প্রথম পাতা > ইতিহাস, ইসলাম, ধর্মীয়, বাংলাদেশ, মিডিয়া, রাজনীতি, সংস্কৃতি, সমাজ, সাহিত্য > পাকিস্তান আমলে বাঙালী সাহিত্যিকদের ভূমিকা

পাকিস্তান আমলে বাঙালী সাহিত্যিকদের ভূমিকা

mediaপ্রচার মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সব কালের সব দেশের শাসকদের অভিন্ন নীতি। পাকিস্তান যুগে গণমাধ্যম বলতে ছিল সংবাদপত্র, রেডিও পাকিস্তান এবং একমাত্র টেলিভিশন মাধ্যম পাকিস্তান টেলিভিশন ঢাকা। ১৯৬৫র সেপ্টেম্বর যুদ্ধের পরে পাকিস্তান সরকারের দৃষ্টিতে পড়ে বেতারের ভূমিকা এবং কী করে তাকে পুরোপুরি সরকারি দলের নীতির বশবর্তী করা যায়। বিশেষ করে ভারতবিরোধী প্রচারণাকে আরও জোরদার কীভাবে করা সম্ভব তার উপায় খুঁজে বের করা। যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার মাসখানেক পরেই কেন্দ্রীয় তথ্য ও বেতারমন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দিন ঘোষণা করেন সরকার বর্তমান বাস্তবতায় একটি ‘নতুন বেতার নীতি’ প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, আকাশবাণী থেকেও পাকিস্তানবিরোধী প্রচারণা ব্যাপকভাবে চলছিল। সেগুলো বাংলাদেশের শ্রোতারা শুনতেন। তাতে সত্যমিথ্যা নানা বিষয় সম্প্রচারিত হতো।

১৯৬৫র অক্টোবরে শাহাবুদ্দিন তাঁর এক বক্তৃতায় বলেন, ‘রেডিও পাকিস্তানে ভারত হইতে প্রচারিত শত্রুতামূলক প্রচারণার পাল্টা কর্মসূচীর প্রচার অব্যাহত রাখা উচিত।’ সরকার অতি দ্রুত তার ‘নয়া বেতার নীতি’ ঘোষণা করেন। সেই বেতার নীতিতে অনেকগুলো নির্দেশনা ছিল। যেমন তার একটি এ রকম : ‘নাটকের অনুষ্ঠান আরও বৃদ্ধি করিতে হইবে এবং ফসল তোলার গান, জিপসি গান, মৌসুমি গান, মুসলিম দেশসমূহের সংগীত, মহান মুসলিম গীতিকারদের জীবনী ও সংগীত ও অন্যান্য আকর্ষণীয় সংগীতানুষ্ঠান প্রচার করিতে হইবে। নৈরাশ্যবাদী গজল এবং গান পরিহার করিয়া প্রাণবন্ত ও উদ্দীপনাময় সংগীত অথবা নাটকীয় আবৃত্তি হিসাবে তেজোদ্দীপ কবিতা পেশ করিতে হইবে। নজরুল, ইকবাল ও অন্যান্য জাতীয় কবিদের সক্রিয় সংগীত প্রচারের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিতে হইবে।’

এ ধরনের নির্দেশ দেওয়া ছিল শিল্পী ও কর্মকর্তাদের হাতপা বেঁধে দেয়ার শামিল। ‘নৈরাশ্যবাদী গজল ও গানে’র সংজ্ঞা কী? এই সংজ্ঞা হিসেবে নজরুলের ‘গানগুলি মোর আহত পাখির সম/লুটাইয়া পড়ে তব পায়ে প্রিয়তম।’ কিংবা ‘বিদায়সন্ধ্যা আসিল ঐ/ঘনায় নয়নে অন্ধকার।/হে প্রিয়, আমার যাত্রাপথ/অশ্রুপিছল করো না আর।’/অথবা ‘আনো সাকি শিরাজী আলো আঁখিপিয়ালায়।/অধীর করো মোরে নয়নমদিবায়।’ প্রভৃতি রেডিও টেলিভিশন থেকে সম্প্রচার করা যাবে না। শুধুপ্রচারিত হবে ‘বীররসে উজ্জীবিত’ করার মতো গান।

এই জাতীয় আরও অদ্ভুত ফরমান সংবলিত নীতিমালা যখন ঘোষিত হলো। এই নীতিমালা সমগ্র পাকিস্তানের জন্য প্রযোজ্য হলেও মূল লক্ষ্য ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের শ্রোতারা। আকাশবাণীকলকাতা কেন্দ্র থেকে প্রচারিত বাংলা অনুষ্ঠানে পূর্ববাংলার শ্রোতা প্রভাবিত হতে পারেন, সেই শঙ্কা থেকেই এই ‘নয়া বেতার নীতি’। কিন্তু বিস্ময়ের বিষয়, এই নীতিমালা ঘোষণার প্রতিবাদে অথবা এর সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে আমাদের কবিসাহিত্যিক শিল্পীরা একটি শব্দও বলেননি। তাঁরা এটা মেনে নিলেন।

ফওজিয়া খান রেডিও পাকিস্তান ঢাকা থেকে ১৯৬৭তে একটি গীতিবিচিত্রা প্রচার করেন। তাতে ধারাবিবরণীতে তিনি বলেন, ‘আমাদের আজাদ ওয়াতান যেন আল্লারই দান। দেশের মাটির তরে এ দেশের প্রতিটি মানুষ উৎসর্গকৃত প্রাণ। জান দিয়ে হলেও দেশের মান ফিরিয়ে আনবার জন্যই যেন জন্মেছে এ দেশের লক্ষ্য কোটি নরনারী।’ (এলান)

শিক্ষিত বাঙালি অনেকেই সেদিন মাতৃভূমি বাংলাদেশকে ‘আজাদ ওয়াতান’ বলতেই পছন্দ করতেন। যে শব্দ দুটি বাঙালি কৃষক, শ্রমিক, সাধারণ মানুষের কাছে দুর্বোধ্য মনে হতো। ওই ‘গীতিবিচিত্রা’য় পরিবেশিত হয়েছিল যে গানটি তা কবি হাবিবুর রহমানের রচনা : ‘আমাদের এই পাক আজাদ ওয়াতান/দুনিয়ার জান্নাত আল্লার দান।’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মাত্র একদেড় বছর আগেও এসব গান রচিত ও পরিবেশিত হতো বেতারে। ফররুখ আহমদের একটি গানও ছিল খুবই প্রচলিত: ‘আজাদ ওয়াতান, স্বাধীন পাকিস্তান/ মজলুমানের মঞ্জিল মহিয়ান।’

প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের একনায়কত্বের দেশে শিল্প, কৃষি, শিক্ষা অবকাঠামো প্রভৃতি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অগ্রগতি হয়েছিল, কিন্তু জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সঙ্কুচিত করা হয়। বাম প্রগতিশীল ও জাতীয়তাবাদী নেতাদের অনেকেই কারারুদ্ধ হন। এমনকি পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নে সবচেয়ে সোচ্চার আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে একটির পর একটি মামলা দিয়ে নাজেহাল করা হচ্ছিল। তারপর তাঁকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দিয়ে প্রায় মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়। দেশের লেখকশিক্ষাবিদেরা এ সবের প্রতিবাদ না করে তাঁরা মৌলিক গণতন্ত্র ও নতুন বেতার নীতি বা প্রপাগাণ্ডা নীতির প্রশংসাই করতে থাকেন। গণঅভ্যুত্থানে আইয়ুবের পতনের মাত্র চার মাস আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপিকা নীলিমা ইব্রাহিম, স্বাধীনতার পর পাকিস্তানকে যিনি বিরামহীন গালাগালি করতেন, এক প্রবন্ধে আইয়ুব সরকারকে পরামর্শ দিয়ে লেখেন : ‘বর্তমান বিশ্বে যে কোনো ক্ষেত্রে সাফল্যের একটি মস্ত বড় সোপান প্রচারকার্য। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, জাতীয়, আন্তর্জাতিক সর্বক্ষেত্রেই আজ প্রচারের মাধ্যমে কেউ বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছে, আর কেউ বা এর অভাবে চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেছে।… প্রচারের সবচেয়ে বড় মাধ্যম বেতার। আজকাল এখান থেকে নিয়মিত মৌলিক গণতন্ত্রের উপদেশ দেয়া হয়ে থাকে।পল্লী অঞ্চলের মৌলিক গণতন্ত্রীদের সহায়তায় আলোচনা সভার আয়োজন করা যেতে পারে। ঘন ঘন এ ধরনের সভাসমিতি ডাকলে নিশ্চয়ই গ্রামাবসীদের সাড়া পাওয়া যাবে।’ (নীলিমা ইব্রাহীম ‘সমবায় ও প্রচারকার্য’, দৈনিক পাকিস্তান, ৩ নভেম্বর ১৯৬৮)

আইয়ুব ক্ষমতা গ্রহণের এক দশক পূর্তি উপলক্ষে ১৯৬৭র শেষ দিক থেকেই ব্যাপক প্রচারাভিযান শুরু করে সরকার। তার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘উন্নয়নের দশ বছর’। সেটা যে কোনো সরকারই করতে পারে। আইয়ুব স্বীকৃতি আদায় করতে পেরেছিলেন বাঙালি বিদ্যৎসমাজের। ময়মনসিংহ মহিলা টিচার্স টেনিং কলেজের অধ্যক্ষ আজিজন নেসা (তমঘাকায়েদে আজম) লিখেছিলেন : ‘উন্নয়ন দশকের পটভূমিকায় দেখা যায় যে, জাতি তখন অনিশ্চয়তার পথে অগ্রসর হচ্ছিল। শঙ্কিত জনসাধারণ আত্মজিজ্ঞাসার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে প্রশ্ন তুলেছিল কে দেখাবে আলো? কোন পথে চলব? একদিকে মানুষ দ্বিধাগ্রস্ত, অন্যদিকে বিপর্যস্ত দেশ নানা সমস্যার সম্মুখীন। দেশ ও জাতির এই চরম দুঃসময়ে আল্লাহর অশেষ মেহেরবাণীতে এগিয়ে এলেন নির্ভীক অকুতোভয়, একনিষ্ঠ, দুর্জয় মনোবলের অধিকারী এক নেতা ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মদ আইয়ুব খান। বিহ্বল মোহগ্রস্ত জাতিকে উদাত্ত আহ্বানে জাগিয়ে তুললেন। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান শাসনভার গ্রহণ করে বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে শাসনব্যবস্থার সনাতন কাঠামো ভেঙ্গে আনলেন এক নব বিপ্লব। শুধু শাসনব্যবস্থায় নয়, যা অসুন্দর, অসার্থক, অকল্যাণকর তা দৃঢ়চিত্তে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে দূর করে আহ্বান করলেন সুন্দর, সার্থক ও কল্যাণকে। তাই কল্যাণের মঙ্গলালোকে উদ্ভাসিত হলো চারদিক, সূচিত হলো শুভ পদধ্বনি।…’

প্রেসিডেন্ট শাসনভার গ্রহণ করেছেন তা আজ এক দশক পূর্ণ হতে চলেছে। এই এক দশকের মধ্যে সারা দেশে এক নজিরবিহীন ও অভূতপূর্ব উন্নয়ন আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়। প্রেসিডেন্টের কর্তব্যপরায়ণতা প্রতিটি মানুষকে স্পর্শ করে সজীব করে তুলেছে। যে দিকে তাকানো যায় চোখে পড়ে কাজ আর কাজ। গোটা দেশটাই যেন হঠাৎ এক সৃষ্টির আনন্দে মেতে উঠেছে। কেউ আর আলস্যভরে আয়েশী জীবনযাপনের অবকাশ পাচ্ছে না। তামাম দেশটা এমনি কর্মচঞ্চল হয়ে উঠবে তা কেউ কি দশ বছর আগে ধারণা করতে শিখেছিল। একজন কিন্তু শিখেছিলেন তাঁর প্রজ্ঞা দিয়ে, দূরদৃষ্টি ও মননশীলতা দিয়ে। তিনি আর কেউ নন, আমাদের প্রিয় প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মদ আইয়ুব খান। (‘প্রদেশে নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে অগ্রগতি’, দৈনিক পাকিস্তান, ৩ নভেম্বর, ১৯৬৮)

এই স্তূতিমূলক লেখা প্রকাশের এক মাস পরেই আইয়ুববিরোধী আন্দোলন শুরু করেন মওলানা ভাসানী এবং দুই মাসের মধ্যে ঘটে গণঅভ্যুত্থান। আইয়ুব পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তিনি যার হাতে ক্ষমতা দেন তিনি মানবজাতির ইতিহাসে অন্যতম কুখ্যাত গণহত্যাকারী।

আইয়ুব প্রবর্তিত মৌলিক গণতন্ত্র, যা সার্বজনীন ভোটাধিকারের পরিপন্থী, যার বিরুদ্ধে বাংলার মানুষ সংগ্রাম করছিল, তার প্রসংসা করে প্রচুর লেখালেখি হয়েছিল। কবি, কথাশিল্পী, প্রবন্ধকার ও শিক্ষাবিদ অনেকেই মৌলিক গণতন্ত্রের প্রসংসা করে লিখেছেন। সেকালের একজন খ্যাতিমান লেখক ও শিক্ষাবিদ ড. জহুরুল হক লিখেছিলেন : ‘… জাতির ইতিহাসের এক অত্যন্ত জরুরি মুহূর্তে ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মদ আইয়ুব খানের আবির্ভাব ঘটেছিল। দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতক জীবনের স্তূপীকৃত আবর্জনা অপসারণ করে নুতনকে ও নির্মলকে নির্মাণ করে তোলার ব্রত তিনি গ্রহণ করেছিলেন।’ [জহুরুল হক, ‘রাষ্ট্রপ্রথার বিবর্তন ও মৌলিক গণতন্ত্র’, পাকিস্তানী খবর, পাকিস্তান দিবস সংখ্যা ২৩ মার্চ ১৯৬৮, পৃ. ৩৯]

কেউ কেউ অনুরোধেও হয়তবা লিখে থাকবেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত লেখার দায় লেখকেরই। মোহাম্মদ বরকতউল্লাহর মতো সৎ ও মননশীল ব্যক্তিত্ব এক নিবন্ধে লিখেছিলেন, ‘মৌলিক গণতন্ত্রের যে আদর্শ বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছেন, তাতে জনগণের আশাআকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত ও পূর্ণ হওয়ার সুযোগ রয়েছ যথেষ্ট।ক্রমশ যোগ্যতর মানুষ সদস্য হয়ে হয়ে ইউনিয়ন কাউন্সিলে আসছে এবং গণতান্ত্রিক আদর্শকে পূর্ণভাবে রূপায়িত করতে এগোচ্ছে। ইহাই বর্তমান সরকারের আশা ও বিশ্বাস। ইহার চাবিকাঠিও জনগণেরই হাতে। তারা যদি ভোট দেবার সময় যোগ্য লোকদিগকে বাছাই করে ইউনিয়ন কাউন্সিলে পাঠায় তা হলে সমস্ত ঠিক হয়ে যাবে।’ (পাকিস্তানী খবর, ২৩ মার্চ ১৯৬৮)

যিনি ছিলেন আমাদের শিক্ষা ও সংস্কৃতিজগতের অভিভাবকতুল্য সেই মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ‘পল্লী তথা, দেশ উন্নয়নে এর [মৌলিক গণতন্ত্রের] উপকারিতা সম্বন্ধে’লিখেছিলেন ‘এই গণতন্ত্রের এখনও শৈশব অবস্থা। কাজেই ভবিষ্যতেই আমরা তার পূর্ণ বিকাশ দেখতে আশা রাখি। যেমন ছেলে বড় হলে তবে তার ষোল আনা গুণ প্রকাশ পায়। তারা নামাজরোজা প্রভৃতি ধর্মকার্যের জন্য উপদেশ দিয়ে, এবং যারা তা মানে না, তাদের জন্য সামাজিক শাসনের বিধান করে পাকিস্তানকে আদর্শ রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারেন। এমন অনেক কাজ রয়েছে, যা মৌলিক গণতন্ত্রের কল্যাণে আমরা সম্পাদন করতে পারি, যাতে করে একদিন এ দেশে government of the people, by the people, for the people অর্জন করা সম্ভব হয়ে ওঠে।’ [পাকিস্তানী খবর, ২৩ মার্চ ১৯৬৮]

মানুষ চাইছিল সার্বজনীন ভোটাধিকার ও সংসদীয় গণতন্ত্র, পরোক্ষ ইলেকটোরাল কলেজের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নয়। এ সব প্রপাগাণ্ডায় মানুষ বিরক্ত হয়ে ওঠে এবং তিন মাস পরে গণরোষে আইয়ুব খান পদত্যাগে বাধ্য হন।

[ সৈয়দ আবুল মকসুদের “বাঙালি মুসলমানের বুদ্ধিবৃত্তিক বিভ্রম ও বিশ্বাসহীনতা” থেকে উদ্ধৃত । ]

Advertisements
  1. কোন মন্তব্য নেই এখনও
  1. No trackbacks yet.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: