প্রথম পাতা > জীবনযাপন, বাংলাদেশ, সমাজ > সে যে আমার নানা রঙের দিনগুলি…

সে যে আমার নানা রঙের দিনগুলি…

আমরা যারা 1995 সালের আগে জন্মেছি তারা বিশেষ ভাগ্যবান আজকের পৃথিবীতে..

কেন??

…..আমরা সমস্ত প্রযুক্তির ব্যবহার জানি এবং উপভোগ করি ……!!!

কিন্তু …..

আমরা কখনো জানোয়ারের মত বইয়ের পাহাড় মাথায় করে বিদ্যালয় যাই নি।

আমাদের মা বাবাকে কখনো আমাদের পড়াশোনার চিন্তায় নিজেদের জীবন ব্যতিব্যস্ত করতে হয় নি…!

স্কুলের পরেও সূর্যাস্ত পর্যন্ত বন্ধুদের সাথে চুটিয়ে খেলতাম প্রান খুলে…..

আমরা প্রাকৃতিক বন্ধুদের সাথে জীবন কাটাতাম,net friends দের সাথে নয়……।

যখনই তৃষ্ণার্ত থাকতাম মন খুলে কল থেকে জল খেতাম,জীবানুর ভয়ে pure it থেকে নয়..

তাও অসুস্থ হয়ে পড়ি নি।

আমরা ১ টাকার আইসক্রিম ৪ জন ভাগ করে খেয়েও পেট খারাপ করে বসি নি।

আমরা প্রতিদিন পেট ভরে ভাত আর প্রান খুলে মিষ্টি খেয়েও মোটা হয়ে পড়ি নি।

খালি পায়ে জমিতে ফুটবল খেলা সত্বেও পা ভেঙে ফেলিনি।

সুস্থ থাকার জন্য কখনো revital দরকার হয় নি।

খেলনা আমরা নিজেরাই বানিয়ে খেলতাম।

মা বাবার কাছে থেকেই মানুষ হয়েছি, mentor দরকার হয় নি ।

আমরা সব ভাই বোনেরা একরকম জামা কাপড় পরে মজা পেতাম ..common বলে নয়….

একরকম হওয়ার আনন্দে..

শরীর খারাপ হলে ডাক্তার আমাদের কাছে আসতো, আমরা ওই অবস্থায় যেতাম না।

আমাদের কাছে মোবাইল,DVD’s, Play station, Xboxes, PC, Internet, chatting ছিল না

কারন আমাদের কাছে সত্যিকারের বন্ধু আছে ।

বন্ধুকে না জানিয়ে তার ঘরে গিয়ে একসাথে খাওয়া দাওয়া করে মজা পেতাম । কখনো ফোন করে appointment নিতে হয় নি।

We are not special, but we are fortunate and enjoying generation

যখন আমরা ছোট ছিলাম

হাতগুলো জামার মধ্যে

ঢুকিয়ে নিয়ে বলতাম,

আমার হাত নেই,

একটা পেন ছিল,

যার চার রকম কালি,

আর আমরা তার চারটে

বোতাম একসাথে টেপার চেষ্টা করতাম,

দরজার পিছনে লুকিয়ে

থাকতাম কেউ এলে চমকে দেব বলে,

সে আসতে দেরি করছে

বলে অধৈর্য হয়ে বেরিয়ে আসতাম,

ভাবতাম আমি যেখানে যাচ্ছি,

চাঁদটা ও আমার সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে

সুইচের দুদিকে আঙুল চেপে অন্-অফ এর মাঝামাঝি ব্যালেন্স

করার চেষ্টা করতাম,

দু -ফোটা জল ফেলে

রেস করাতাম,

কোনটা গড়িয়ে আগে নীচে পড়ে,

বৃষ্টি হলে ছাতা না নিয়ে কচু বা কলাপাতা মাথায় দিয়ে বলতাম,

দ্যাখ জল গায়ে লাগছে না,

সে আসতে দেরি করছে

বলে অধৈর্য হয়ে বেরিয়ে আসতাম,

ভাবতাম আমি যেখানে যাচ্ছি,

চাঁদটা ও আমার সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে

সুইচের দুদিকে আঙুল চেপে অন্-অফ এর মাঝামাঝি ব্যালেন্স

করার চেষ্টা করতাম,

দু -ফোটা জল ফেলে

রেস করাতাম,

কোনটা গড়িয়ে আগে নীচে পড়ে,

বৃষ্টি হলে ছাতা না নিয়ে কচু বা কলাপাতা মাথায় দিয়ে বলতাম,

দ্যাখ জল গায়ে লাগছে না,

তখন আমাদের শুধু একটা জিনিসের খেয়াল রাখার দায়িত্ব ছিল,

সেটা হল স্কুলব্যাগ,

ফলের দানা খেয়ে ফেললে দুশ্চিন্তা করতাম,

পেটের মধ্যে এবার গাছ হবে,

ঘরের মধ্যে ছুটে যেতাম,তারপর কি দরকার ভুলে যেতাম,

ঘর থেকে বেরিয়ে আসার পর মনে পড়ত….

মনে আছে

যখন আমরা ছোট ছিলাম তখন ধৈর্য্য সহ্য হতনা যে কবে বড় হব,

আর এখন মনে করি, কেন যে বড় হলাম ❗

Childhood was the best part of our life.

আমি জানি তুমি এগুলো পড়ছো,

আর তোমার মুখে হাসি ফুটে উঠেছে,

ছোটবেলায় সবথেকে বেশিবার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নটার উত্তর আমি পেয়েছি অবশেষে…

-তুমি বড়ো হয়ে

কি হতে চাও

উত্তর-আবার ছোট হতে চাই৷

(সংগৃহীত)

Advertisements
  1. কোন মন্তব্য নেই এখনও
  1. No trackbacks yet.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: