকে…

Forma-2.qxdForma-2.qxdForma-2.qxd

বদলে গেছে কম্পিউটার প্রকৌশল

abdullah al-faruqueকম্পিউটার প্রকৌশল নিয়ে পড়ার আগ্রহ আছে বহু শিক্ষার্থীর। অনেকে পড়ছেন, প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। কিন্তু প্রতিদিন আগের চেয়েও উন্নত হচ্ছে কম্পিউটার। বাইরের বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা? এ প্রসঙ্গে লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, আরভাইনের তড়িৎ প্রকৌশল ও কম্পিউটারবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক

কম্পিউটার যখন প্রথম তৈরি হয়, তার আকৃতি ছিল বিশাল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটা ছোট হতে শুরু করল। আমি যখন ছাত্র ছিলাম, তখন কম্পিউটারে আমরা যে ধরনের কাজ করতাম, এখন স্মার্টফোনেই তার চেয়েও জটিল কাজ করা যায়। এখন আস্ত একটা কম্পিউটার আপনার হাতঘড়ির মধ্যেই এঁটে যেতে পারে। এই যে কম্পিউটারের ছোট হয়ে আসা, এটা একটা বিরাট কাজের ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছে। আমরা যাকে বলছি ‘এম্বেডেড সিস্টেম’।

আমরা মানুষের চোখের ভেতর মাইক্রোপ্রসেসর ঢোকানোর চেষ্টা করছি। দেহের বিভিন্ন অংশে মাইক্রোপ্রসেসর বসানোর কাজ চলছে। গাড়ি এখন আর স্রেফ ‘ইলেকট্রো মেকানিক্যাল’ যন্ত্র নয়, গাড়ির মধ্যে প্রচুর মাইক্রোপ্রসেসর আছে। নতুন যে গাড়িগুলো বের হচ্ছে, এর বেশির ভাগই কম্পিউটারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আমরা এখন স্বয়ংক্রিয় যানবাহনের কথা বলছি। সমগ্র বিদ্যুৎ-ব্যবস্থা কম্পিউটারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের কথা বলছি। প্রকৌশলের সব শাখায় কম্পিউটার ঢুকে পড়েছে। এটাই হলো আগামী দিনের কম্পিউটার প্রকৌশলের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ আর সবচেয়ে বড় কাজের ক্ষেত্র।

আমি যেমন কাজ করছি ‘সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেম’ নিয়ে। কম্পিউটারকে সাধারণত বলা হয় ‘সাইবার সিস্টেম’। যেখানে হার্ডওয়্যার আছে, সফটওয়্যার আছে। কিন্তু এই কম্পিউটারই যখন অন্য কোনো যন্ত্র যেমন স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, স্মার্ট গ্রিড কিংবা মানুষের শরীরের ভেতর ঢুকে পড়ে, তাকে বলে ‘সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেম’।

আমি মনে করি, কম্পিউটার প্রকৌশলের ছাত্রদের এখন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের বিভিন্ন শাখা সম্পর্কে জানতে হবে। শুধু প্রোগ্রামিং শিখে বা শুধু কম্পিউটার-বিষয়ক জ্ঞান অর্জন করে এগিয়ে থাকা যাবে না। স্বয়ংক্রিয় কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, বায়োমেডিকেল ইন্ডাস্ট্রি থেকে শুরু করে বিজ্ঞানের সব শাখায় কম্পিউটার প্রকৌশলী প্রয়োজন। এখন কম্পিউটার প্রকৌশলীদের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষের সঙ্গে মিশতে হয়, নতুন নতুন সমস্যার সমাধান করতে হয়। আগে প্রকৌশলের ভিন্ন ভিন্ন শাখায় প্রকৌশলীরা নিজেদের মতো করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতেন। এখন তড়িৎকৌশল, যন্ত্রকৌশল, পুরকৌশল…সব শাখার প্রকৌশলীরা এক হয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। তাই এগিয়ে থাকতে হলে সব বিষয়েই জানতে হবে। অন্তত জানার ইচ্ছে বা আগ্রহ থাকতে হবে।

কাজটা কিন্তু খুব কঠিনও নয়। আমরা যখন বুয়েটে পড়তাম, আমরা জানতাম না, এমআইটির শিক্ষার্থীরা কী নিয়ে কাজ করছে? ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলির একজন অধ্যাপক কী নিয়ে ভাবছেন? কম্পিউটারবিজ্ঞানীরা নতুন কী নিয়ে গবেষণা করছেন? বিশ্বসেরা জার্নালগুলোতে কোন প্রবন্ধ নিয়ে কথা হচ্ছে?

এখন কিন্তু এসব জানা খুব সহজ। ইন্টারনেট সব সহজ করে দিয়েছে। অনলাইনে যে বিজ্ঞাননির্ভর জার্নালগুলো পাওয়া যায়, সেগুলোতে ঢুঁ মারলেই শিক্ষার্থীরা জানতে পারবেন, এখনকার ‘ট্রেন্ড’ কী, প্রযুক্তির নতুন চ্যালেঞ্জ কী? জার্নালগুলোতে সব সময় আগামী দিনের প্রযুক্তি নিয়ে কথা হয়। শুধু এখনকার সময়ই নয়, ১০ বছর পরে টেকনোলজির ‘ট্রেন্ড’ কী হবে, সেসব নিয়েও আলোচনা থাকে জার্নালে। ছাত্রাবস্থায়ই বিজ্ঞাননির্ভর জার্নাল পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

একটা সময় দেখা যেত ভারতের আইআইটি (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) বা চীনের সিংহুয়া ইউনিভার্সিটি থেকে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা নিতে ইউরোপ-আমেরিকার স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেতেন। বিশ্বমানের গবেষণার পাশাপাশি ওরা কিন্তু এখন আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছে। ওদের লক্ষ্য এখন উদ্যোক্তা হওয়া। সিলিকন ভ্যালিতে দেখবেন অনেক ভারতীয়, চীনা শিক্ষার্থীদের নিজেদের ফার্ম আছে। ওরা ভবিষ্যৎ মার্ক জাকারবার্গ হওয়ার চেষ্টা করছে। আমাদের শিক্ষার্থীদেরও দৃষ্টি থাকতে হবে দূরে। বিজ্ঞান গবেষণায় ও উদ্যোক্তা হিসেবে নেতৃত্ব দিতে চাইলে, আগামী দিনের পৃথিবীতে কোন প্রযুক্তির প্রভাব থাকবে, সেটা বুঝে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। হয়তো একটু সময় লাগবে। কিন্তু এটা অসম্ভব নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আমি যেসব বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে দেখি, অনেকে ভালো করেন আবার অনেকে করেন না। আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক সময় একটা ভয় কাজ করে। একজন কম্পিউটার প্রকৌশলীকে হয়তো একজন জীববিজ্ঞানীর সঙ্গে কাজ করতে হতে পারে। তাই বলে ভয় পেলে চলবে না। গবেষণার জন্য আমাকে যেমন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, চিকিৎসকদের সঙ্গে কাজ করতে হয়। এখন যাঁরা কম্পিউটার প্রকৌশল পড়ছেন, একদিন হয়তো তাঁদেরও এমন কাজ করতে হবে। ভয় পেলে চলবে না। আমি আগে শিখিনি তো কী হয়েছে? শিখে নেব। যাদের সাহস থাকে, তারাই এগিয়ে যায়।

আমার অনেক শিক্ষার্থীকে দেখেছি, তারা কখনো বলে না, ‘আমি তো এটা করিনি। আমি তো এটা পারি না।’ হয়তো নতুন একটা সমস্যা নিয়ে আমরা আলাপ করছি। শিক্ষার্থীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের মত জানায়, আলোচনায় অংশ নেয়।

আজকাল ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি নিয়ে প্রচুর কথা হচ্ছে। আইওটি হলো যেকোনো সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেম নির্ভর প্রযুক্তিকে ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া। সব যন্ত্রের ভেতর মাইক্রোপ্রসেসর, সেন্সর, যোগাযোগের ক্ষমতা ঢুকে পড়ছে। এর ফলে যেটা হয়েছে, ‘নিরাপত্তা’ নিয়েও এখন প্রকৌশলীদের ভাবতে হচ্ছে। ধরুন, একটা গাড়িতে যদি সফটওয়্যার থাকে, আমি কিন্তু আপনার গাড়ি হ্যাক করে ফেলতে পারব। মানবদেহের ভেতরে যদি কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বসানো হয়, আমি একটা মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। আমি একটা পুরো শহরের বিদ্যুৎ-ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। তাই ‘নিরাপত্তা’ও গবেষণার একটা বড় ক্ষেত্র। পরিসংখ্যান, তথ্য বিশ্লেষণ (ডেটা অ্যানালাইসিস)…এসব নিয়ে প্রচুর পড়তে হবে।

আমি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে ভীষণ আশাবাদী। নিশ্চয়ই আমাদের ছেলেমেয়েরা আগামী দিনের প্রযুক্তির দিকনির্দেশনায় একটা বড় ভূমিকা রাখবে। (অনুলিখিত)

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক ২০০২ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক করেছেন। কম্পিউটার প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর জার্মানির আকেন টেকনোলজি ইউনিভার্সিটিতে এবং পিএইচডি করেছেন কার্লসরুয়ে ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে। গবেষণার জন্য থমাস আলভা এডিসন পেটেন্ট অ্যাওয়ার্ড, আই ট্রিপলই সিইডিএ আর্লি ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ডসহ বহু পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া আরভাইনের সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেমস ল্যাবের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন এই বাংলাদেশি গবেষক। সম্প্রতি তিনি দেশে এসেছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক সম্পর্কে বিস্তারিত: aicps.eng.uci.edu

ইন্টারনেটে ডোমেইন সংখ্যা কত?

Internet domain name numbers

ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ডোমেইন নামের নিবন্ধন সংখ্যা বেড়ে ৩৩ কোটি ১৯ লাখে দাঁড়িয়েছে। ২০১৭ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক অর্থাৎ, এপ্রিল থেকে জুন এ তিন মাসে প্রায় ১৩ লাখ ডোমেইন নাম নিবন্ধন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ইন্টারনেট নিরাপত্তা ও ডোমেইন নামের অন্যতম নিয়ন্ত্রক সংস্থা ভেরিসাইন এ তথ্য প্রকাশ করেছে। 

ভেরিসাইনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে ডোমেইন নাম নিবন্ধনের হার দশমিক চার শতাংশ বাড়তে দেখা গেছে। এক বছরের হিসেবে এই বৃদ্ধির হার গিয়ে দুই দশমিক এক শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

২০১৭ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে ডোমেইন নামের ক্ষেত্রে ডটকম ও ডটনেট মিলিয়ে টপ-লেভেল ডোমেইনসের (টিএলডিএস) সংখ্যা ১৪ কোটি ৪৩ লাখে দাঁড়িয়েছে। গত এক বছরে এই দুই ডোমেইন নিবন্ধন হার দশমিক আট শতাংশ বেড়েছে। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ধরলে ডটকম ডোমেইন নিবন্ধন ১২ কোটি ৯২ লাখ ছাড়িয়েছে। এ বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ডটকম ও ডটনেট ডোমেইন নিবন্ধ হয়েছে ৯২ লাখ যা ২০১৬ সালের এপ্রিল থেকে জুন এ তিন মাসে ছিল ৮৬ লাখ।

তথ্যসূত্র: আইএএনএস।

স্মার্টফোন ব্যবহারে যা জানা দরকার

smartphone 3

স্মার্টফোন এখন সবার হাতে হাতে। অস্বীকার করার উপায় নেই যে আমাদের জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ন একটি অংশ হয়ে উঠেছে এই স্মার্টফোন। আর এই স্মার্টফোন ব্যবহার করতে গিয়ে প্রত্যেকেই কম বেশি সমস্যার মুখোমুখি হন। সচারচর হয়ে থাকে এমন কিছু সমস্যা থেকে দূরে রাখতে আমাদের যা করা উচিৎ:

– অনেকেই এক টানা ফোন ব্যবহার করি। কোন রকম রিস্টার্ট বা শাটডাউন দেইনা ফোন কেনার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও। এতে অনেক অপ্রয়োজনীয় ডাটা বা ক্যাশ জমা হতে থাকে। ফোন এক্সপার্টরা বলছেন, সপ্তাহে অন্তত একদিন ফোন শাট ডাউন অথবা রিবুট করা উচিত। এতে ফোনের ক্যাশ ক্লিয়ার হয়।

– মোবাইল ফোনের শত্রু পানি। বিষয়টি সবারই জানা। অনেকেই তাড়াহুড়া করে ভেজা হাতেই মোবাইল ফোন ধরি। কল রিসিভ করার চেস্টা করি। এটি মোটেও করা উচিৎ নয়। বিশেষ করে ফোনের হোম বাটনে কখনই ভেজা হাত লাগানো উচিৎ না।

– ভাইরাস মুক্ত না থাকলে ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে নানান ধরণের ঝুঁকিতে, বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আমাদেরকে। কোন কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে ফোন সংযুক্ত করার আগে সতর্ক থাকা উচিৎ তাতে এন্টিভাইরাস আছে কিনা।

– অনেকেই বদঅভ্যাস বশত ফোন চার্জে দিয়ে ঘুমিয়ে যাই। এই বদঅভ্যাস টেনে আনতে পারে অহেতুক দুর্ঘটনা। আর ফুলচার্জ হওয়ার পরও চার্জ দেয়া থাকলে তা ফোন ব্যাটারির জন্যও ক্ষতিকর। অবশ্য অনেক ফোনেই ব্যাটারি ফুল চার্জ হয়ে গেল অ্যাডাপ্টার থেকে স্বয়ক্রিয়ভাবে রিচার্জ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।

-হুটহাট কোন সফটওয়্যার আপডেট বা ইনস্টল করার আগে জেনে নেয়া উচিৎ সেগুলো নিরাপদ কিনা। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থার্ড পার্টির অ্যাপস ইনস্টল করার ব্যপারে সতর্ক থাকাটা জরুরি।

-ধুলাবালি, ময়লা থেকে দূরে রাখুন আপনার প্রিয় স্মার্টফোনকে। মোবাইলের কভার, স্ক্রিন প্রটেক্টর, গ্লাস প্রটেক্টর ভালমানের ব্যবহার করাই উত্তম। ধুলাবালি, ময়লা থেকে দূরে রাখুন আপনার প্রিয় স্মার্টফোনকে।

কয়েকটি স্মার্টফোনের তুলনামূলক চিত্র

smartphones review

QR কোড তৈরী

QR code generation