প্রথম পাতা > অপরাধ, ইসলাম, ধর্মীয়, নারী, বাংলাদেশ, সমাজ, Uncategorized > নারী জঙ্গিদের নেপথ্যে জামায়াতের ইন্ধন !

নারী জঙ্গিদের নেপথ্যে জামায়াতের ইন্ধন !

terrorism-edn -artসৈয়দ আতিক : নিষিদ্ধ সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) নারী জঙ্গিদের নেপথ্যে জামায়াতের ইন্ধন রয়েছে। জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়া ইসলামী ছাত্রী সংস্থা এসব জঙ্গিকে সংগঠিত করছে। মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেফতার শিক্ষার্থী আকলিমা রহমান মনি জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য দিয়েছে। র‌্যাবের দায়িত্বশীল এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আকলিমা ইসলামী ছাত্রী সংস্থার মানারাত বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় দু’বছর সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করে। বিভিন্ন সময় সে আলোচিতসমালোচিত আহলে হাদিস নেতা আসাদুল্লাহ আল গালিবের বাসাতেও যেত। এ ছাড়া আকলিমা মানারাতের আরও দুই শিক্ষার্থীর জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার তথ্যও দিয়েছে।

চার নারী জঙ্গিকে গ্রেফতারের পর মিরপুর থানায় করা মামলাটি র‌্যাবই তদন্ত করবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বৃহস্পতিবার। গুরুত্বপূর্ণ এ মামলার তদন্তে ইতিমধ্যে আরও অনেকের নাম এসেছে। পাশাপাশি রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য দেয়া শুরু করেছে উচ্চশিক্ষিত চার নারী জঙ্গি।

রিমান্ডে আকলিমা র‌্যাবের গোয়েন্দাদের জানায়, নারী জঙ্গিরা পুরুষ জঙ্গিদের মতোই কোডনেম ব্যবহার করে। এই কোডনেমেই তারা গাজীপুরের সাইনবোর্ড এলাকার ‘হাজীর পুকুরে’ মিলিত হয়। আর সেখানে তাদের সঙ্গে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আসে দুই পাকিস্তানি নারী। এদের বয়ান শুনে নতুন ধারার জেএমবির নারী জঙ্গিরা দুই পাকিস্তানির হাতে হাত রাখে।

আকলিমা আরও জানায়, নারী জঙ্গিদের সবাই শিক্ষিত বা উচ্চশিক্ষিত। মানারাতে আরও জঙ্গি আছে। প্রাথমিকভাবে দু’জনের নামও বলেছে। আকলিমার তথ্য অনুযায়ী, তিন মাস আগে (পরপর দুই শুক্রবার) তারা ‘হাজীর পুকুরে’ মিলিত হয়। সেখানে তাদের নির্দেশনা দিতে তিন যুবকও আসে। তারা নারী জঙ্গিদের কাছে কিছু বইপত্রও দিয়ে যায়। আগেও তারা সেখানে একাধিকবার মিলিত হয়েছিল। বিশেষ করে জায়গাটি নিরাপদ হওয়ায় কোনো ঝুঁকি ছিল না। তাই হাজীর পুকুর এলাকার মসজিদে তারা জুমার নামাজ পড়ত। পরে জঙ্গি আনসার আলীর লাইব্রেরিতে বসে আলোচনা হতো তাদের।

আকলিমা আরও জানায়, হাজীর পুকুরে এক হওয়ার আগে তারা নিজেদের মধ্যে থ্রিমা অ্যাপসে যোগাযোগ করে। রাবেয়া বিনতে আজহার নামে এক নারী এসব কিছুর সমন্বয় করত। এই নারী সবাইকে অ্যাপসে দাওয়াত দিত। দিনতারিখ মোতাবেক শুক্রবার জুমার নামাজের আগেই তারা সেখানে হাজির হতো। এ রাবেয়াই সবাইকে আসল নামপরিচয় গোপন রাখার পরামর্শ দেয়।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রাবেয়া বিনতে আজহার হচ্ছে জামায়াতের আনুকূল্যে গড়া ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাংগঠনিক পর্যায়ের নেত্রী। রাবেয়ার হাত ধরেই আকলিমা ছাত্রী সংস্থায় যোগ দেয়। পরে সাংগঠনিক তৎপরতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃত্বে আসে। সে বাংলা, আরবি, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষা জানে। আরবি থেকে অনুবাদ করেও সে অন্যদের বোঝাত।

জিজ্ঞাসাবাদে আকলিমার বক্তব্যে উঠে আসে, গ্রেফতারের দুই সপ্তাহ আগে জামায়াতের এক নেতার স্ত্রীর সঙ্গে আকলিমা দেখা করে। রাবেয়া বিনতে আজহার তাকে সেখানে নিয়ে যায়। ইসলামী ছাত্রী সংস্থায় আকলিমার ‘বড় পদ’ পাওয়ার কথা ছিল। সে আইএসের দাবিক ম্যাগাজিন, অডিওভিডিও বার্তা, আইএস সংক্রান্ত নানা তথ্য নিজেদের মধ্যে আদানপ্রদান করত। আইএসের কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করতে ‘নিজ ফোরামে’ থাকা নারীদের ‘ছবক’ দিত। তাদের হাতে আপডেট ভিডিও পাঠানো হতো অ্যাপসে।

মানারাতের আরেক শিক্ষার্থী খাদিজা পারভীন মেঘলার তথ্য অনুযায়ী, রাবেয়া বিনতে আজহারের পরামর্শ মোতাবেক তাদের দলের মেয়েরা কোডনেমে সক্রিয় হয়। এদের মধ্যে কয়েকজনের নাম সে জানিয়েছে। যাদের একাধিক নাম রয়েছে। এরা হচ্ছেতানজিলা ওরফে মুন্নী, আলিয়া ওরফে তিন্নি ওরফে তিতলী, মনিরা জাহান ওরফে মিলি, ছাবিহা ওরফে মিতু, সাফিয়া ওরফে সানজিদা ওরফে ঝিনুক, মাইমুনা ওরফে মাহমুদা ওরফে লায়লা, তাসনুবা ওরফে তাহিরা, সায়লা ওরফে শাহিদা, সালেহা ওরফে পুতুল ও দিনাত জাহান ওরফে নওমী ওরফে বাণী।

এদের মধ্যে মুন্নী ও তিতলীর কাছে আইএস সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য থাকত। এছাড়া তালিকায় আছে গ্রেফতার জঙ্গি ডাক্তার ইসতিসনা আক্তার ঐশীর দুই মেডিকেল বন্ধু রাশেদা তানজুম হেনা ও তাসনীম নিশাদ। এদের সবাইকে জিহাদি বয়ান শোনাত পাকিস্তানি নাগরিক শাপুর ও বাংলাদেশী আমিনা বেগম। এরা নিজেদের দ্বীনি বোন বলে সম্বোধন করে। যারা সবাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ‘ব্লাড রোজ’ নামে এক গ্রুপের সদস্য। ধানমণ্ডির এক বাসাতেও তারা প্রায় মিলিত হতো। ডাক্তার ঐশী এ বাসায় অন্যদের নিয়ে আসত। এখানেও জিহাদি বয়ান শোনাত ওই দুই নারী। এদের সঙ্গে সুইটি নামে একটি মেয়ে আসে। র‌্যাব তাকেও খুঁজছে।

জানতে চাইলে র‌্যাবএর অধিনায়ক অ্যাডিশনাল ডিআইজি খন্দকার লুৎফুল কবীর যুগান্তরকে বলেন, জেএমবির নারী জঙ্গিদের নেপথ্যে জামায়াতের ইন্ধনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে জামায়াতের ছাত্রী সংস্থা থেকেই নারী জঙ্গি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, রিমান্ডে সবাই অকপটে সব স্বীকার করছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে, যা পরবর্তী অভিযানে কাজে লাগবে।

বিশ্বাস করতে পারছে না আকলিমার পরিবার : গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, আকলিমা জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িতএটা ভাবতেই পারছে না তার পরিবারের লোকজন। ১৫ আগস্ট রাতে গাজীপুরের সাইনবোর্ড এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। সে ওই এলাকার শহিদুর রহমানের মেয়ে।

বৃহস্পতিবার বিকালে তাদের বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যরা জানান, আকলিমা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার কারণে মিরপুরে এক মেসে সহপাঠীদের সঙ্গে থাকত। মাঝে মধ্যে বাড়িতে আসত। তবে কয়েকদিন ধরে বাড়িতেই ছিল। র‌্যাব ধরে নিয়ে যাওয়ার দিন পরিবারের লোকজন জানতে পারেননি কেন তাকে আটক করা হয়েছে। তবে গত দু’দিনে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও গণমাধ্যমে তার ছবি ও নাম দেখে জানতে পারে বিষয়টি। আকলিমাদের ১ ভাই ও চার বোনের সংসার। আকলিমা বোনদের মধ্যে সবার ছোট।

আকলিমার ভাবী নাজনিন আক্তার বলেন, আকলিমা খুব মেধাবী ছাত্রী। সে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে এটা এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। পরিবারের কেউই না। কীভাবে জঙ্গিবাদে জড়াল সেটিও বুঝতে পারছি না। তার মা ওমেদা বেগম, বাবা শহিদুর রহমান এ ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। হয়তো অসৎ সঙ্গীদের সান্নিধ্যে এসে সে খারাপ পথে চলে গেছে।

সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর, ১৯ আগস্ট, ২০১৬

সিরিয়ার আইএসের সঙ্গে কথা হতো ঐশীর

মুহাজিরা তালিকায় ১৭ নাম ব্যবহার হতো টর ব্রাউজার

manarat militants 9সৈয়দ আতিক : সিরিয়ায় আইএসের চিকিৎসক উম্মে শামসের সঙ্গে ঢাকায় গ্রেফতার নারী চিকিৎসক ইসতিসনা আক্তার ঐশীর যোগাযোগ ছিল। সামাজিক মাধ্যম ও অ্যাপসে দু’জনের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। একপর্যায়ে উম্মে শামসের কাছে একটি মুহাজিরা (নারী হিজরতকারী) তালিকা পাঠায় ডাক্তার ঐশী। এতে ছিল ১৭ জনের নাম। জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দাদের কাছে এসব তথ্য জানিয়েছে নতুন ধারার জেএমবির নারী ইউনিটের এ সদস্য।

দায়িত্বশীল এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রিমান্ডে থাকা চার উচ্চশিক্ষিত জঙ্গির অন্য তিনজনও সিরিয়ার ওই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ হওয়ার কথা স্বীকার করেছে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও সাতজনকে নজরদারিতে আনা হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে এবং বিশেষ স্থানে যোগাযোগের ক্ষেত্রে টর ব্রাউজার ব্যবহার করত ঐশী। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্যবহার করেও বিশ্বের নানা স্থানে (আইপি) সেটি ব্যবহার দেখানো যেত।

ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, ডাক্তার ঐশীসহ চার জঙ্গি বলেছে, উগ্রবাদে জড়িয়ে তারা ভুল পথে আসে। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগও চায় তারা। র‌্যাবের হেফাজতে অকপটে নারী জঙ্গি ইউনিটের আরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের নাম বলেছে ঐশী। জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও দুই নারী চিকিৎসকের নাম জানায়। তার মতোই উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে ওই দুই বন্ধু। এ দু’জন হলতানজুম হেনা ও তাসনীম নিশাদ।

চার নারী জঙ্গির তথ্য অনুযায়ী, নতুন ধারার জেএমবির দুই সদস্য মেহেদী ও ফারুকের মাধ্যমে তারা আইএস সংক্রান্ত বিষয়ে উদ্বুদ্ধ হয়। এক পর্যায়ে তাদের সঙ্গে মাহমুদুল হাসান তানভীর ও আনসার আলী নামে আরও দুই জঙ্গির পরিচয় হয়। এ চক্রের মাধ্যমে পাকিস্তানি নারী জঙ্গি প্রশিক্ষক শাপুর ও ঢাকার আমিনা বেগম তাদের ধর্মীয় ক্লাস নেয়। ধানমণ্ডির একটি বাড়ি ও গাজীপুরের সাইনবোর্ড এলাকার হাজিরপুকুরে শুক্রবার এ ক্লাস হতো। প্রায় তিন বছর ধরে এ গ্রুপটি ঢাকায় নারী জঙ্গি রিত্রুদ্ধট করে। আর এদের প্রধান হিসেবে কাজ করে রাবেয়া বিনতে আজহার নামে আরেক নারী। এরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধু নেটওয়ার্কের (একে অপরের পরিচিত) মাধ্যমে উগ্রপন্থী সদস্য সংগ্রহ করে।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সিরিয়ায় উম্মে শামসের কাছে মুজাহিরা তালিকায় যে ১৭ জনের নাম পাঠায় ঐশী, তাদের সবার সিরিয়া যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু র‌্যাবের হাতে গ্রেফতারের পর তা ভেস্তে যায়। ওই তালিকার অগ্রভাগে তারা চারজন ছিল। অন্যরা হলতানজিলা ওরফে মুন্নী, আলিয়া ওরফে তিন্নি ওরফে তিতলী, মনিরা জাহান ওরফে মিলি, ছাবিহা ওরফে মিতু, সাফিয়া ওরফে সানজিদা ওরফে ঝিনুক, মাইমুনা ওরফে মাহমুদা ওরফে লায়লা, তাসনুবা ওরফে তাহিরা, সায়লা ওরফে শাহিদা, সালেহা ওরফে পুতুল ও দিনাত জাহান ওরফে নওমী ওরফে বাণী, সুইটি, তানজুম হেনা ও তাসনীম নিশাদ। এদের কয়েকজন এখন র‌্যাবের নজরদারিতে রয়েছে।

রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্নি চিকিৎসক ইসতিসনা আক্তার ঐশী, মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী আকলিমা রহমান মনি, ইসরাত জাহান মৌসুমী (মৌ) ও খালেদা পারভীন মেঘলাকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এ সময় তাদের কাছ থেকে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জানার চেষ্টা করেন। একপর্যায় চার নারী জঙ্গি অকপটে সব তথ্যই দেয় গোয়েন্দাদের।

আকলিমা স্বীকার করে মিরপুর ও ধানমণ্ডি এলাকায় তাদের গ্রুপের অনেক সদস্যের বাড়ি আছে। এরা দাওয়াতি ও ইয়ানত (অর্থ সংগ্রহে) কাজ করছে। সে আরও জানায়, কেউ গ্রেফতার হওয়ার পরপরই নতুন ধারার জেএমবিতে নতুন কৌশলে কাজ শুরু করে নারী জঙ্গিরা। এ সময় তারা নিজ বাসা ছেড়ে ভিন্ন স্থানে বসবাস শুরু করে। এমনকি চালচলনও বদলে ফেলে।

জানতে চাইলে র‌্যাব৪ এর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি খন্দকার লুৎফুল কবীর যুগান্তরকে বলেন, চার নারী জঙ্গির কাছে পাওয়া তথ্যে কয়েকজনকে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এদের যে কোনো সময় গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তিনি বলেন, প্রাপ্ত তথ্যগুলো যাচাইবাছাই শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য তদন্তে কাজে লাগানো হচ্ছে।

সূত্রঃ দৈনিক যিগান্তর, ২১ আগস্ট ২০১৬

Advertisements
  1. কোন মন্তব্য নেই এখনও
  1. No trackbacks yet.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: