প্রথম পাতা > আন্তর্জাতিক, জীবনী, রাজনীতি > ডোনাল্ড ট্রাম্পের পারিবারিক জীবন

ডোনাল্ড ট্রাম্পের পারিবারিক জীবন

trump-timelineট্রাম্পের জন্ম১৯৪৬ সালের ১৪ জুন; যুক্তরাষ্ট্রের জাঁকজমকপূর্ণ শহর নিউ ইয়র্কের কুইন্সে। বাবা ফ্রেডরিক ট্রাম্প। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে ট্রাম্প চতুর্থ। বাবা তার নাম রাখেন ডোনাল্ড। সঙ্গে বাবার নাম গ্রহণ করে তার নাম হয় ডোনাল্ড জন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের বাবা ফ্রেডরিক ট্রাম্প ছিলেন রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ী। নিউ ইয়র্কের স্ট্যাটান আইল্যান্ড ও ব্রুকলিনে মধ্যবিত্তদের জন্য বাড়ি তৈরি করতেন। সেই থেকে তাদের পারিবারিক ব্যবসার শুরু। পৈত্রিক এই ব্যবসা ট্রাম্পের হাতে পূর্ণতা পায়।

নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প যে অভিবাসনবিরোধী অবস্থান গ্রহণ করেন, তা তার একদিনের তৈরি কিছু নয়। এর গোড়ায় ছিলেন তার মা। তার মা কট্টর অভিবাসনবিরোধী ছিলেন। তিনি স্কটিশ বংশোদ্ভূত। নিউ ইয়র্কে ঘুরতে এসে তার বাবার সঙ্গে পরিচয় হয়, পরে বিয়ে হয়।

ট্রাম্প শৈববে ছিলেন দুরন্ত। স্কুলে তার খামখেয়ালিপনায় অতিষ্ঠ ছিল শিক্ষকরা। পরে তার বয়স যখন ১৩ বছর, তখন তাকে পাঠানো হয় সামরিক একাডেমিতে। তবে যে বিষয় বলতে হয়, অঢেল সম্পদ থাকলেও তার বাবা তাকে সাধারণ কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য কারখানায় পাঠান। ১৯৬৪ সালে স্নাতক শেষ করে ফোর্ডহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ট্রাম্প। দুই বছর পর ট্রান্সফার হন পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটির হোয়ারটন স্কুল অব ফাইন্যান্সে। ১৯৬৮ সালে সেখান থেকেই অর্থনীতিতে ডিগ্রি নেন। তার উচ্চতর পড়াশোনা এখানেই শেষ হয়। ভিয়েতনাম যুদ্ধে যোগদানের জন্য তাকে মনোনীত করা হলেও তিনি অসুস্থতাজনিত ছুটি নিয়ে যাননি।

ট্রাম্প ব্যবসা শুরু করেন তার বাবার কাছ থেকে ১০ লাখ ডলার ধার করে। বাবার মতো তিনিও রিয়েল স্টেট ব্যবসা শুরু করেন। এক সময় বাবার ব্যবসার পুরো নিয়ন্ত্রণ চলে আসে ট্রাম্পের হাতে। পরে বাবার সঙ্গে ব্যবসা করতে গিয়ে নিজের ব্যবসার বিস্তৃতিও বাড়িয়ে তোলেন ট্রাম্প। ১৯৭১ সালে ট্রাম্প কোম্পানির নাম বদলে হয় ‘ট্রাম্প অর্গানাইজেশন’। ১৯৯৯ সালে ট্রাম্পের বাবা মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর ট্রাম্প বলেন, বাবাই ছিলেন তার অনুপ্রেরণা। পারিবারিক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ বুঝে নেওয়ার পর ব্রুকলিন ও কুইন্স থেকে প্রকল্প সরিয়ে ম্যানহাটানে বড় বড় ভবন নির্মাণে নজর দেন ট্রাম্প।

ম্যানহাটানের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা আঁচ করতে পেরে সেখানে বিনিয়োগ বাড়াতে থাকেন ট্রাম্প। চমৎকার নির্মাণশৈলী ও জনগণের আস্থার কারণে সেই কাজগুলোই পরে তাকে বিপুল মুনাফা এনে দেয়। ফোর্বসের তথ্যানুযায়ী, ট্রাম্পের মোট সম্পদ এখন ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তবে ট্রাম্পের সম্পদ নিয়ে বিতর্ক আছে। এই বিতর্কের জন্য তিনিই দায়ী। কারণ, তার দাবি তার সম্পত্তির পরিমাণ আরো অনেক বেশি।

যার নেশা ছিল ব্যবসা, যার পরিচয় ছিল ব্যবসায়ী এখন সেই মানুষটি দুনিয়ার সবচেয়ে বড় নেতা। শক্তিধর ব্যক্তি হিসেবে অসীম ক্ষমতার চর্চা করার সুযোগ রয়েছে তার। ব্যবসা থেকে রাজনীতিট্রাম্প প্রমাণ করলেন তিনি সর্বত্রই সফল ও নায়ক।

ট্রাম্পের পারিবারিক জীবন নিয়ে অনেক কৌতুক আছে। এ কৌতুক সৃষ্টির জন্য তিনি নিজেই দায়ী। কারণ দাম্পত্য জীবন নিয়ে তিনি বিভিন্ন সময় হাস্যরস করেছেন, যা গণমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে।

trump-didnot-misbehaveডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তার পারিবারিক জীবন নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। তবে এসব খবরের অধিকাংশই ‘ওপেন সিক্রেট’। তিনবার বিয়ে করেছেন ট্রাম্প। স্ত্রীদের প্রত্যেকেই কখনো না কখনো মডেল বা অভিনেত্রী ছিলেন। এ থেকে অন্তত এ কথা বুঝে নিতে কষ্ট হয় না যে, সুন্দরী নারীদের প্রতি ট্রাম্পের আকর্ষণ সব সময়ই ছিল।

ট্রাম্পের প্রথম স্ত্রী ইভানা জেলনিকোভা। তিনি চেকোশ্লাভিয়ার নাগরিক। ছিলেন চেক অ্যাথলেট এবং জনপ্রিয় মডেল। ফ্যাশন মডেল হিসেবে নিউ ইয়র্কে ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয় তার। তিন স্ত্রীর মধ্যে ইভানাই ছিলেন ট্রাম্পের সবচেয়ে প্রিয়। এ কথা গণমাধ্যমে স্বীকারও করেছেন তিনি। ট্রাম্প ও ইভানার সংসারে আসে তিন সন্তান। তারা হলেন ট্রাম্প জুনিয়র, ইভাঙ্কা, এরিক। ১৯৯০ সালে ট্রাম্প ও ইভানার সংসার ভেঙে যায়।

তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যমে রমরমা খবর প্রকাশিত হয়। ইভানা সে সময় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, ট্রাম্প তাকে যৌন নির্যাতন করেছেন। তা ছাড়া সুনাম ক্ষুণ্নেরও অভিযোগ আনেন তিনি। যদিও ইভানা এসব অভিযোগ পরে অস্বীকার করে বলেছিলেন, গণমাধ্যমের খবর ভুয়া ও ভিত্তিহীন। তবে ট্রাম্পের জীবনে দারুণ প্রভাব ছিল বড় বউ ইভানা জেলনিকোভার। ট্রাম্পের প্রতিষ্ঠান ‘ট্রাম্প অরগানাইজেশন’এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে ট্রাম্পকে প্রভাবিত করতেন।

ট্রাম্পের অর্জিত সম্পদের বড় একটি অংশ ব্যয় হয়েছে তার প্রথম দুই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটাতে। নিউ ইয়র্কে অর্থশালী হিসেবে নামডাক ছিল ট্রাম্পের। বিয়েতে যেমন খরচ করেছেন, সম্পর্ক ভাঙতেও তাকে তেমনি অর্থ গুনতে হয়েছে। জেলনিকোভার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ১৯৯৩ সালে আবার বিয়ে করেন ট্রাম্প। আগের বারের মতো দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন আরেক জনপ্রিয় মডেলকে। মডেল মার্লা ম্যাপলসের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন ট্রাম্প। তাদের ঘর আলোকিত করে আসে কন্যাসন্তান টিফানি ট্রাম্প। কিন্তু ছয় বছর যেতে না যেতেই অন্য নারীর প্রেমে মজেন ট্রাম্প। এর মধ্যে ছয় বছরের মাথায় ম্যাপলসের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় ট্রাম্পের। তবে এ জন্য দ্বিতীয় স্ত্রীকে দিতে ২০ লাখ ডলার।

প্রথম স্ত্রীকে প্রিয় হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও তৃতীয় স্ত্রী মেলানিয়া নাউসের সঙ্গে দারুণ সময় পার করছেন ট্রাম্প। সাড়া জাগানো মডেল মেলানিয়া নাউস। বেশ কিছু দিন প্রেম করার পর ২০১৫ সালে বিয়ে হয় তাদের। ট্রাম্প ও মেলানিয়ার বয়সের ব্যবধান ২০ বছর। তবু তাদের সংসার চলছে বহাল তবিয়তে। তাদের সংসারে এক সন্তান। নাম ব্যারন ট্রাম্প উইলিয়াম।

মজার ব্যাপার হলো ট্রাম্প ও মেলানিয়ার বিয়েতে অতিথি ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও তার স্ত্রী ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিনটন। ট্রাম্পের মতো তার সন্তানরাও ব্যবসা করে যাচ্ছেন। ট্রাম্প জুনিয়র, ইভাঙ্কা ও এরিক ট্রাম্প অরগানাইজেশনে সহসভাপতি হিসেবে কাজ করেন। তবে মূল দায়িত্ব নিজের কাঁধেই রেখেছেন ট্রাম্প।

ধনকুবের ট্রাম্প এখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। আগামী চার বছরের জন্য ট্রাম্পের পরিবার হবে প্রেসিডেন্ট পরিবার। হোয়াইট হাউসের বাসিন্দা হবেন ট্রাম্পের ছেলেমেয়েরা। ফার্স্ট লেডি হচ্ছেন মেলানিয়া নাউস। কারণ, তিনিই এখন ট্রাম্পের সঙ্গে আছেন।

জানা গেছে নারীদের অনেকেই শেষমেষ ট্রাম্পের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। তাদের যুক্তি ছিল এই–মনিকা লিউনিস্কির সঙ্গে বিল ক্লিনটন যা করেছেন, তার চেয়ে ট্রাম্প অনেক ভালো। আর আমরা (ট্রাম্পের নারী সমর্থকরা) বিল ক্লিনটনের মতো বিশ্বাসঘাতক স্বামী খুঁজছি না, প্রেসিডেন্ট খুঁজছি!

women-for-trump-1ট্রাম্প যে প্রেসিডেন্ট হবেন, তা অনেকের ভাবনাতে ছিল না। বছর দুয়েক আগেও তিনি ছিলেন রাজনীতির বাইরের মানুষ। কোনো রাজনৈতিক পদেও তিনি ছিলেন না। উপরন্তু রিপাবলিকান পার্টির চেয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টির সঙ্গে একসময় তার বেশি সখ্য ছিল। সেই ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন।

ডেমোক্রেটিক পার্টির হেভিওয়েট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের জনপ্রিয়তার ধারে কাছেও আসতে পারেননি ট্রাম্প। কিন্তু নির্বাচনের ঠিক দুই সপ্তাহ আগে তার দুর্বার উত্থান ঘটে। ঘুরে দাঁড়ান ট্রাম্প। জনপ্রিয়তায় হিলারিকে ছুঁয়ে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত তিনিই বাজিমাত করলেন। তাকে আটকাতে পারলেন না হিলারি।

ট্রাম্প শুধু হিলারিকে হারিয়েছেনএমন বলা ঠিক হবে না। তার চেয়েও বড় মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়েছে তাকে। তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন নিজ দলের শীর্ষ নেতারা। কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ও রিপাবলিকান শীর্ষ নেতা পল রায়ান তার নির্বাচনী প্রচারে আসেননি। বরং বারবার তাকে ভর্ৎসনা করেছেন। যদিও ভর্ৎসনা করার মতো কথা বলতে দ্বিধা করেননি ট্রাম্প। তারপরও জনগণ তাকে বেছে নিয়েছে প্রেসিডেন্ট হিসেবে। ৭০ বছর বয়সি ট্রাম্প হেসেছেন বিজয়ের হাসি।

ব্যবসায়ী থেকে হোয়াইট হাউসে তিনি

সব জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইতিহাস গড়লেন ডোনাল্ড জে ট্রাম্প। বিভিন্ন জরিপের ফল ও বিশ্লেষকদের আভাস পাল্টে দিয়ে হোয়াইট হাউসের উত্তরাধিকারী নির্বাচিত হলেন রিপাবলিকান পার্টির এই প্রার্থী। ৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আগামী চার বছরের জন্য ট্রাম্পকেই বেছে নিল বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ।

কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিতে আসা ডোনাল্ড ট্রাম্প? বিশ্ব রাজনীতির ক্ষমতার একেবারে কেন্দ্রে চলে আসবেন ট্রাম্প, সেটা হয়তো ভাবতে পারেননি তার অনেক ঘনিষ্ঠরাও। তবে তাই করে দেখিয়েছেন ধনকুবের ট্রাম্প।

ট্রাম্পের জন্ম ১৯৪৬ সালের ১৪ জুন, কুইন্সে। তার বাবা নিউইয়র্কের আবাসন ব্যবসায়ী ফ্রেড ট্রাম্প ও মা স্কটিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন মেরি ট্রাম্প। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে ট্রাম্প চতুর্থ। ছেলেবেলা থেকেই উদ্যমী ও তেজস্বী হিসেবে পরিচিত ট্রাম্প। পড়াশোনার চেয়ে বেশি আগ্রহ ছিল দুরন্তপনায়।

দুরন্ত ট্রাম্পকে ১৩ বছর বয়সে সামরিক একাডেমিতে পাঠিয়ে দেন তার মাবাবা। ১৯৬৮ সালে পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে পড়াশোনা শেষ করেন ট্রাম্প।

এরপর বাবার কাছ থেকে অর্থ ধার করে আবাসন ব্যবসা শুরু করেন ট্রাম্প। পরে অবশ্য বাবার সঙ্গেই ব্যবসায় যোগ দেন। ব্যবসার প্রসার করতে গিয়ে পড়েন লোকসানের মুখেও। কিন্তু মোটেও দমে যাননি তিনি।

ব্যর্থতার মুখে ট্রাম্প ১৯৭৫ সালে হায়াত হোটেল করপোরেশনের সঙ্গে মিলে হোটেল নির্মাণের কাজে হাত দেন। ১৯৮০ সালে তার গ্র্যান্ড হায়াত হোটেল চালুর পর পরই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। চারদিকে তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। আবাসন ব্যবসার পাশাপাশি ক্যাসিনো ও হোটেল ব্যবসাতেও সাফল্যের মুখ দেখেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ফার্স্ট ফ্যামিলির সদস্য যারা

trump-family-members-labeledমার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী বছরের জানুয়ারি তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তখন বারাক ওবামার বিদায়ের পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক কার্যালয় হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করেবেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে যারা হোয়াইট হাউজে উঠতে তার একটি তালিকা প্রকাশ করে বিবিসি। তা হলো:

মেলানিয়া ট্রাম্প: স্লোভেনিয়ায় জন্ম নেয়া সাবেক মডেল মেলানিয়া এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী। স্বাভাবিকভাবেই তিনি পাচ্ছেন ফাস্ট লেডির মর্যাদা। তাই হোয়াইট হাউজে তিনি যে থাকছেন এটা তো নিশ্চিত।

ব্যারন ট্রাম্প: ট্রাম্পমেলানিয়া দম্পতির একমাত্র পুত্র ১০ বছরের ব্যারন ট্রাম্প। যদিও নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাকে ভালোভাবেই দেখা গেছে, তারপরেও দশ বছরের ব্যারনকে নজর থেকে দূরেই সরিয়ে রাখা হয়েছে। সে তার বাবার সঙ্গে গলফ খেলতে ভালোবাসে।

জারেড কুশনার: ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় মেয়ে ইভানকার স্বামী জারেড কুশনার। তিনি নিউইয়র্কের একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের মালিকের ছেলে এবং সাপ্তাহিক অবজারভার পত্রিকার মালিক।

ইভানকা ট্রাম্প: ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম স্ত্রী ইভানার মেয়ে, একই সঙ্গে বড় মেয়েও। প্রথম দিকে তিনি মডেলিং করলেও, এখন তিনি ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ট্রাম্পের রিয়েলিটি শো অ্যাপ্রেন্টিসের একজন বিচারক।

টিফান্নি ট্রাম্প: দ্বিতীয় স্ত্রী মারলা ম্যাপেলসের ঘরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় সন্তান। সাবেক অভিনেত্রী ও টিভি তারকা। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাকে খুব কমই দেখা গেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র: ইভানা আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় ছেলে, ইভানকা ট্রাম্পের ভাই। তিনি ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট। বিভিন্ন সময় প্রাণী শিকারের পর সেগুলোর সঙ্গে ছবি তুলে তিনি সমালোচনার শিকার হয়েছেন।

ভেনেসা ট্রাম্প: ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের স্ত্রী। ২০০৫ সালের তাদের বিয়ে হয়। এই দম্পতির পাঁচটি সন্তান রয়েছে। ছোটবেলায় তিনি মডেলিং করতেন।

কাই ট্রাম্প: ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র এবং ভেনেসা ট্রাম্পের বড় ছেলে। তার আরও চারজন ভাই বোন রয়েছে।

এরিক ট্রাম্প: ইভানা আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের তৃতীয় সন্তান। তিনিও ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি ট্রাম্প ওয়াইনারির প্রেসিডেন্ট এবং গলফ ক্লাবের দেখভাল করেন।

লারা ইয়োনাস্কা: এরিক ট্রাম্পের স্ত্রী। সাবেক টেলিভিশন প্রোডিউসার লারা ২০১৪ সালে এরিককে বিয়ে করেন। বিয়ের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ঘোড়ায় চড়তে গিয়ে তার দুই হাতের কজ্বি ভেঙ্গে যায়। যদিও তার স্বামীর বুনো প্রাণী শিকারের শখ রয়েছে, কিন্তু লারা প্রাণী রক্ষা বিষয়ক একজন আইনজীবী। তিনি ট্রাম্প ফাউন্ডেশনের সঙ্গেও জড়িত।

Advertisements
  1. কোন মন্তব্য নেই এখনও
  1. No trackbacks yet.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: