প্রথম পাতা > আন্তর্জাতিক, রাজনীতি > সন্ত্রাস লালনকারী পশ্চিমা বিশ্ব মসুল অভিযানে আন্তরিক নয়

সন্ত্রাস লালনকারী পশ্চিমা বিশ্ব মসুল অভিযানে আন্তরিক নয়

অক্টোবর 19, 2016 মন্তব্য দিন Go to comments

ইরাকিদের মসুল অভিযান অব্যাহত: মার্কিন ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা অনেকের

escape-corridor-for-isইরাকি সেনাবাহিনী উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের কবল থেকে মসুলের দক্ষিণাঞ্চল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। উত্তরাঞ্চলীয় নেইনাভা প্রদেশের কর্মকর্তারা গতকাল মসুলের দক্ষিণে ইরাকি বাহিনীর প্রবেশের খবর দিয়েছিলেন। এ ব্যাপারে ইরাক সরকারের মুখপাত্র আসাদ আল হাদিসে বলেছেন, সামরিক অভিযান চালিয়ে যতদ্রুত সম্ভব পুরো মসুল শহর দায়েশের কাছ থেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

গত সোমবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে মসুল উদ্ধার অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন। এর আগেও ইরাকের সেনাবাহিনী হাশত আল শাআবি ও কুর্দি পিশমার্গা স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর সহযোগিতায় দায়েশের দখলে থাকা অন্যান্য প্রদেশ মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। ইরাকের কর্মকর্তারা সেদেশের মাটি থেকে তাকফিরি দায়েশ সন্ত্রাসীদের চিরতরে নির্মূল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এদিকে, ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, মসুল উদ্ধার অভিযান মাসের পর মাস চলতে পারে। তার এ বক্তব্য থেকে পর্দার আড়ালে তাদের ভিন্ন লক্ষ্য উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, মসুল উদ্ধার অভিযান যদি দীর্ঘায়িত হয় এবং মার্কিন নেতৃত্বে দায়েশ বিরোধী কথিত জোটের ষড়যন্ত্র যদি বহাল থাকে তাহলে সন্ত্রাসীরা ইরাকের অন্য স্থানে এমনকি সিরিয়ায়ও পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে। এ ছাড়া, মসুল উদ্ধার অভিযান প্রলম্বিত হলে দায়েশ সন্ত্রাসীরা নতুন করে আরো বেশি সংগঠিত হতে পারবে। অন্যদিকে মসুলে সন্ত্রাসীদের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য পাশ্চাত্যের সরকারগুলোও ইরাক সেনাবাহিনীর প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করার সুযোগ পাবে।

বলা হচ্ছে, মার্কিন নেতৃত্বে দায়েশ বিরোধী কথিত জোট উত্তর ইরাক থেকে সিরিয়াগামী সব রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার দায়িত্ব নিয়েছে যাতে সন্ত্রাসীরা ওই পথ দিয়ে সিরিয়ায় পালিয়ে যেতে না পারে। কিন্তু দায়েশ সন্ত্রাসীদেরকে মসুল থেকে সরিয়ে সিরিয়ায় মোতায়েন করার ব্যাপারে আমেরিকা ও সৌদি আরবের মধ্যে গোপন চুক্তি হয়েছে বলে অন্য খবরে জানা গেছে।

আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, ইরাকের বিরুদ্ধে আমেরিকা গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্য একটি পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। ওই পরিকল্পনায় ধর্ম ও জাতি ভিত্তিতে ইরাকের নেইনাভা প্রদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করার কথা বলা হয়েছে। এর আগেও সন্ত্রাসীদের দমন করার কথা বলে ইরাকে মার্কিন সেনা উপস্থিতি বজায় রাখার পাশাপাশি সেদেশকে ভেঙ্গে তিন টুকরা করার পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে গিয়েছিল। এ সব ঘটনা থেকে ইরাকের ব্যাপারে মার্কিন যেকোনো তৎপরতা সন্দেহের সৃষ্টি করে।

যাই হোক বিশ্লেষকরা বলছেন, দায়েশের সমর্থক রাজতন্ত্র শাসিত কয়েকটি আরব দেশ ও পাশ্চাত্যের নানামুখী ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে ইরাকিদেরকে আরো বেশি সতর্ক থাকা জরুরী। এ কারণে ইরাকের কর্মকর্তারা সম্পূর্ণ নিজস্ব শক্তি সামর্থ্যের ওপর ভর করে দায়েশের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে নেমেছেন। এ পরিস্থিতিতে ইরাকিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দায়েশের কবল থেকে দ্রুত মসুল উদ্ধার করতে এবং সন্ত্রাসীদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পাশ্চাত্যের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্রঃ পার্স টুডে, ২০১৬১০১৯

পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো দায়েশের পক্ষ নিচ্ছে: ইরাকি প্রধানমন্ত্রী

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আলএবাদি বলেছেন,পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কিছু আরব সরকার উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের পাশবিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা এবং সমর্থন দিচ্ছে।

প্রতিবেশী এবং অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী হায়দার আলএবাদি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পারস্য উপসাগর উপকূলবর্তী দেশগুলো দায়েশ সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়েছে। এ সময় তিনি সৌদি আরবের নাম উল্লেখ করেন।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে এসব আরব রাষ্ট্র যে মদদ দিচ্ছে তা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ভালভাবেই জানে।

দায়েশের হুমকি মোকাবেলায় আরব দেশগুলোর অবহেলার বিরুদ্ধে সতর্ক করে দেন তিনি। এবাদি আরো বলেন, দায়েশের উত্থান রাতারাতি হয়নি; বরং আগে থেকেই কিছু দেশ তাদেরকে অর্থ এবং অস্ত্র দিয়ে সমর্থন দিয়েছে এবং হৃষ্টপুষ্ট করেছে।

তিনি বলেন, ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় মসুল দখলে নিতে দায়েশকে একই কায়দায় সমর্থন দিয়েছিল তারা। মসুল শহর দায়েশের কবল থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে গতকাল থেকে বড় ধরনের অভিযান শুরু হয়েছে বলে এর আগে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এবাদি।

সূত্রঃ পার্স টুডে, ২০১৬১০১৮

মসুলে চলছে অভিযান: পালিয়ে আসা দায়েশ সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে গভীরভাবে চিন্তিত ইউরোপ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিরাপত্তা বিষয়ক কমিশনার জুলিয়ান কিং সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ইরাকি সেনাবাহিনী উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের কবল থেকে মসুল শহর দখল করতে সক্ষম হলে ইউরোপকে দায়েশ সমর্থিত সন্ত্রাসীদের হামলা মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই কর্মকর্তা জার্মান দৈনিক ডে ওয়াল্টকে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেছেন, দায়েশ যদি ইরাকের মসুল শহর হাত ছাড়া করে তাহলে তারা সেখান থেকে পালিয়ে ইউরোপে গিয়ে তাদের সহিংস তৎপরতা চালাতে পারে। তিনি দায়েশের ইউরোপে আসার সম্ভাবনাকে অত্যন্ত বিপদজনক অভিহিত করে বলেন, এ অবস্থায় তাদের সহিংস কর্মকাণ্ড মোকাবেলার জন্য ইউরোপকে অবশ্যই প্রস্তুতি নিতে হবে।

ইরাকের সেনা ও স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী দায়েশের কবল থেকে মসুল শহর মুক্ত করার জন্য ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা নিজেদের নিরাপত্তার ভবিষ্যত অন্ধকার দেখতে পাচ্ছেন। কারণ দায়েশ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে যোগদানকারী ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা নিজ দেশে ফিরে গেলে সেখানেও তারা সহিংস কর্মকাণ্ড চালাতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্যারিসে এবং চলতি বছরের মার্চে ব্রাসেলসে ও জার্মানিতে বেশ কবার যে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে তাতে ইরাক থেকে পালিয়ে আসা দায়েশ সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন না হয়ে পারে না ইউরোপ।

ইউরোপের নিরাপত্তা কেন্দ্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই মহাদেশের হাজার হাজার নাগরিক দায়েশের মতো উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোতে যোগ দিয়েছে। এ ছাড়া, গত জানুয়ারিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পুলিশ বা ইউরোপোলএর প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ইরাক ও সিরিয়ায় তৎপর দায়েশ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে যারা যোগ দিয়েছে তাদের মধ্যে ৪৩০০ জন হচ্ছে ইউরোপের নাগরিক। ইউরোপের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা ও কর্মকর্তারা দায়েশ সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে খুব বেশি চিন্তিত পড়েছে। অথচ ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মতো ইউরোপের বৃহৎ দেশগুলো, আমেরিকা এবং তাদের মিত্র কয়েকটি আরব দেশ মিলে দায়েশ সৃষ্টি করেছে এবং তারাই ইরাক ও সিরিয়াকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

ইউরোপ বর্তমানে দুই ধরণের বিপদের সম্মুখীন। প্রথমত, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক ও সিরিয়া থেকে আসা লাখ লাখ শরণার্থীর ঢল সামলাতে হচ্ছে ইউরোপকে যা কিনা এ যাবতকালে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দ্বিতীয়ত, ইরাক ও সিরিয়ায় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে আসা ইউরোপীয় নাগরিকরা বিরাট আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে যারা কিনা ইউরোপে সন্ত্রাসবাদের বিস্তার ঘটাতে পারে। ইউরোপীয় দেশগুলো বিশেষ করে ফ্রান্স ভাবতেই পারেনি তারা এতদিন ধরে যে সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে লালন পালন ও সবরকম সাহায্য সহযোগিতা করে এসেছে তারাই এক সময় ইউরোপের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। বাস্তবতা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদের বীজ ইউরোপীয় সরকারগুলোই বপন করেছিল আজ তারই ফল ভোগ করতে হচ্ছে তাদেরকে।

অতীত অভিজ্ঞতাও দেখা গেছে, যে সরকারই সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে এক সময় এই সন্ত্রাসীরা তাদের জন্যই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইউরোপ মধ্যপ্রাচ্যে তৎপর সন্ত্রাসীদেরকে ভালো ও মন্দ এই দুই ভাগে ভাগ করেছে। এরই পরিণতিতে ইউরোপ আজ নিজ এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলার আশঙ্কায় চিন্তিত হয়ে পড়েছে। পাশ্চাত্য এবং আরব দেশগুলো দায়েশের মতো সন্ত্রাসীদের মোকাবেলার পরিবর্তে উল্টো তাদেরকে নিজ স্বার্থ পূরণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

যাই হোক, ইরাক ও সিরিয়ায় একের এক পরাজিত হওয়ার ফলে দায়েশের ইউরোপীয় নাগরিকরা নিজ দেশে ফিরতে শুরু করায় ইউরোপও অশান্ত হয়ে উঠতে পারে বলে অনেকেরই আশঙ্কা।

সূত্রঃ পার্স টুডে, ২০১৬১০১৮

মসুলের জিহাদিদের অর্ধেকই ইউরোপের মুসলিম

ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুল থেকে ইসলামিক স্টেটকে উৎখাতে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। সোমবার থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর বিমান হামলার সাহায্য নিয়ে ৩৪ হাজার ইরাকি সৈন্য, শিয়া মিলিশিয়া এবং পাঁচ হাজার কুর্দি যোদ্ধা চারদিক দিয়ে মসুলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে । তবে এই অভিযানের সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে ইউরোপ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিরাপত্তা বিষয়ক কমিশনার জুলিয়ান কিং জার্মান পত্রিকা ডি ভেলটকে দেয়া এক সাক্ষাৎকার বলেছেন, বিতাড়িত জিহাদিদের অনেকেই ইউরোপে ঢুকে পড়তে পারে।

তিনি বলেন, পালানো জিহাদিদের অল্প কিছু ঢুকলেও চরম হুমকি তৈরি হবে। আমাদের প্রস্তুত হতে হবে। বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য বলছে, মসুলে যে ৫ হাজারের মত আইএস যোদ্ধা রয়েছে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ইউরোপীয় মুসলিম রয়েছে। জুলিয়ান কিং বলেন, মসুলে ইউরোপীয় মুসলিম জিহাদিদের সংখ্যা কমবেশি আড়াই হাজার হতে পারে। তিনি বলেন, এরা সবাই যে পালিয়ে ইউরোপে ঢুকতে পারবে তা হয়ত নয়, কিন্তু অল্প কিছু ঢুকলেও বিপদ তৈরি হবে। মসুলে ১৫ লাখের মত বেসামরিক লোকের বসবাস রয়েছে।

জাতিসংঘ এবং অন্যান্য ত্রাণ সংস্থা সতর্ক করে বলছে, চলতি সামরিক অভিযানের ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহ বা মাসে ১০ লাখ লোক বাস্তচ্যুত হতে পারে। আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের আশঙ্কা, আইএস যোদ্ধারা বেসামরিক লোকজনকে মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার জন্য তাদেরকে আটকে রাখার চেষ্টা করবে। আবার অনেক যোদ্ধা বেসামরিক লোকজনের ছদ্মবেশে নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে। সেটাই ইউরোপের ভয়।

সন্ত্রাসীরা মসুল থেকে সিরিয়ায় গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: রাশিয়া

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম মসুল শহরে সামরিক অভিযানের ফলে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল বা দায়েশকে সিরিয়ায় পুনঃমোতায়েন করা হতে পারে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, যদি সিরিয়ায় এসব সন্ত্রাসীকে পুনর্বাসন করা হয় তবে মস্কো ‘রাজনৈতিক ও সামরিক’ সিদ্ধান্ত নেবে।

ল্যাভরভ বলেন, “আমি যতদূর জানি মসুল শহরকে পুরোপুরি ঘেরাও করা হয় নি। আমি আশা করি তারা এটি করতে পারেন নি বলে এমনটি হয়েছে; তারা করতে পারতেন না তা নয়। কিন্তু এ করিডর এই হুমকি তৈরি করেছে যে, দায়েশ সন্ত্রাসীরা এ করিডর দিয়ে মসুল থেকে নিরাপদে সিরিয়ায় পালিয়ে যেতে পারে। যদি এমনটি ঘটে তবে আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে রাজনৈতিক ও সামরিক সিদ্ধান্ত নেব। আমি আশা করি মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বিষয়টি বিবেচনায় নেবে।”

দায়েশ সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মসুল শহর পুনরুদ্ধারের জন্য গতকাল (সোমবার) থেকে ইরাকের সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি শিয়া, সুন্নি ও কুর্দি পেশমার্গা স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী অভিযান শুরু করেছে। রাশিয়ার রিয়া নভোস্তি বার্তা সংস্থা একটি অজ্ঞাত কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে খবর দিয়েছে, মসুল থেকে সিরিয়ায় যাওয়ার জন্য নিরাপদ রুট করে দেয়া হবেএমন শর্তে আমেরিকা ও সৌদি আরব মসুলে দায়েশবিরোধী অভিযান চালাতে দিতে রাজি হয়েছে।

সূত্রঃ পার্স টুডে, ২০১৬১০১৮

escape-corridor-to-syria

Advertisements
  1. কোন মন্তব্য নেই এখনও
  1. No trackbacks yet.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: