প্রথম পাতা > অপরাধ, ইতিহাস, ইসলাম, ধর্মীয়, বাংলাদেশ, রাজনীতি > এক জামাত-শিবির কর্মীর মনোবেদনা ! আহা…

এক জামাত-শিবির কর্মীর মনোবেদনা ! আহা…

war-criminalsএকাত্তুরে আমরা ভুল করিনি” বলে গর্বোদ্ধত উচ্চারণকারী স্বাধীনতাবিরোধী নর্দমার কীট জামাতশিবিরের এক ছদ্মনামধারী কমরেড (আসল নাম দেবার সাহস নেই !) বিজয় দিবসে তাদের মানবতাবিরোধী নেতাদের কুশপুত্তলিকা ও ছবিতে জুতার মালা দিয়ে জনগণ ঘৃণা প্রকাশ করায় গাত্রদাহ শুরু হয়েছে ; আর তাই খিস্তিখেউড় করে মনের ঝাল মেটাবার চেষ্টা করেছে এই পাকিপন্থী নাদান ।

এই নর্দমার কীট পাবলিককে বিভ্রান্ত করার জন্য ইসলাম অবমাননার বাহানা তুলে আনার ব্যর্থ চেষ্টা করেছে ভাবখানা এমন যেন সে ছাড়া আর কেউ ইসলাম বোঝে না । “ইসলাম গেলো গেলো” রব তুলে এবং ভারতজুজু ভয় দেখিয়ে এই পাষন্ডগুলো একাত্তুরে পাকি হানাদার বাহিনীর সশস্ত্র সহযোগী হয়ে হত্যাগুমনির্যাতনধর্ষণে মেতে উঠেছিলো । বাঙালীর আত্মরক্ষার সংগ্রাম তাদের দৃষ্টিতে ছিলো দাঙাহাঙ্গামা । তাদের কাছে সেটা ছিলো জিহাদ” ; সুতরাং এদেশের নারীরা ছিলো তাদের জন্য গণিমতের মাল !

jamaat-misuses-islamস্বাধীনতা যুদ্ধে জামাতশিবিরের অপকর্ম তুলে ধরতে অনেক আগে থেকেই তাদের যুদ্ধাপরাধী নেতাদের বিভিন্ন সময়ে (শুধুমাত্র স্বাধীনতা দিবস বা বিজয় দিবসে নয়) পত্রিকার পাতায় বা প্রতিবাদ মিছিলে পাকিস্তানী ষ্টাইলের দাঁড়িটুপি ও পায়জামাপাঞ্জাবী পরিহিত করে তুলে ধরা হয়ে থাকে ; টুপিতে অনেক সময় পাকিস্তানী পতাকা অংকন করে দেয়া হয় বা হাতে/মাথায় পাকিস্তানী পতাকা সেঁটে দেয়া কার্টুন আঁকা হয় তাদের পাকিস্তানপ্রীতি বোঝাবার জন্য ; এগুলো নতুন কিছু নয় । এখানে মূর্তি বা কুশপুত্তলিকা বানানো বা দাঁড়িটুপির ব্যবহারের উদ্দেশ্য ইসলাম অবমাননা নয় বরং পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র এবং যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন। আল্লাহ মানুষের মনের খবর রাখেন । বুখারীর ১ং হাদীসে যেমন বলা হয়েছে, “অবশ্যই মানুষের কর্মের ফলাফল নিয়তের উপর নির্ভরশীল” । সুতরাং এখানে দাঁড়িটুপির ব্যবহার কোনক্রমেই ইসলাম অবমাননার কারণ হয়ে দাঁড়ায়নি । কিন্তু মতলববাজ এই নাদানের ঘিলুতে তা আসেনি । টুপিপাঞ্জাবী কবে থেকে সুন্নতি লেবাস হলো ? রাসুলুল্লাহ (রা) তো কোনদিন টুপিপাঞ্জাবী পড়েননি ! যুদ্ধাপরাধী কামারুজ্জামান সাধারণত যদি পাশ্চাত্য পোষাক পড়ে বাইরে যেতো তাহলে সুন্নতি লেবাসের প্রতি তার কতো দরদ ছিলো তা বোঝা যায় । না, আসলে এই নাদান মিথ্যাচার করে গেছে । কামারুজ্জামান সৌদী ষ্টাইলের আলখেল্লা (থোব বা দিসদাসা) পড়তো যা সুন্নতি পোষাক না !

সাহস নেই এই নর্দমার কীটের জনসমক্ষে এসে প্রতিবাদ করার ; তাই শুধু অনলাইনে রাগে ফোঁসফাঁস করা ; অন্যদের গালে থাপড়ানোর দুঃসাহস দেখানো । মুসলিমদের জন্য দরদ দেখানো । অথচ মওদূদীর এই নর্দমার কীটগুলো তো নিজেদের ছাড়া অন্যদের মুসলমান হিসেবেই গণ্য করে না ।

দাঁড়ি টুপি ও রাজাকার, ইসলামকে হেয় করার একটি চক্রান্ত

jamaat-war71বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস আসলেই ইসলামকে অপমানিত করার মহা সুযোগ পায় একটি চেতনাবাজ গোষ্ঠী। গতকালও তাঁর ব্যাতিক্রম হয়নি! প্রতিবারের মত এবারও ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসে দেশব্যাপী মনের স্বাদ মিটিয়ে দাঁড়ি টুপি আর পাঞ্জাবীকে জুতা দিয়ে সন্মানীত করলো চেতনাবাজেরা! মুসলিমদের বাপের ভাগ্য কোরআন শরীফ এনে এখানে যুক্ত করেনি!

প্রথম ছবিটায় মুর্তির সামনে ইসলামের লেবাসকে জুতার মালা দিয়ে সাজিয়ে রেখেছে! দেখে মনে হচ্ছে মুর্তির সামনে ইসলামকে পদদলিত করাই এদের মুল উদ্দেশ্য! এ যেন বিশেষ গোষ্ঠীর একটি মহা সুযোগের দিন। রাজাকারের ছুতো দিয়ে এমন বিশেষ কিছু দিনে তাঁরা ইসলামকে অপমানিত করার মহা সুযোগ হাতে পায়

পরের ছবি গুলো আপনাদের বহুল পরিচিত তথাকতিথ রাজাকার কমাণ্ডারের তিনটি ছবি। শুরুতে আছেন

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। ক্লিনশেভ করা একজন ব্যাক্তি। এই যদি রাজাকারের চেহারা হয়ে থাকে তাহলে রাজাকারের চরিত্র দিতে দাঁড়ি টুপি পাঞ্জাবী বাধ্যতামুলক হয়ে দাঁড়ায় কেন? চেতনাবাজদের এদিন জুতানোর একটি কর্মসুচী মুসলিমদের রাখা দরকার..

দ্বিতীয় ছবিটি নাকি আঃ কাদের মোল্লা। এই ছবি দেখিয়ে জামায়াতের এই নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মেনে নিলাম ইনিই কাদের মোল্লা! দেখুন ছবিটি কেমন! ক্লিনশেভ, ব্যাক ব্রাশ চুল, শার্টপ্যান্ট পরিহিত চোখে সানগ্রাস দিয়ে তিনি সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন নিয়াজির সাথে! কতিথ কসাই কাদের যদি এমন হয় তাহলে এখন রাজাকারের চিত্র আনতে বিশাল দাঁড়ি টুপি আনো কোন পাশ দিয়া!!! শিশুদের মনে দাঁড়ি টুপি পাঞ্জাবীকে খারাপ জিনিস হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করে দিতে চাও! এদিন সকাল বিকাল কানের নিচে থাপড়ানির কিছু কর্মসূচী রাখা জরুরী

তৃতীয় ছবিটি কামারুজ্জামান। চিরদিন তিনি পাশ্চাত্য ড্রেসে চলাফেরা করেছেন। কোর্ট টাই ছাড়া তিনি সাধারনত বাহিরে যেতেন না! এই যদি হয়ে থাকে রাজাকারের ছবি তাহলে তুমি দাঁড়ি টুপি দিয়ে রাজাকার বানাও কিভাবে? তল পেটের কিছুটা নিচে কিছু লাথির ব্যবস্থা করলে এমন ভুল সাধারনত হতোনা চেতনাবাজদের

স্বাধীনতা যুদ্ধ ইসলামের বিরুদ্ধে ছিল না। পাকিস্তানী শাসকদের বিরুদ্ধে ছিল। যুদ্ধ করে এদেশ স্বাধীন করেছে মুসলিমরা। আহত হয়েছে মুসলিমরা, পঙ্গু হয়েছে মুসলিমরা, যুদ্ধ করেছে মুসলিমরা! যুদ্ধে বীর শ্রেষ্ঠের সন্মান পেয়েছে শুধুই মুসলিমরা। আবার এখন অপমানিত করা হয় মুসলিমদের! কি আজিব এক পরিস্থিতি!!!

সুন্নতি লেবাসে জুতার মালা দিয়ে দেশব্যাপী মুর্তির সামনে যে আকাম গুলা করতেছেন এগুলো বন্ধ করুন। অনেক হইছে চেতনার চাষ! এইবার খ্যামা দিতে হইবেক জনাব!

কমরেড মাহমুদ

http://www.bdnatun.net/newsdetail/detail/34/267139

Advertisements
  1. কোন মন্তব্য নেই এখনও
  1. No trackbacks yet.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: