আর্কাইভ

Archive for the ‘খাদ্য’ Category

যে সব খাবার এক সঙ্গে খাওয়া ক্ষতিকর

সবাই মনে করেন প্রচুর ফল ও সবজি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। বয়স্কদের মতো শিশুদের জন্যেও ফল ও সবজি খাওয়া খুব জরুরি। তবে মনে রাখতে হবে কিছু খাবারের সঙ্গে ফল বা সবজি খাওয়া উল্টো শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর হতে পারে।

বিভিন্ন ধরনের ফল বা সবজি এক সঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। বড়রা যেমন এক্ষেত্রে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যায় পড়তে পারেন, তেমনি শিশুরা পড়তে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। কিছু ফল বা সবজি অন্য খাবারের সঙ্গে খাওয়া একেবারেই খাওয়া উচিত না। তেমন কিছু খাবার এবার জেনে নিন।

কমলা ও গাজর : কমলার সঙ্গে গাজর মিশিয়ে খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ এই ফল ও সবজির কম্বিনেশন অ্যাসিডিটি যেমন তৈরি করে, তেমনি কিডনিকে নষ্ট করে দিতে পারে।

পেঁপে ও লেবু : এক সঙ্গে পেঁপে ও লেবু খাবেন না। এতে অ্যানিমিয়া তৈরি হওয়া ও  রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। বিশেষ করে এই ডেডলি কম্বিনেশন শিশুদের জন্য খুব ক্ষতিকর। তাই সতর্ক থাকুন।

কমলা ও দুধ : দুধের সঙ্গে কমলার জুস মিশিয়ে পান করা ক্ষতিকর। এতে হজমের সমস্যা সহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কমলায় থাকা অ্যাসিড দুধের এনজাইম নষ্ট করে দেয়, যা হজমের জন্য জরুরি।

পেয়ারা ও কলা : একসঙ্গে পেয়ারা ও কলা খেলে অ্যাসিড হওয়া, বমি ভাব হওয়া, পেটে গ্যাস হওয়া ও স্থায়ী মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।

সবজি ও ফল : একসঙ্গে ফল ও সবজি মিশিয়ে খাওয়া কখনো উচিত না। কারণ ফলে সুগারের উপাদান থাকে যা হজম হতে সময় নেয়। তাই ফল ও সবজির মিশ্রণ শরীরে টক্সিন তৈরি করতে পারে। এতে আপনার ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, পেটে ইনফেকশন ও পাকস্থলীতে ব্যথা হতে পারে।

আনারস ও দুধ : এই কম্বিনেশনটা খুব ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ আনারসে থাকা ব্রোমেলেইন দুধের সঙ্গে মিশে বিষাক্ত হয়ে উঠে। এর ফলে পেটে গ্যাস, বমি ভাব, পেটে  ইনফেকশন, মাথাব্যথা ও পাকস্থলীতে ব্যথার মতো অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কলা ও পুডিং : একসঙ্গে কলা ও পুডিং খাওয়া ঠিক না। কারণ তা হজম করা কঠিন হয়ে উঠে আর শরীরে টক্সিন তৈরি করে। এই কম্বিনেশন শিশুদের জন্য খুব ক্ষতিকর।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

Advertisements

হৃদরোগ এড়াতে ডাঃ দেবি শেঠির পরামর্শ

দেবি শেঠি ভারতের বিখ্যাত চিকিৎসক। বলা হয়, বিশ্বের সেরা ১০ জন সার্জনের একজন তিনি। বাংলাদেশেও তিনি বেশ পরিচিত।

ভারতের কর্নাটক রাজ্যের ব্যাঙ্গালোর থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে শেঠির নারায়ণা হৃদয়ালয় হাসপাতালটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান হাসপাতাল।

প্রশ্ন: হৃদরোগ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নয় এমন মানুষেরা কিভাবে হৃদযন্ত্রের যত্ন নিতে পারে?

দেবি শেঠি:

১. খাবারের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। শর্করা এবং চর্বিজাত খাবার কম খেতে হবে। আর আমিষের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে।

২. সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন আধা ঘণ্টা করে হাঁটতে হবে। লিফটে চড়া এড়াতে হবে। একটানা বেশি সময় বসে থাকা যাবে না।

৩. ধূমপান ত্যাগ করতে হবে।

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

৫. রক্তচাপ এবং সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে

প্রশ্ন: শাক জাতীয় নয়, এমন খাবার (যেমন মাছ) খাওয়া কি হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী?

দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: মাঝে মাঝে শোনা যায় – সুস্থ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছে যা খুবই দুঃখজনক। এ বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখেন?

দেবি শেঠি: এটাকে বলে নীরব আক্রমণ। এজন্যই ত্রিশোর্ধ্ব সকলের উচিত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা।

প্রশ্ন: মানুষ কি উত্তরাধিকারসূত্রে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে?

দেবি শেঠি: হ্যাঁ।

প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ পড়ে কেন? এর থেকে উত্তরণের উপায় কি?

দেবি শেঠি: জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে হবে। জীবনে সব কিছু নিখুঁত হবে এমন ভাবার কোনো কারণ নেই।

প্রশ্ন: জগিং করার চেয়ে কি হাঁটা ভালো? নাকি হৃদযন্ত্রের যত্ন নেয়ার জন্য আরো কঠিন ব্যায়াম জরুরি?

দেবি শেঠি: হ্যাঁ, জগিং করার চেয়ে হাঁটা ভালো। জগিং করলে মানুষ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায় এবং জয়েন্টে ব্যথা হয়।

প্রশ্ন: দরিদ্র এবং অভাবগ্রস্তদের জন্য আপনি অনেক কিছু করেছেন। এসবের পেছনে অনুপ্রেরণা কি ছিল?

দেবি শেঠি: মাদার তেরেসা। তিনি আমার রোগী ছিলেন।

প্রশ্ন: নিম্ন রক্তচাপে যারা ভোগেন, তারা কি হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে?

দেবি শেঠি: সেটা হবে খুবই বিরল।

প্রশ্ন: কোলেস্টেরলের মাত্রা কি অল্প বয়স থেকেই বাড়তে থাকে? নাকি ত্রিশের পর এ বিষয়ে চিন্তিত হওয়া উচিত?

দেবি শেঠি: না, কোলেস্টেরলের মাত্রা ছোটবেলা থেকেই ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।

প্রশ্ন: অনিয়মিত খাদ্যাভাস কিভাবে হৃদযন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলে?

দেবি শেঠি: অনিয়মিত খাদ্যাভাস মানুষকে জাঙ্ক ফুডের দিকে ঠেলে দেয়। আর তখনই হজমের জন্য ব্যবহৃত এনজাইমগুলো দ্বিধায় পড়ে যায়।

প্রশ্ন: ওষুধ ছাড়া কিভাবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা যায়?

দেবি শেঠি: নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, হাঁটাহাঁটি এবং আখরোট খাওয়ার মাধ্যমে।

প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রের জন্য সবচেয়ে ভালো এবং সবচেয়ে খারাপ খাবার কোনটি?

দেবি শেঠি: ফল এবং সবজি সবচেয়ে ভাল খাবার। আর সবচেয়ে খারাপ তৈলাক্ত খাবার।

প্রশ্ন: কোন তেল ভালো? সূর্যমুখী নাকি জলপাই?

দেবি শেঠি: যেকোনো তেলই খারাপ।

প্রশ্ন: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কি নির্দিষ্ট কোনো পরীক্ষা আছে?

দেবি শেঠি: নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সুগার এবং কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। তাছাড়া রক্তচাপ পরিমাপও জরুরি।

প্রশ্ন: হার্ট অ্যাটাক হলে প্রাথমিকভাবে কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে?

দেবি শেঠি: রোগীকে প্রথমে শুইয়ে দিতে হবে। এরপর জিহ্বার নিচে একটি এ্যাসপিরিন ট্যাবলেট রাখতে হবে। যদি পাওয়া যায় তবে এ্যাসপিরিনের পাশাপাশি একটি সরবিট্রেট ট্যাবলেটও রাখতে হবে। এরপর দ্রুত হাসপাতালে নেবার ব্যবস্থা করতে হবে। কেননা প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়।

প্রশ্ন: হৃদরোগজনিত ব্যথা এবং গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার মধ্যে পার্থক্য করা যায় কিভাবে?

দেবি শেঠি: ইসিজি ছাড়া এটা সত্যিই খুব কঠিন।

প্রশ্ন: যুবকদের মধ্যে হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যার আধিক্যের কারণ কি?

দেবি শেঠি: এক টানা দীর্ঘ সময় বসে থাকা, ধূমপান এবং জাঙ্ক ফুড। তাছাড়া ব্যায়াম না করাও একটি প্রধান কারণ। কিছু কিছু দেশের মানুষের জেনেটিক কারণেই ইউরোপিয়ান এবং আমেরিকানদের চেয়ে তিন গুণ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

প্রশ্ন: রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা (১২০/৮০) না থাকলেও কি কেউ পুরোপুরি সুস্থ থাকতে পারে?

দেবি শেঠি: হ্যাঁ।

প্রশ্ন: নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে করলে সন্তানের হৃদরোগ হতে পারে- এটা কি সত্য?

দেবি শেঠি: হ্যাঁ। নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে জন্মগত অস্বাভাবিকতার দিকে ঠেলে দেয়।

প্রশ্ন: বেশির ভাগ মানুষ অনিয়ন্ত্রিত রুটিন অনুসরণ করে। মাঝে মাঝে মানুষকে অনেক রাত পর্যন্ত অফিসে থাকতে হয়। এতে কি হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হয়? যদি হয় তবে এক্ষেত্রে কি পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে?

দেবি শেঠি: তরুণ বয়সে প্রকৃতি মানুষকে এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে এসব বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

প্রশ্ন: অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ ওষুধ গ্রহণ করলে অন্য কোন জটিলতা তৈরি হয়?

দেবি শেঠি: হ্যাঁ, বেশির ভাগ ওষুধেরই কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে। কিন্তু আধুনিক অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ ওষুধগুলো অনেক নিরাপদ।

প্রশ্ন: অতিরিক্ত চা বা কফি খেলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে?

দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: অ্যাজমা রোগীদের কি হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি?

দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: জাঙ্ক ফুডকে কিভাবে সংজ্ঞায়িত করবেন?

দেবি শেঠি: যে কোনো ধরনের ফ্রাইড ফুড যেমন কেন্টাকি, ম্যাকডোনাল্ডস, সমুচা। এমনকি মাসালা দোসাও জাঙ্ক ফুড।

প্রশ্ন: আপনার মতে ভারতীয়দের হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা তিন গুণ বেশি। এর কারণ কি?

দেবি শেঠি: পৃথিবীর প্রতিটি জাতিরই কিছু নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দুঃখজনক হলেও সত্য, জাতি হিসেবে ভারতীয়দের সবচেয়ে ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি।

প্রশ্ন: কলা খেলে উচ্চ রক্তচাপ কমে?

দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: হার্ট অ্যাটাক হলে কেউ কি নিজে নিজে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে পারে?

দেবি শেঠি: অবশ্যই। তাকে প্রথমেই শুতে হবে এবং একটি এ্যাসপিরিন ট্যাবলেট জিহবার নিচে রাখতে হবে। এরপর দ্রুত আশপাশের কাউকে বলতে হবে যেন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমি মনে করি অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অপেক্ষা করা ঠিক নয়। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অ্যাম্বুলেন্স যথাসময়ে হাজির হয় না।

প্রশ্ন: রক্তে শ্বেতকণিকা এবং হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে কি হৃদরোগ হতে পারে?

দেবি শেঠি: না। কিন্তু নিয়মিত ব্যায়াম করার জন্য হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকা জরুরি।

প্রশ্ন: আমাদের ব্যস্ত জীবনযাত্রার কারণে অনেক সময় ব্যায়াম করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে ঘরের স্বাভাবিক কাজের সময় হাঁটাহাঁটি করা অথবা সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করা কি ব্যায়ামের বিকল্প হতে পারে?

দেবি শেঠি: অবশ্যই। একটানা আধা ঘণ্টার বেশি বসে থাকার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। এমনকি এক চেয়ার থেকে উঠে অন্য চেয়ারে যেয়ে বসাও শরীরের জন্য অনেকটা সহায়ক।

প্রশ্ন: হৃদরোগ এবং রক্তে সুগারের পরিমাণের সাথে কি কোনো সম্পর্ক আছে?

দেবি শেঠি: বেশ গভীর সম্পর্ক আছে। ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেক।

প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচারের পর কি কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে?

দেবি শেঠি: পরিমিত খাদ্যাভাস, ব্যায়াম, নিয়মিত ওষুধ খাওয়া, কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। পাশাপাশি রক্তচাপ এবং ওজনও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

প্রশ্ন: যারা রাতের শিফটে কাজ করেন তাদের কি হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি?

দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: আধুনিক অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ ওষুধ কোনগুলো?

দেবি শেঠি: অনেক ওষুধই আছে। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া জরুরি। তবে আমার পরামর্শ হলো, ওষুধ এড়িয়ে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা। আর সেজন্য নিয়মিত হাঁটা, ওজন কমে এমন খাবার খাওয়া এবং জীবনযাত্রার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি।

প্রশ্ন: ডিসপিরিন বা এই ধরনের মাথাব্যথা উপশমকারী ট্যাবলেট কি হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ায়?

দেবি শেঠি: না।

প্রশ্ন: মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা কেন হৃদরোগে বেশি আক্রান্ত হয়?

দেবি শেঠি: প্রকৃতি মেয়েদেরকে ৪৫ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেয়।

প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখার উপায় কি?

দেবি শেঠি: স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। জাঙ্ক ফুড ও ধূমপান পরিহার করতে হবে। প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে। আর বয়স ত্রিশ পার হলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। অন্তত প্রতি ছয় মাসে একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতেই হবে।

তথ্য সূত্র : ফেসবুক

ইয়েমেনে জীবন বাঁচে ডাস্টবিনের খাবার খেয়ে

yemen-13যুদ্ধের কারণে ইয়েমেনের ২০ লক্ষেরও বেশি মানুষ গৃহহীন। মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাদের। অনেকেরই সম্বল এখন ডাস্টবিনের খাবার। তেমনই এক পরিবারকে নিয়ে আজকের আয়োজন।

ইয়েমেনের রুজাইক পরিবার প্রাণ ভয়ে নিজেদের ঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে লোহিত সাগরের তীরের হোদেইয়া বন্দরের কাছের একটি জায়গায়। আপাতত প্রাণ বাঁচাতে পারলেরও প্রায়ই সবার ভাগ্যে খাবার জোটে না।

২০১৫ সাল থেকে যুদ্ধ চলছে ইয়েমেনে। তবে হুতি বিদ্রোহীদের উৎখাত করে প্রেসিডেন্ট হাদিকে ক্ষমতায় ফেরাতে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী হামলা শুরু করার পর থেকে পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে। ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত। যাঁরা বেঁচে আছেন তাদের অনেকেরই রুজি-রোজগার বন্ধ। অনেকেই প্রথমে রাস্তাঘাট থেকে প্লাস্টিকের বোতল বা ধাতব ক্যান বিক্রি করে সামান্য কিছু আয় করত। সে পথও ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে।

আগে প্রতি কেজি প্লাস্টিকের বোতল বা ধাতব ক্যান ৫০ ইয়েমেনি রিয়ালে বিক্রি করা যেত। এখন আর সেই দাম পাওয়া যায় না। কোনো দোকানেই এখন আর প্রতি কেজি প্লাস্টিক বা ধাতব বস্তু ১০ রিয়ালের বেশি দামে বিক্রি করা যায় না। ঘরে খাবার নেই, টাকাও নেই। তাহলে উপায়? উপায় একটা বের করেছে রুজাইক পরিবার। আগে বোতল আর ক্যান কুড়াতো ডাস্টবিন থেকে। এখন তারা খাবারও কুড়ায়। হ্যাঁ, অনেকদিন ডাস্টবিন থেকে কুড়ানো খাবারেই কোনোরকমে ক্ষুধা মেটায় রুজাইক পরিবার।

কী পায় ডাস্টবিনে?

১১ বছর বয়সি আয়ুব মোহাম্মেদ রুজাইক বললো, ‘‘অন্যরা যা ফেলে দেয়, সেই খাবার কুড়িয়েই আমরা খাই, পান করি। আমরা মাছ, মাংস, আলু, পেঁয়াজ, ময়দা ইত্যাদি কুড়িয়ে নিয়ে রান্না করে খাই।’’ রুজাইক পরিবারের প্রধান মোহাম্মেদ রুজায়েক বললেন, ‘‘এই দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতে আমরা চাই তারা যুদ্ধটা বন্ধ করুক। সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে একটাই প্রার্থনা যুদ্ধ বন্ধ হোক।’’

ডি ডব্লিউ : ১ মার্চ

চা: একটি শব্দের ইতিবৃত্ত

মাহমুদ ফেরদৌস : কিছু ছোটখাটো ব্যতিক্রম বাদে,পৃথিবীর সকল ভাষায় চা-কে বোঝানোর জন্য দু’টি শব্দ (বা কাছাকাছি ধাঁচের শব্দ) ব্যবহার করা হয়। একটি হলো ইংরেজিতে যেটা পরিচিত,অর্থাৎ ‘টি’ দিয়ে। যেমন,স্প্যানিশ ভাষায় চাকে বলা হয় ‘টে’ আর আফ্রিকান্সে বলা হয় ‘টী’। আরেকটি শব্দ হলো ‘চা’। যেমন,বাংলাতে বলা হয় ‘চা’ আর হিন্দিতে ‘চায়ে’।

‘টি’ ও ‘চা’ দু’টিই কিন্তু চীনা শব্দ। এই শব্দ দু’টি পৃথিবীতে কীভাবে ছড়িয়েছে তার দিকে খেয়াল করলে বোঝা সম্ভব যে,‘বিশ্বায়ন’ শব্দটি কেউ ব্যবহারের আগে পৃথিবীতে বিশ্বায়ন কীভাবে ঘটেছিল। ‘চা’ শব্দটি মূলত ছড়িয়েছে প্রাচীন সিল্ক রোডের ভূমি পথে। অপরদিকে ‘টি’ শব্দটি ছড়িয়েছে সমুদ্র বা পানি পথে। চাকে ‘টি’ হিসেবে পরিচিত করার পেছনে ওলন্দাজ (ডাচ) বণিকদের বড় ভূমিকা ছিল। তারাই সুদূর চীন থেকে চা নিয়ে যান ইউরোপে।

‘চা’ শব্দটি চীনা ভাষার বহু সংস্করণেই ব্যবহৃত হয়। চীন থেকে চা যখন সড়ক পথে মধ্য এশিয়ায় ঢুকে পড়ে, তখন একে ‘চা’ই বলা হতো। ফার্সি ভাষায় এটি হয়ে যায় ‘চায়’। এটি নিশ্চিতভাবেই সিল্ক বাণিজ্য পথের বদৌলতে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, সিল্ক রোডে ২০০০ বছর আগেও চা নিয়ে বাণিজ্য হতো।

ধীরে ধীরে পারস্য ছাড়িয়ে ‘চা’ শব্দটি পৌঁছে যায় অন্যত্র। হিন্দির মতো উর্দু আর রাশিয়ান ভাষায়ও এটি হয়ে উঠে ‘চায়ে,’ আরবিতে হয়ে যায় ‘সায়ে’। এমনকি সাব-সাহারান আফ্রিকান দেশগুলোতে চা ছড়িয়ে পড়ে। সাহিলি ভাষায় একে ‘চাই’ বলা হতে থাকে। জাপান ও কোরিয়ান ভাষায়ও চাকে সেই ‘চা’-ই বলা হয়। তবে পারস্য হয়ে অন্যত্র ‘চা’ শব্দটি ছড়িয়ে পড়ারও অনেক আগে থেকেই কোরিয়া ও জাপানে ‘চা’ শব্দটি ব্যবহৃত হতো।

এতক্ষণ তো ‘চা’র উপাখ্যান বলা হলো। কিন্তু চাকে ‘টি’ বলা হয় কেন? চীনা ভাষায় চা-কে একই বর্ণ দিয়েই লেখা হয়। কিন্তু এই ভাষার কিছু সংস্করণে ওই বর্ণকে বা অক্ষরকে উচ্চারণ করা হয় ভিন্নভাবে। এই কারণে একই শব্দকে বেশিরভাগ সংস্করণে ‘চা’ হিসেবে উচ্চারণ করা হলেও,কিছু সংস্করণে ‘টে’ বলা হতো। বর্তমান যুগের মান্দারিন (চীনা) ভাষায় একে ‘চা’ বলা হয়। তবে ভাষাটির ‘মিন নান’ সংস্করণে,যেটি চীনের উপকূলীয় ফুজিয়ান প্রদেশের মানুষ ব্যবহার করে, সেখানে চা-কে বলা হয় ‘টে’।

স্বাভাবিকভাবেই, সাগর তীরবর্তী উপকূলীয় অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্য সমুদ্রপথে হতো। আর উপকূলীয় অঞ্চলের চীনা ভাষায় ‘টে’ শব্দটি ব্যবহার হওয়ায়,সমুদ্রপথের বণিকরা চাকে ‘টে’ হিসেবেই বর্ণনা করা শুরু করলেন। গোলন্দাজ বণিকরা তখন সমুদ্রপথেই চীনের সঙ্গে বাণিজ্য করতেন। ফলে তাদের বদৌলতে ওই উপকূলীয় শব্দটি অর্থাৎ ‘টি’ পরিচিত হয়ে উঠে ইউরোপে। এটি সপ্তদশ শতকের কথা। ওয়ার্ল্ড আটলাস অব ল্যাঙ্গুয়েজ স্ট্রাকচার বইয়ে এটির বিস্তারিত বর্ণনা আছে।

এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য তখন গোলন্দাজরাই করতো। পূর্ব এশিয়ায় গোলন্দাজদের প্রধান বন্দর ছিল ফুজিয়ান ও তাইওয়ান। এই দুই উপকূলীয় প্রদেশের চীনারা চাকে ‘টে’ হিসেবে উচ্চারণ করতো। আর তাই গোলন্দাজরা যখন ব্যপক হারে চা নিয়ে গেল ইউরোপে,তখন ফরাসি ভাষায় এটি হয়ে উঠে ‘টেঁ’, জার্মান ভাষায় ‘টী’ আর ইংরেজিতে ‘টি’।

আবার এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বেশি ব্যবসা ওলন্দাজরা করলেও সবার আগে ব্যবসাটা শুরু করে কিন্তু পর্তুগিজরা। তাইওয়ান যখন ইউরোপের উপনিবেশ ছিল তখন দেশটির নাম ছিল ফরমোসা। এই নাম কিন্তু পর্তুগিজদের দেওয়া। পর্তুগিজ বণিকরা আবার ওলন্দাজদের মতো ফুজিয়ান দিয়ে বাণিজ্য করতো না। তারা ব্যবহার করতো ম্যাকাও। আর ম্যাকাওয়ে চা-কে ‘চাঁ’ বলা হতো। তাই ইউরোপে শুধু পর্তুগিজ ভাষাতেই চাকে ‘চা’ বলা হয়। অর্থাৎ যেসব অঞ্চলে চা সমুদ্রপথে পৌঁছালো,সেসব দেশে একে বলা হয় ‘টে’। শুধু পর্তুগিজ ব্যতিক্রম। আর যেসব দেশে সড়ক পথে বা সিল্ক রোডে ছড়িয়েছে চা,সেখানে একে ‘চা’-ই বলা হয়।

পৃথিবীতে খুল অল্প ভাষাই আছে যেখানে চা-কে ‘চা’ অথবা ‘টি’ বা এদের কাছাকাছি কিছু বলা হয় না। এসব ভাষাগুলো এমন সব অঞ্চলের ভাষা যেখানে চা প্রাকৃতিকভাবেই জন্মাতো। এ কারণে স্থানীয়রা নিজেরাই এই উদ্ভিদের নিজেদের মতো করে নাম দিয়েছিল। যেমন, বার্মিজ ভাষায় চা পাতাকে বলা হয় ‘লাকফাক’।

(কোয়ার্টজ অবলম্বনে)

এবার ‘সাদা চা’ !

white tea

চীনা বাদাম খেয়ে কেন পানি খেতে নেই?

china nutsবাদাম খেয়ে পানি খেতে নেই। ছোটবেলা থেকে এই কথাটা শুনে বড় হয়েছি আমরা। বিশেষ করে চীনা বাদাম। কেন বাদাম খাওয়ার পর পানি খেতে বারণ করা হয় সে বিষয়ে যদিও স্পষ্ট ধারণা নেই আমাদের। কী হয় বাদাম খাওয়ার পর পানি খেলে?

চিকিৎসকরা বলেন, চীনা বাদাম শরীর গরম করে। তাই সাধারণত শীতকালেই চীনা বাদাম বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। বাদাম খেলে শরীরে যে তাপ উৎপন্ন হয় পানি তা ঠান্ডা করে দেয়। বাদাম খেতে খেতে পানি খেলে তাই সর্দি-গর্মি লেগে যেতে পারে। আবার বাদামে যেহেতু তেল থাকে তাই তারপর পানি খেলে খাদ্যনালীতে ফ্যাট জমা হয়। ফলে কাশি হয়। বাচ্চারা বাদাম খাওয়ার পর পানি খেলে হজমে সমস্যা হয়। আবার অনেক সময় বাদামে অ্যালার্জির কারণে গলায় চুলকানির সমস্যাও হতে পারে। তখন পানি খেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ দিকে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যদি পানি খেতেই হয় তা হলে অন্তত ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে তবে পানি খান।

চিকেনেও মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি!

প্রতিদিনের খাবার তালিকা, বিয়ে, বনভোজনসহ নানা অনুষ্ঠান ও আয়োজনে চিকেন বা মুরগির উপস্থিতি খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। কিন্তু এই চিকেন কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত, নাকি এতে রয়েছে কোনও ক্ষতিকর স্বাস্থ্য ঝুঁকি। সম্প্রতি চিকেন বা মুরগীর মাংস নিয়ে তৈরি একটি প্রতিবেদনে উঠে এল মারাত্মক কিছু ঝুঁকির তথ্য।

ভারতের The Bureau of Investigative Journalism এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে- ‘কলিসটিন’ নামের একটি অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ মুরগির খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য ব্যবহার হওয়ার কথা থাকলেও তা এখন ব্যবহৃত হচ্ছে মুরগির খাবার হিসেবে।কারণ কলিসটিন অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেয়ে মুরগি সুস্থ থাকে, ওজন বাড়ে তাড়াতাড়ি। তাই অল্প সময়ে অধিক মুনাফা লাভের আশায় এমন পন্থা অবলম্বন করছে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী।

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের মতে কলিসটিন একটি শক্তিশালি অ্যান্টিবায়োটিক। কলিসটিন ওষুধ শরীরে গেলে তা যে কোন ড্রাগ প্রতিরোধের কাজ করে। অর্থাৎ কলিসটিন ওষুধ শরীরে গেলে আর কোন ওষুধই আপনার শরীরে কাজ করবে না। এই কলিসটিন ওষুধটাই ড্রাগ প্রতিরোধকের কাজ করবে।

ভারতের হায়দরাবাদের রঙ্গারেড্ডি জেলার বেশ কয়েকটি পোল্ট্রি ফার্মে অভিযান চালিয়ে দেখা গেছে চিকেনদের কলিসটিন ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে। যে ওষুধ মরণাপন্ন রোগীদের শেষ আশা বলে খাওয়ানো হয়।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন জানিয়েছে কলিসটিন ওষুধ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। WHO এর পক্ষ থেকে এই কলিসটিন ওষুধ মানুষ ছাড়া কোন প্রাণীকে খাওয়ানোর ব্যপারে নিষেধাজ্ঞা আছে। আর আইন ভেঙে সেই গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ খাওয়ান হচ্ছে মুরগীকে।

চিকেনের মাধ্যমে এই ওষুধ মানুষের শরীরে গেলে শরীরের মধ্যে ড্রাগ প্রতিরোধক ব্যাকটেরিয়া তৈরি হবে। তারপর, আর কোন অ্যান্টি-বায়োটিক ওষুধেই কোন কাজ হবে না। ফলে ওষুধ খেয়ে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাই হারিয়ে যাবে মানুষের। ভয়ংকর এক বিপদের সামনে উপস্থিত মানুষ।

রিপোর্ট বলছে, আমেরিকা থেকে হাজার হাজার টন কলিসটিন ওষুধ ভিয়েতনাম, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়াতে পাঠানো হয়। ২০১৬ সালে কয়েক লক্ষ টন কলিসটিন ওষুধ এসেছে ভারতে। তার পুরোটাই ব্যবহার করা হচ্ছে পশু পাখীদের শরীরে। ভারতের বেশ কিছু কোম্পানী প্রকাশ্যে বিজ্ঞাপণও করে কলিসটিন ওষুধের। যেটা অত্যন্তঃ বিপদজনক্

ভারতে কয়েকটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিও এই কলিসটিন ড্রাগ উৎপাদন করে। কিন্তু ভারত প্রায় ১৫০ টন এই ওষুধ বাইরের দেশ থেকে নিয়ে আসে বলেই রিপোর্টে দাবি করা হয়। ২০১৬ তে এই আমদানির পরিমাণ হাজার টন ছুঁয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ড্রাগ প্রতিরোধক ব্যাকটেরিয়া থেকে প্রতিবছর বিশ্বে ৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। ২০৫০ সালের মধ্যে সেই মৃত্যুর হার গিয়ে পৌঁছাবে প্রায় ১ কোটিতে। যার মধ্যে এশিয়া মহাদেশেই প্রায় ৫০ লাখ মৃত্যু হবে প্রতিবছর।

রিপোর্টে বলছে, কলিসটিন অ্যান্টিবায়োটিক শুধু মুরগীর নয়, ছড়িয়ে পরছে পোল্ট্রি ফার্মে কাজ করা মানুষের শরীরেও। চিকেন খাবারের মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে মানুষ শরীরে।

অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের মানুষ শরীরে প্রতিরোধক সৃষ্টি করা নিয়ে গবেষণা করা টিমোথি ওয়ালশ জানিয়েছেন, এই ওষুধ মরণাপন্ন রোগীদের শরীরে ব্যবহার করা হয়। এই ওষুধ কোনরকমেই মুরগীর বা অন্য কোন পশু-পাখির শরীরে ব্যবহার করা উচিত নয়।