Archive

Archive for অগাষ্ট, 2016

মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ

অগাষ্ট 31, 2016 মন্তব্য দিন

tarkoমওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ সিরাজগঞ্জ জেলার তরুটিয়া গ্রামে ১৯০০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। হাই স্কুলে অধ্যয়নকালে তিনি খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন। কৃষক বিদ্রোহের নেতৃত্ব প্রদানের জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ছয় মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। তিনি উত্তর ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসায় শিক্ষালাভ করেন। লাহোরের এক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সেরা বাগ্মীর স্বীকৃতি লাভ করে তিনি ‘তর্কবাগীশ’ হিসেবে পরিচিত হন।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্রজনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে তিনি পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করে মুসলিম লীগ পার্লামেন্টারি পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৫৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং ওই বছর ১ জুন তিনি মুক্তিলাভ করেন। এরপর তিনি আওয়ামী মুসলিম লীগে যোগ দেন। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হিসেবে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি পাবনা২ আসন থেকে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে তিনি মুজিবনগরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেন। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি সভাপতিত্ব করেন। ১৯৭৬ সালের অক্টোবর মাসে তিনি গণ আজাদী লীগ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন এবং এ দলের সভাপতি নির্বাচিত হন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের জন্য ১৯৮৩ সালে তাঁর নেতৃত্বে ১৫টি রাজনৈতিক দলের জোট গঠিত হয়। মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন আপসহীন। ১৯৮৬ সালের ২০ আগস্ট ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। ২০০০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে।

মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ

(নভেম্বর ২৭, ১৯০০ আগস্ট ২০, ১৯৮৬)

tarkobagish protestসৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ : মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ হচ্ছেন সেই মহান বীর যিনি পাকিস্তান পার্লামেন্টে প্রথম বাংলায় বক্তৃতাকারী সিংহপুরুষ। একুশে ফেব্রুয়ারি হত্যাকান্ডের প্রথম প্রতিবাদকারী। আওয়ামীলীগের একটানা দশ বছরের সভাপতি।

তর্কাবগীশ ছিলেন একজন আজীবন সংগ্রামী মানুষ। একাধারে জাতীয় নেতা, বৃট্রিশ ববিরোধী আযাদী আন্দোলনের রক্তসিড়ি খ্যাত সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক, ঋণসালিশী বোর্ড প্রবতর্নের পথিকৃৎ, বর্গা আন্দোলনের অবিসংবাদিত কান্ডারী, হিন্দু জালেম জমিদার খেদাও আন্দোলনের পুরোধা। মহান ভাষা আন্দোলনের প্রাণপুরুষ, ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের বীরযোদ্ধা, দেশ ও জাতির প্রয়োজনে অকুতোভয় যোদ্ধা এবং আজীবন গণমানুষের নেতা। তিনিই প্রথম পাকিস্তান পার্লামেন্টে বাংলায় বক্তৃতাকারী বীর। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে প্রকাশ্য প্রতিবাদ করে একুশে ফেব্রুয়ারী পূর্ব পাকিস্তান গন পরিষদের সভা থেকে সদলবল অকাউট করেন । ১৯৫৬১৯৬৭ সাল পর্যন্ত একটানা দশ বছর মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কাবগীশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন।

তাঁকে কেন ভুলে গেল আওয়ামী লীগ। ভুলে গেল দলটির নেতাকর্মিরা। কারন, তিনি মাওলানা।

কেন তাকে ভুলে গেলেন আলেমরা। কেন মাদরাসার পাঠ্য বইয়ে স্কুল কলেজের মতো তাঁর জীবনী অনুপস্থিত। কারন, তিনি আওয়ামী লীগার।

কিছু যুগান্তকারী আবিষ্কার !

অগাষ্ট 31, 2016 মন্তব্য দিন

invention -1invention -2invention -3

পুষ্টিগুণঃ পেঁয়াজের পাতা

অগাষ্ট 31, 2016 মন্তব্য দিন

onion leaves

বিভাগ:স্বাস্থ্য

ধনী হতে চান? তাহলে পড়ুন…

অগাষ্ট 31, 2016 মন্তব্য দিন

getting rich formula

বিভাগ:জীবনযাপন

স্বাস্থ্য-কথাঃ মুখমন্ডলের থুতনী’র চামড়া ঝুলে পড়লে

অগাষ্ট 31, 2016 মন্তব্য দিন

double chin

‘আমি এখন মারা যাচ্ছি গুরু’ !

অগাষ্ট 31, 2016 মন্তব্য দিন

I am ready to die

২য় বিশ্বযুদ্ধের আত্মসমর্পণের দলীল স্বাক্ষর যেভাবে

অগাষ্ট 31, 2016 মন্তব্য দিন

WW-II surrender dociment