প্রথম পাতা > তথ্যপ্রযুক্তি > ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্ক থাকুন !

ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্ক থাকুন !

নভেম্বর 6, 2016 মন্তব্য দিন Go to comments

free-wifiবর্তমানে ফ্রি ওয়াইফাই জোনের এতটাই চাহিদা যে রেলস্টেশন, বিমানবন্দর থেকে শুরু করে বহু রেস্তোরাঁ এমনকি বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী সংস্থাও গ্রাহক টানতে এখন এর দ্বারস্থ হয়েছে। যার ফলে, এই সব স্থানে গেলে কোন পাসওয়ার্ড ছাড়াই বিনামূল্যে ‘ওয়াইফাই’ কানেক্ট করা যায়। মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে ‘ওয়াইফাই’ হল একটি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে মোবাইল বা ল্যাপটপে কোন বাড়তি ডিভাইস বা কেবল সংযোগ না লাগিয়েও ইন্টারনেট কানেকশন পাওয়া যায়। এমনকী, ‘ওয়াইফাই’ দিয়ে একটি ইন্টারনেট কানেকশনকে বহুজনে শেয়ার করে ব্যবহার করতে পারে। আর প্রযুক্তির এমন সুবিধাই বিপদ ডেকে আনতে পারে আপনার, যা অনুধাবন করা কঠিন। এজন্য সর্বস্ব হারানোর আগে সাবধান হওয়ারই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বহু জায়গায় ‘ওয়াইফাই’ কানেকশন বহুস্থানে ফ্রিতে পাওয়া যায়। কিন্তু, এইসব ‘ফ্রি ওয়াইফাই’ কানেকশনে কোন পাসওয়ার্ড তো থাকেই না, এমনকি এর রাউটারও অত্যন্ত নিম্নমানের হয়। ফলে, ‘ফ্রি ওয়াইফাই’এ কানেক্ট হওয়া স্মার্টফোন খুব সহজেই হ্যাক করা যায়। এমনকি ‘ফ্রি ওয়াইফাই’ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাংকের তথ্যাদি কাউকে পাঠাচ্ছেন, তাও খুব সহজেই একজন হ্যাকার দেখে ফেলতে পারে।

ওয়াইফাই’ নেটওয়ার্কের জন্য একটি ‘হটস্পট’ মেশিন লাগে। অধিকাংশ সময়ই দেখা যায় এই ‘হটস্পট’ মেশিনের ভাইরাস প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে না। ফলে, এই ‘হটস্পট’এর সঙ্গে সংযোগ থাকা মোবাইল বা ল্যাপটপেও সেই ভাইরাস ঢুকে যায়। এরমধ্যে এমন কিছু ভাইরাস থাকে যাদের কাজ হল ডিভাইসের ভিতর থেকে যাবতীয় তথ্য বের করে হ্যাকারকে পাঠিয়ে দেওয়া। বহু সময় পাবলিক ‘ওয়াইফাই’ জোনে নানা সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড লাগানো থাকে। যাতে এই ‘ওয়াইফাই’ জোনে স্মার্টফোন বা ল্যাপটপগুলোকে সাবধানে ব্যবহার করার জন্য সতর্ক করা হয়। কিন্তু অধিকাংশ সময়েই মানুষ এইসব সাইনবোর্ডকে পাত্তা দেয় না।

ফ্রি ওয়াইফাই’ জোনে একজনের স্মার্টফোন ব্যবহারকারী বা ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর ‘ডেটা কমিউনিকেশন’ পড়ে ফেলতে পারে অন্য কেউ। এছাড়াও, কোনভাবে হ্যাকাররা যদি মোবাইলে থাকা ব্যাংকিং ডিটেলস, যেমন অ্যাকাউন্ট নাম্বার, ডেবিট কার্ড নম্বর, পিন নম্বর, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পিন নম্বর পেয়ে যায়, তাহলে তখন মাথা চাপড়ানো ছাড়া উপায় থাকে না। তাই, সুরক্ষিত ‘ওয়াইফাই জোন’ ছাড়া কোথাও মোবাইল বা ল্যাপটপ কানেক্ট না করতেই পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisements
  1. কোন মন্তব্য নেই এখনও
  1. No trackbacks yet.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: