প্রথম পাতা > আন্তর্জাতিক, জীবনী, রাজনীতি > ডনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে চমকপ্রদ কিছু তথ্য

ডনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে চমকপ্রদ কিছু তথ্য

নভেম্বর 15, 2016 মন্তব্য দিন Go to comments

trump-timelineবিতর্কিত মন্তব্য, নারী কেলেংকারি আর অহমিকা কোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ডই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মার্কিন নির্বাচন থেকে পিছিয়ে দেয়নি। বরং জনপ্রিয় ভোটে (পপুলার ভোট) হারলেও ইলেক্টোরাল ভোটে জয়ী হয়ে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন ছয় ফুট তিন ইঞ্চি লম্বা ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান দলের হয়ে আমেরিকার ৪৫ তম প্রেসিডেন্ট হওয়া এই ট্রাম্পের অনেক চমকপ্রদ কাহিনী এখনও অনেকের অজানা। শুধু ব্যবসায়ীই নন, তার পরিচয়ের ঝুলিতে রয়েছে আরো অনেক বিষয়।

ফকির থেকে আমীর

সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেছেন, বছরে তার খরচযোগ্য (লিকুইড) অর্থের পরিমাণ ৪০০ মিলিয়ন ডলার। তবে অতীতের অবস্থা মোটেও সুখকর ছিল না ট্রাম্পের। ১৯৯০ সালের দিকে ট্রাম্প প্রায় দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিলেন। তার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ ছিল ওই সময়। এছাড়াও ৯০০ মিলিয়ন ডলারের ব্যক্তিগত ঋণও ছিল। ঋণে জর্জরিত ট্রাম্প অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। ওই সময় তার চারটা ক্যাসিনোও দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ‘ট্রাম্প টাওয়ার’ আর আটলান্টিক সিটির ৩টি ক্যাসিনো রক্ষা করতে সমর্থ হন ট্রাম্প। বর্তমানে ট্রাম্পের অধীনে ১০০ টিরও বেশি কোম্পানি রয়েছে। তিনি ট্রাম্প অর্গানাইজেশানের সিইও।

ধর্ষক ট্রাম্প!

নব্বইয়ের দশকের আগে তার আগের স্ত্রী ইভানার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়। ছাড়াছাড়ির মামলায় ইভানা ১৯৮৯ সালের একটি ঘটনায় ট্রাম্পকে শ্রেফ একজন ‘ধর্ষক’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। চুল কমে যাওয়া সংক্রান্ত মাথায় ত্বকের সমস্যা কমিয়ে আনার জন্য একটি অপারেশন চলাকালীন ইভানাকে লাঞ্ছিত করে ট্রাম্প। এ চিকিৎসার জন্য ইভানা প্লাস্টিক সার্জনের শরণাপন্ন হতে ট্রাম্পকে চাপ দিলে ট্রাম্প নির্মমভাবে ইভানার চুল ছিড়ে ফেলে দেয়।

ট্রাম্পের নামে গেম

আপনি যদি ট্রাম্পের ভক্ত হন তবে ‘ট্রাম্প দ্য গেম’ খেলতে পারবেন। ১৯৮০ সাল থেকে চলছে এই বোর্ড গেম। যেখানে খেলতে ন্যূনতম ১০ ডলার প্রয়োজন হবে আপনার।

টিভি উপস্থাপক ও সবচেয়ে বাজে অভিনেতার পুরস্কার লাভ

আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে একজন হলিউড স্টার ছিলেন। এবার হোয়াইট হাউসে তার উত্তরসূরী হলেন ট্রাম্প। ক্ষুদ্র অর্থে ট্রাম্পও একজন হলিউড স্টার। ‘দ্য অ্যাপেরিন্টিস’ এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তিনি বেশ খ্যাতিও পান।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০০৪ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দ্য অ্যাপেরিন্টিস নামের টিভি রিয়েলিটি শো’র হোস্ট বা উপস্থাপক ছিলেন। তিনি এই রিয়েলিটি শোটির সহপ্রযোজকও ছিলেন। এ অনুষ্ঠান থেকে ট্রাম্পের এপিসোড প্রতি আয় ছিল ৩ লাখ ৭৫ হাজার ডলার। এটি আমেরিকার অত্যন্ত সফল একটি রিয়েলিটি শো ছিল।

১৯৯০ সালে ‘ঘোস্ট কান্ট ডু ইট’ নামের একটি চলচ্চিত্রে সহ অভিনেতা ছিলেন ট্রাম্প। সেখানে সবচেয়ে বাজে অভিনয়ের জন্য অস্কারের ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে বাজে সহঅভিনেতার পুরস্কার (গোল্ডেন রাস্পবেরি অ্যাওয়ার্ড) পান তিনি। পুরস্কারটি অস্কার দেওয়ার ঠিক একদিন আগে দেওয়া হয়ে থাকে।

স্কুল থেকে বিতারণ ও মিলিটারি স্কুলে ভর্তি

ছোট বেলা থেকে ট্রাম্প ছিলেন উদ্ধত। বয়স যখন মাত্র ১৩ বছর তখন টাম্পকে উদ্ধত আচরণের কারণে কিউফরেস্ট স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়। বেসরকারি কিউফরেস্ট স্কুলের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ছিলেন ট্রাম্পের বাবা। অপরাধের মাত্রা বেশি হওয়ায় ট্রাম্পকে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে তাকে নিউ ইয়র্ক মিলিটারি স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে শৃঙ্খলাবন্ধ হয়ে পড়েন ট্রাম্প। পরে তিনি মিলিটারি স্কুলের ক্যাপ্টেন পদবী অর্জন করেছিলেন।

তিন বার বিয়ে

মোট তিন বার বিয়ে করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার প্রথম স্ত্রী ইভানা ট্রাম্প, দ্বিতীয় স্ত্রী মার্লা মাপলেস এবং বর্তমান স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প। ট্রাম্পের প্রথম স্ত্রী শুধু একজন মডেলই নয়, চেক অলিম্পিক স্কি দলেরও সদস্য ছিলেন। ইভানা ট্রাম্প এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৯৯০ সালের দিকে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

অ্যালকোহলের ব্যবসা থাকলেও পান করেন না ট্রাম্প

২০০৭ সালে ট্রাম্প ডাচ তৈরি ভদকার ব্যবসা শুরু করেন। তার প্রতিষ্ঠানে এখনও আগামী পাঁচ বছরের জন্য ভদকা মজুদ আছে। তবে ট্রাম্প অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকেন। তার ভাই একজন মধ্যপায়ী ছিলেন এবং তার এই অভ্যাসের জন্য ১৯৮২ সালে তিনি মারা যান। আর শিকাগোতে অবস্থিত ‘দ্য ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড টাওয়ার’ নামে একটি মিনি বারে এক বোতল মিনারেল পানির জন্য আপনাকে গুণতে হবে ২৫ ডলার।

বাসযোগ্য সবচেয় উঁচু ভবন ট্রাম্প টাওয়ার

trump-towerট্রাম্প টাওয়ার’ই হলো বসবাসের জন্য তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভবন। ১৯২৯ সালে তৈরি করা আর্ট ডেকো বিল্ডিংটি ভেঙ্গে ট্রাম্প এ বিল্ডিংটি তৈরি করেছিলেন। আর্ট ডেকো বিল্ডিংটি স্থাপত্যগত দিক থেকে এবং ঐতিহাসিক দিক থেকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাই সেটি ভেঙ্গে সেখানে ট্রাম্প টাওয়ার তৈরির ঘটনা বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছিল। সেই সুরম্য ‘ট্রাম্প টাওয়ার’ ক্রিস্টোফার নোলান নির্মিত ‘ব্যাটম্যান’ সিরিজের ৩য় সিনেমায় ব্যবহৃত হয়েছে। ‘দ্য ডার্ক নাইট রাইসেস’ সিনেমায় এই ভবনকে কাল্পনিক ওয়েইন এন্টারপ্রাইজ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

ভবনটি তৈরি করতে ট্রাম্প ২০০ পোলিশ শ্রমিক নিয়োগ করেছিলেন। তাদের দিয়ে দিনে প্রায় ১২ ঘন্টা করে কাজ করিয়ে নেওয়া হতো। তাদের প্রতি ঘণ্টা কাজের মজুরি ছিল মাত্র ৪ থেকে ৫ ডলার। যদিও ট্রাম্প বিষয়গুলো জানতেন না বলে দাবি করে থাকেন।

ট্রাম্পের বোন সার্কিট জাজ

ট্রাম্পের বোন ম্যারিয়ান ট্রাম্প বারি আমেরিকার সিনিয়র সার্কিট জাজ যে পদে সরাসরি প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দিয়ে থাকেন। ম্যারিয়ান ১৯৯৯ সালে এই পদের জন্য মনোনীত হন। কিন্তু তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিনটনের স্বামী বিল ক্লিনটন। ট্রাম্পের বোন রিপাবলিকান হওয়ার পরও ডেমোক্রেট বিল ক্লিনটন তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসান।

ডোনাল্ড ট্রাম্প পরবর্তী সময়ে দাবি করেন যে তার বোনকে এ পদে বসানো হয়েছিল কারণ তিনি বিল ক্লিনটনের প্রেসিডেন্সি পদে লড়াইয়ের সময় তাকে আর্থিকভাবে সহায়তা করেছিলেন। এ সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘যখন আপনি তাদের দেবেন, তখন তারা সকল ধরনের কাজই করবে যা আপনি তাদের বলবেন।’

আগেও প্রেসিডেন্ট পদে লড়েছিলেন ট্রাম্প

রিফর্ম পার্টি থেকে ২০০০ সালে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য লড়াই করেছিলেন। কিন্তু ভোট শুরুর একদম আগে আগে তিনি তা থেকে সরে দাঁড়ান। তারপরও বেশ কিছু জায়গায় রিফর্ম পার্টির ভোটে ট্রাম্প জয়লাভ করেছিলেন।

অভিবাসন বিরোধী ট্রাম্পের মা স্কটিশ অভিবাসী

অভিবাসীদের ব্যাপারে বার বার নাক সিটকাচ্ছেন ট্রাম্প। অভিবাসন ঠেকাতে প্রয়োজনে পাশ্ববর্তী দেশে মেক্সিকো সীমানায় প্রাচীর তৈরিরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তার অভিবাসন নীতি নির্বাচনের আগ মুহূর্ত থেকেই ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো ট্রাম্পের মা ম্যারি অ্যান ম্যাক্লাঊড ছিলেন একজন স্কটিশ অভিবাসী। এছাড়া তার দাদাদাদী জার্মানী থেকে এসেছিলেন। যদিও বহু বছর ধরে ট্রাম্প বিশ্বাস করতেন তার দাদাদাদীরা সুইডিশ ছিলেন। এর পেছনের কারণ হলো তার বাবা নিজেদের পরিবারকে জার্মানীর বদলে সুইডেন থেকে এসেছে বলেই পরিচয় দিতেন। ট্রাম্পের বাবা ১৯৬০ সালে এ বিষয়টির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, তার চেনা পরিচিত অনেকেই ইহুদী ছিল। আর তাদের কাছে জার্মান পরিচয় দেওয়াটা আসলে খুব ভালো কিছু ছিল না।

টুইটারে প্রতি মাসে গড়ে ৬৭ হাজার নতুন ফলোয়ার

নানা কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনেকেই পছন্দ করেন না। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শহরে ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলন হয়েছে। কিন্তু সোস্যাল মিডিয়ায় এ চিত্র ভিন্ন। গড়ে প্রতি মাসে ট্রাম্পের প্রায় ৬৭ হাজার নতুন ফলোয়ার যোগ হচ্ছে।

গোপন কথা খুলে বললেন ট্রাম্পের প্রথম স্ত্রী ইভানা

ivana-trumpইভানা ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম স্ত্রী। তিনি চেক বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যবসায়ী নারী। তিনি সাবেক ফ্যাশন মডেল। ২০১০ সালে ‘সেলেব্রিটি বিগ ব্রাদার’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। নিউ ইয়র্ক পোস্টকে তিনি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে অনেক গোপন কথা খুলে বললেন তার প্রথম স্ত্রী ইভানা ট্রাম্প। ট্রাম্প কেমন মানুষ, তার বাস্তব জীবনই বা কেমনতা খুব থেকে দেখেছেন ইভানা। তার কথা অনুযায়ী, ডনাল্ড ট্রাম্প রাতে মাত্র তিন ঘণ্টা ঘুমান। সকাল থেকে শেষ রাত অবধি কাজে ডুবে থাকেন।

ট্রাম্প সম্পর্কে তিনি বলেছেন, আমি মনে করি না ডনাল্ড কখনো ট্রাম্প টাওয়ার ছেড়ে আসবে। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি প্রেসিডেন্সিয়াল এয়ারফোর্স পাবেন। কিন্তু ট্রাম্প তার নিজের বিমানই ব্যবহার করতে পারেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পের ওই বিমানের নাম হতে পারে ‘ট্রাম্প ফোর্স ওয়ান’। ইভানা বলেছেন, তিনি নিজের বিমানেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

নিউ ইয়র্কে অবস্থিত ট্রাম্প টাওয়ার। তারই ৬৬তম তলা ট্রাম্পের খুব বেশি প্রিয়। ইভানা ট্রাম্প মনে করেন, তার মনে হয় না ট্রাম্প টাওয়ারের সঙ্গে হোয়াইট হাউসকে এক করে দেখা উচিত। ইভানার ভাষায়, সততার সঙ্গে বলছি, আমি মনে করি হোয়াইট হাউসের চেয়ে ট্রাম্প টাওয়ার ও নিউ ইয়র্কে আমার বাড়ি অনেক ‘বেটার’।

ফরাসি সুন্দর ওয়াইনের মতো ডনাল্ড। তিনি খুব বেশি চলাফেরা বা সফর পছন্দ করেন না। তবে মেলানিয়া ট্রাম্প সম্পর্কে তিনি বলেছেন, মেলানিয়া হয়তো তার কাপড়চোপড় গোছানো শুরু করেছেন। ট্রাম্পের এমন ঘরকুনো স্বভাবের কারণে হয়তো ছুটির দিনগুলোতেও তাকে দেখা যাবে নিজস্ব আঙ্গিনাতেই। অন্যান্য প্রেসিডেন্ট অবকাশ যাপনে দূরে কোথাও গেলেও ইভানা বলছেন, ফ্লোরিডার পাম বিচের মারলাগো ক্লাবেই ট্রাম্প ছুটি কাটাবেন।

ইভানা বলেন, ‘অবসর সময়ে সে গলফ খেলবে। তবে আমার মনে হয় না প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম একশ’ দিনের মধ্যে সে এই সুযোগ পাবে। কারণ, এই সময়ে সে দিনরাত কাজ করবে। সে কাজ করতে খুবই ভালোবাসে।’

trump-on-agri-fieldট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার সময় খানিকটা হলেও চাপে ছিলেন ইভানা। কারণ এ সময় ট্রাম্পের সঙ্গে তার বিচ্ছেদের নথিপত্র প্রকাশের ইস্যু ছিল আলোচনায়। নির্বাচন শেষে তাই তিনি খানিকটা স্বস্তিতে থাকবেন। ইভানা বলেন, ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস কিছু সমস্যা করছিল। তারা আমার ২৬ বছর আগের বিচ্ছেদের নথিপত্র প্রকাশের জন্য মামলা ঠুকেছিল। কিন্তু আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পদের জন্য লড়ছি না। আমি একজন নাগরিক এবং আমার অধিকার রয়েছে তথ্যের গোপনীয়তার। তারা ট্রাম্পের প্রতি ন্যায্য আচরণ করেনি। ট্রাম্পের প্রতি কাদা ছুড়তেই ওই নথি প্রকাশ করতে চেয়েছিল। নিউ ইয়র্ক পোস্ট বরং ট্রাম্পের প্রতি খানিকটা ন্যায়সঙ্গত আচরণ করেছে।’

ট্রাম্পের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণার কিছু কিছু বিষয়ে অবশ্য দ্বিমত রয়েছে ইভানার। এর মধ্যে রয়েছে অভিবাসন ইস্যু। ইভানা মনে করেন, অভিবাসীরা চমৎকার মানুষ। তিনি বলেন, ‘আমার জন্য পাঁচ বছর ধরে কাজ করেছেন একজন আরব নারী, তিনি স্কার্ফ পরতেন। তিনি যতক্ষণ ভালো কাজ করছেন এবং এই দেশে বৈধভাবে থাকছেন, কর দিচ্ছেন, ইংরেজিতে কথা বলছেন ততক্ষণ আমার কোনো সমস্যা নেই।’

ট্রাম্পের মন্ত্রিসভায় ডনাল্ড জুনিয়র, ইভাংকা বা এরিক স্থান পাবেন কিনা, তা নিয়ে নিশ্চিত নন ইভানা। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও ভেবে রেখেছেন ইভানা। সেই আকাঙ্ক্ষার কথা বলতে গিয়ে ইভানা বলেন, ‘আমি বলবো, আমি চেক রিপাবলিকের জন্য রাষ্ট্রদূত হতে চাই। আমি সেখান থেকেই এসেছি, আমি ওই ভাষাতেই কথা বলি এবং সেখানে সবাই আমাকে চেনে। কেবল আমেরিকা নয়, সারাবিশ্বই আমার সম্পর্কে জানে। আমি তিনটি বই লিখেছি, সেগুলো ৪০টি দেশে ২৫টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। আমি ইভানা নামেই পরিচিত। আমার পরিচয়ের জন্য ট্রাম্পের নামের প্রয়োজন নেই।’

Advertisements
  1. কোন মন্তব্য নেই এখনও
  1. No trackbacks yet.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: