প্রথম পাতা > অপরাধ, আন্তর্জাতিক, ইতিহাস, ইসলাম, ধর্মীয়, রাজনীতি > এবার সৌদী ওয়াহহাবী মোল্লার মুখোশ উন্মোচন

এবার সৌদী ওয়াহহাবী মোল্লার মুখোশ উন্মোচন

এতোদিন পর্যন্ত এটা একটি গুপ্ত সন্দেহ ছিলো যে, হিংস্র স্বভাব ও নৃশংস আচরণে ইতিহাসকুখ্যাত আব্দুল ওয়াহহাব নজদীর মতাদর্শধারী মধ্যপ্রাচ্যের রাজন্যবর্গ বিশেষত সৌদী আরবের রাজা ও প্রজারা বিশ্বের অন্যান্য মুসলিমদের যারা ওয়াহহাবী মতাদর্শী (আক্বিদা ও আমলে) নয় তাদের বিদয়াতী, শিরক ও কুফরে নিমজ্জিত নামধারী মুসলমান মনে করে । আর শিয়াদের তারা অমুসলিমমনে করে থাকে যদিও প্রকাশ্যে তারা বলার সাহস পায় না । তবে এবার তাদের সেই মুখোশ খুলে পড়েছে । কোনোরকম রাখঢাক না রেখে সৌদী ওয়াহহাবী ফতোয়াবাজ গ্রান্ড মুফতি ইরানের শিয়াদের অমুসলিমবলে আখ্যা (ফতোয়া) দিয়েছে ।

ওয়াহহাবীদের তাকফিরী” (কাফের বলে আখ্যায়িত করার বদাভ্যাস) চিন্তাধারা আধুনিক মুসলিম বিশ্বে উগ্রপন্থার জন্ম দিয়েছে । শুধুমাত্র নিজেদের সহীহ মুসলিম মনে করে অন্যদের নীচু চোখে দেখা এমনকি কাফের বা মুরতাদ ঘোষণা দেয়া তাদের কল্লা কাটার মচ্ছবে ঝাঁপিয়ে পড়াতে উদ্ধুদ্ধ করে তোলে । শুধুমাত্র এই একটি ধর্মীয় উগ্রচিন্তা তাদেরকে সিরিয়া ও ইয়েমেনে শিয়াসমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে প্ররোচিত করে তুলেছে তাদের ফতোয়াবাজ মোল্লারা অমুসলিম শিয়াদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাকে জিহাদ হিসেবে গণ্য করছে । আর এই জিহাদের নামে সন্ত্রাসবাদের খাতায় নাম লেখাতে তাবৎ বিশ্ব থেকে বিভ্রান্ত মুসলিমরা সিরিয়া ও ইয়েমেনে যেয়ে ভীড় করছে ।

al-nusra-front-syriaশিয়াদের অমুসলিম মনে করলে এতোদিন তাহলে ইরানীদের হজ্জ্ব ও উমরা করতে দেয়া হয়েছে কেনো ? তাদের কেনো মুসলিম দেশভুক্ত বিভিন্ন সংস্থায় সদস্য পদ প্রদান করা হয়েছে ? এজন্য কি তাদের আল্লাহর কাছে জবাবদিহী করতে হবে না ?

মধ্যপ্রাচ্যে এই হিংস্র ওয়াহহাবী মতাদর্শে বিশ্বাসীরা নানা গোষ্ঠীর ব্যানারে কাজ করছে । যেমন, আলকায়েদা, আলনুছরা, আইসিস (অর্থাৎ দাওলাতুল ইসলাম), মুসলিম ব্রাদারহুড (ইখওয়ানুল মুসলিমীন), আহরার আলশাম, জঈশ আলফাতাহ, জঈশ আলনছর, জুন্দ আলআকসা, জাবহাত আলশাম, নুরুদ্দিন আলজিঙ্কি, ইত্যাদি । এসব সন্ত্রাসী গ্রুপদের পৃষ্ঠপোষকতায় (অর্থ, অস্ত্র, লোকবল, লজিষ্টক্স, ধর্মজ্ঞান, চিকিৎসা ও প্রাযুক্তিক সহায়তা, ইত্যাদি) আছে বিভিন্ন দেশ যেমন, সৌদী আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, সুদান, সোমালিয়া, জর্ডান, পাকিস্তান ও তুরস্ক । তিউনিশিয়া, মিসর ও আলজেরিয়া থেকে কিছু বিভ্রান্ত লোকজন এসব সন্ত্রাসবাদে জড়িত হয়ে গেছে রাষ্ট্রীয়ভাবে না হলেও ।

আমাদের দেশে এই হিংস্র মতবাদের অনুসারীরা হচ্ছে লামাযহাবী জামাতশিবির, আহলেহাদীস আন্দোলন, সালাফী, নব্য জেএমবি, আনসার আলইসলাম, ইত্যাদি । এদের সম্পর্কে সতর্ক থাকা সবিশেষ জরুরী ।

ইরানি শিয়ারা মুসলিম নয়: সৌদি গ্রান্ড মুফতি

mufti_abdul_aziz_al_sheikhইরানের শিয়ারা মুসলমান নয় দাবি করে তাদের অগ্নি উপাসক জরথ্রুস্টদের বংশধর আখ্যা দিয়েছেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি আবদুল আজিজ আলশায়খ।

সৌদির হজ ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করে গত বছর ভিড়ের মাঝে আহত হাজীদের হত্যার অভিযোগ করেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।

সোমবারের এ মন্তব্যের এর একদিন পর স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম মক্কা ডেইলির কাছে ইরানের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন সৌদি গ্রান্ড মুফতি। বুধবার এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।

মসজিদে আল হারামের প্রধান আবদুল আজিজ বলেন, সৌদিকে দোষারোপ করতে খামেনি যে চেষ্টা করেছেন তা আশ্চর্যজনক কিছু নয়। কারণ ইরানিরা অগ্নি উপাসকদের সন্তান। তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই বুঝতে হবে, ইরানি শিয়ারা মুসলমান নয়। তারা মেজাইয়ের (জরথ্রুস্ট দেবতা) বংশধর। ইসলামের সঙ্গে তাদের শত্রুতা প্রাচীন। বিশেষ করে বহু আগে থেকে সুন্নী মুসলমানদের শত্রু তারা।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে হজ চলাকালে ক্রেন ধস এবং পদপিষ্ট হয়ে ব্যাপক সংখ্যক হাজির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। রিয়াদের দাবি এতে মোট ৭৬৯ জন হাজী নিহত হয়েছেন। তবে বিভিন্ন দেশের হিসেবে এই সংখ্যা দুই হাজারেরও বেশি। যার মধ্যে চারশজনেরও বেশি ইরানি হাজী ছিলেন। গত বছরের ওই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার মুসলমানদের অন্যতম প্রধান এবাদদ হজ উদযাপনসহ পবিত্র দুই নগরী মক্কা ও মদিনায় সৌদি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মুসলিম বিশ্বের আপত্তি জানানো উচিত বলে মন্তব্য করেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। মঙ্গলবার তার এ বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন সৌদি গ্রান্ড মুফতি।   সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬

ওয়াহাবি আলেমরা ইসলাম বাদ দিয়ে ধর্মান্ধতা প্রচার করছেন: জারিফ

zarifসৌদি আরবের ওয়াহাবি আলেমরা ইসলামের পরিবর্তে উগ্রবাদের প্রচার ও প্রসার ঘটাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ। তিনি আরো বলেছেন, ইরানসহ বেশিরভাগ মুসলিম দেশে যে ইসলাম প্রচলিত রয়েছে তার সঙ্গে সৌদি ওয়াহাবিদের ইসলামের কোনো মিল নেই।

মঙ্গলবার নিজের টুইটার একাউন্টে লেখা এক বার্তায় জারিফ বলেছেন, “প্রকৃতপক্ষে; শীর্ষস্থানীয় ওয়াহাবি আলেম ও সৌদি সন্ত্রাসী ধর্মপ্রচারকরা যে ধর্মান্ধ উগ্রবাদ প্রচার করছেন তার সঙ্গে ইরানি ও বেশিরভাগ মুসলমানের ইসলামের কোনো মিল নেই।”

ইরানিরা মুসলমান নয়’ বলে একজন শীর্ষস্থানীয় ওয়াহাবি আলেম ফতোয়া দেয়ার পর জারিফ এ মন্তব্য করলেন।

সৌদি গ্রান্ড মুফতি শেখ আব্দুল আজিজ আশশায়খ সম্প্রতি একটি আরবি পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘ইরানিরা মুসলমান নয় এবং সুন্নিদের প্রতি তাদের গভীর বিদ্বেষ রয়েছে।’

গত বছরের হজ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে যারা ছিলেন তাদের সমালোচনা করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এ বছরের হজবাণী দেয়ার পর সৌদি মুফতি ওই ফতোয়া দিলেন। গত বছরের হজের সময় দু’টি মর্মান্তিক ঘটনায় হাজার হাজার হাজি প্রাণ হারান যাদের বেশিরভাগ ছিলেন ইরানি। সে ঘটনা স্মরণ করে যৌক্তিকভাবেই হজ ব্যবস্থাপনায় জড়িত সৌদি কর্মকর্তাদের সমালোচনা করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।

চলতি বছরের হজে ইরানি হজযাত্রীদের জীবনের নিরাপত্তা দেয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ। এ কারণে এ বছর কোনো হজযাত্রী পাঠায়নি ইরান।   সূত্রঃ পার্স টুডে, ২০১৬০৯০৭

হারামাইন শরিফাইনের খাদেম হওয়ার যোগ্যতা সৌদি শাসকদের নেই’

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেছেন, গত বছরের হজের সময় মিনা ট্র্যাজেডিতে একমাত্র ইরানই সৌদি সরকারের সমালোচনা করে কথা বলেছে। এ ইস্যুতে মানবাধিকার সংগঠনগুলো ও অন্য দেশগুলো নীরব থাকায় তার সমালোচনা করেন সর্বোচ্চ নেতা।

আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেন, “মুসলিম বিশ্বের এ ধরনের নীরবতা নৈতিক অধঃপতনের বড় কারণ। এটি মুসলিম বিশ্বের জন্য বিপর্যয়কর।” গত বছরের হজের সময় মিনা ট্র্যাজেডি ও পবিত্র মক্কায় ক্রেন ভেঙে হতাহত ইরানি হাজিদের পরিবারের সদস্যদেরকে দেয়া একা সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন সর্বোচ্চ নেতা।

তিনি আরো বলেনশুধু সরকারগুলো নয়, মুসলিম বিশ্বের বিশেষজ্ঞ, পণ্ডিত, রাজনৈতিক কর্মী ও অভিজাত লোকজনও হাজার হাজার হাজি শহীদ হওয়ার বিষয়ে মুখ বন্ধ করে রয়েছেন। মিনার ঘটনার মতো হৃদয়বিদারক ঘটনায় চুপ থাকাটাই হচ্ছে সত্যিকারের ট্র্যাজেডি।

অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, “সৌদি শাসকরা এতটাই নির্লজ্জ যে, যেসব দেশের হাজি নিহত হয়েছেন সেসব মুসলিম দেশের কাছে তারা মৌখিকভাবে ক্ষমা চাইতে পর্যন্ত অস্বীকার করেছেন।” গত বছরের ট্র্যাজেডিতে একথাও প্রমাণিত হয় যে, সৌদি শাসকরা মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে পবিত্রতম দুটি স্থানের খাদেম হওয়ার যোগ্য নন।

গত বছরের মিনা ট্র্যাজেডি ও ক্রেন ভেঙে পড়ার ঘটনায় শত শত হাজি নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে শুধু ইরানেরই ৪৬৫ জন হাজি রয়েছেন। কিন্তু সৌদি সরকার এ পর্যন্ত ৭৭০ জনের বেশি নিহতের কথা স্বীকার করে নি। তবে ইরান নিজস্ব তদন্তের আওতায় বলেছে, মিনা ট্রাজেডিতে মারা গেছেন ৪,৭০০ জন হাজি।

গত সোমবার হজবাণীতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামনেয়ী বলেছেন, গত বছরের মিনা ট্র্যাজেডি ও মক্কায় ক্রেন ভেঙে পড়ার দুটি ঘটনাই সৌদি শাসকরা দায়ী।    সূত্রঃ পার্স টুডে, ২০১৬০৯০৭

সৌদি অপরাধের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: ইরান

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি সৌদি সরকারের অপরাধের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে বর্বর অপরাধ সংঘটনের জন্য সৌদি শাসকদেরকে বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট রুহানি আজ (বুধবার) আরো বলেছেন, “মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বকে চলমান সংকট সমাধান এবং সৌদি সরকারকে শাস্তি দেয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে।” এ সময় তিনি সন্ত্রাসবাদের প্রতি সৌদি সরকারের সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন। রিয়াদ সরকার তার অপরাধযজ্ঞের মাধ্যমে ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেনে রক্তের নদী বইয়ে দিয়েছে বলেও প্রেসিডেন্ট রুহানি মন্তব্য করেন।

ইরানি প্রেসিডেন্ট তার বক্তব্যের অন্য জায়গায় গত বছর হজের সময় হাজিদের দেখাশুনা ও হজ ব্যবস্থাপনায় অদক্ষতা এবং অযোগ্যতার পরিচয় দেয়ায় সৌদি কর্তৃপক্ষকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন। তিনি পরিষ্কার করে বলেন, ইরানি হাজিদের রক্ত কখনো ইরানের সরকার ও জনগণ বৃথা যেতে দেবে না বরং ইরানের জনগণের অধিকার পুনর্বহাল করার জন্য আইনি ও রাজনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। চলতি বছর ইরানি মুসলমানদের পবিত্র হজে যেতে বাধা সৃষ্টি করায় তিনি সৌদি সরকারের নিন্দা জানান।   সূত্রঃ পার্স টুডে, ২০১৬০৯০৭

ইহুদিবাদ ও ওয়াহাবি মতবাদের ‘বিয়ে’ হয়েছে: বিশ্লেষক

catherine_shakdamসৌদি আরব হচ্ছে আজকের দিনের সমস্ত অপরাধ ও কুকর্মের উৎস। ইরানের প্রেস টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন লন্ডনভিত্তিক শাফাকনা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ক্যাথেরিন শাকদাম।

সৌদি অনুসৃত নীতি মধ্যপ্রাচ্যে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি সমস্ত অন্যায়অপরাধের উৎস হিসেবে সৌদি আরবকে চিহ্নিত করেছেন। সাক্ষাৎকারে শাকদাম বলেন, সৌদি শাসকরা মধ্যপ্রাচ্যের জনগণকে পরস্পরের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়েছেন যাতে তারা তাদের কর্তৃত্ব শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্য নয় বরং পুরো মুসলিম বিশ্বের ওপর চাপিয়ে দিতে পারেন। সৌদি আরব ওয়াহাবি মতবাদকে সারা বিশ্বের মুসলমানদের ওপর চাপিয়ে দিতে চায় কারণ তারা ধর্মের নামে জনগণের অধিকার হরণ করতে চায়।”

লন্ডনের এ বিশ্লেষক আরো বলেনইয়েমেন, বাহরাইন, সিরিয়া ও ইরাকসহ আরো অনেক দেশে সৌদি সরকার অমার্জনীয় গণহত্যা চালিয়েছে। তিনি মনে করেন, ওয়াহাবি মতবাদের নামে সৌদি রাজতান্ত্রিক সরকার বিভিন্ন দেশের জনগণের ওপর দমনপীড়ন চালাচ্ছে। এর প্রতিবাদে ইয়েমেনের হুথি আন্দোলন আজ সৌদি আরবের বিরুদ্ধে অনেকটা নিরস্ত্র অবস্থায় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে বলে মনে করেন শাকদাম।

সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি একে ইহুদিবাদ ও ওয়াহাবি মতবাদের ‘বিয়ে’ বলে উল্লেখ করেন। এই দুই শক্তি ফিলিস্তিনিদের জন্য আরো বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে যাচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সূত্রঃ পার্স টুডে, ২০১৬০৯০৬

Advertisements
  1. কোন মন্তব্য নেই এখনও
  1. No trackbacks yet.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: