আর্কাইভ

Archive for মে, 2016

অবশেষে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্য উন্মোচন !

bermuda-triangle-mapবারমুডা ট্রায়াঙ্গেল একটি ভয়ঙ্কর স্থানের নাম। যা ‘শয়তানের ত্রিভূজ’ নামেও পরিচিত। এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি বিশেষ অঞ্চল। যেখান বেশ কিছু জাহাজ ও উড়োজাহাজ রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়।

পুয়ের্তো রিকো, মায়ামি এবং বারমুডাতিনদিকে এই তিনটি জায়গাকে রেখে যদি সরলরেখা টানা হয়, তাহলে সমুদ্রের উপরে যে ত্রিভূজ দাঁড়ায়, তাই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল হিসেবে পরিচিত।

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল স্থানটি ভয়ঙ্কর ও কুখ্যাত হয়ে আছে। কারণ ওই এলাকায় বহু জাহাজ এবং বিমান নিখোঁজ হয়েছে। সমুদ্রের তলদেশে বিশাল প্রাণি থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ, ঝড়বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল ঘিরে ছিল সীমাহীন রহস্য। এতো দিন এর সঙ্গে চলে এসেছে নানাবিধ ব্যাখ্যা।

কিন্তু এবার নরওয়ের আর্কটিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা সেই রহস্য উন্মোচন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁরা বলছেন, ‘ওই এলাকায় সমুদ্রের তলায় বড়মাপের বেশ কয়েকটি আগ্নেয়গিরির সন্ধান পাওয়া গেছে। সেই আগ্নেয়গিরি থেকে ক্রমাগত বেরিয়ে আসছে বিষাক্ত মিথেন গ্যাস। শুধু মিথেনই নয়। তার সঙ্গে বেরিয়ে আসছে আরও কয়েক ধরনের গ্যাস, যার অনেকগুলোই বিষাক্ত। ফলে ওই এলাকায় সমুদ্রে কোনো জলজ প্রাণিও নেই।’

গবেষকরা দাবি করেছেন, মিথেন সমুদ্র তলদেশ থেকে উঠে এসে সমুদ্রের জলকে ফুলিয়েফাঁপিয়ে তুলছে। মিথেনের চাদরে ঢেকে গিয়েছে গোটা এলাকা। উচ্চতা অন্তত ১৫০ ফিট। ফলে কোনো নাবিক বা পাইলটের পক্ষে চারপাশ দেখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই কারণেই একের পরে এক দুর্ঘটনা ঘটছে।

উৎসঃ জাগো নিউজ, ২২ মে ২০১৬

বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেল সম্পর্কে আট চমকপ্রদ তথ্য

আধুনিক যুগের অন্যতম বড় রহস্য বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেল। এটা উত্তর আটলান্তিক মহাসাগরের একটি ত্রিকোণ আকৃতির এলাকা। অসংখ্য মানুষ, বিমান, জাহাজ এই ত্রিকোণ রহস্যের মধ্যে পড়ে হারিয়ে গিয়েছে চিরতরে। এই অন্তর্ধানের সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বিজ্ঞানও। যা কারণ বলা হয়েছে, তার বেশির ভাগই অনুমান ভিত্তিক। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেল সম্পর্কে কিছু অবাক করা তথ্য।

# আটলান্তিক মহাসাগরের প্রায় ৪ লক্ষ ৪০ হাজার মাইল এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেল ।

# বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেলের কেন্দ্র কোনও নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ নয়। এই ট্রায়্যাঙ্গেলের বাইরেও এর রহস্যময় প্রভাব বহু বার অনুভূত হয়েছে।

# বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেলে হারিয়ে যাওয়া বিমান বা জাহাজের কোনও ধ্বংসাবশেষ আজ পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি।

# এই ত্রিকোণ রহস্যের মধ্যে পড়ে শেষ একশো বছরে অন্তত ১০০০ মানুষ হারিয়ে গিয়েছেন।

# অনেক মানুষ এখানে ‘বৈদ্যুতিন কুয়াশা’ও দেখেছেন বলে দাবি করেছেন। যার মধ্যে পড়ে একাধিক বিমানের র‌্যাডার সংযোগ বেশ কিছুক্ষণের জন্য বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন অনেক বিমানচালক।

flight-19# ১৯৪৫এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পাঁচটি মার্কিন বোমারু বিমান এই বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেলে পড়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। নিখোঁজ পাঁচটি বিমানের সন্ধানে আরও তিনটি বিমান পাঠানো হয়। ফোর্ট লডরডেলের বিমানঘাঁটিতে ফেরেনি এই বিমানগুলিও।

# ১৪৯২ সালে স্পেনীয় নাবিক এবং ভূপর্যটক ক্রিস্টোফার কলোম্বাস প্রথম এই বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গল সম্পর্কে লেখেন। তাঁর জাহাজের কম্পাসও বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেলে অকেজো হয়ে যায়। সে যাত্রায় কোনও ক্রমে উদ্ধার পান তিনি।

# অসংখ্য রহস্যে মোড়া এই বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গলকে ‘ডেভিল্‌স ট্রায়্যাঙ্গল’ও বলা হয়। বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেলে চৌম্বকীয় উত্তর দিকের পরিবর্তে প্রকৃত উত্তর দিক নির্দেশিত হয়, যা জাহাজের নাবিকদের বিভ্রান্ত করে।

নারী নির্যাতন ও আমাদের সমাজ

catherine rozarioক্যাথরিন রোজারিও : বাংলাদেশে আজ প্রতিনিয়ত নারীরা হচ্ছেন নির্যাতিত, ঘরে ও বাইরে সর্বক্ষেত্রে নারীরা শিকার হচ্ছেন লাঞ্চনার। সংবাদ পত্রের পাতা খুললেই কিংবা টেলিভিশনে চোখ রাখলেই দেখা যায় নারী নির্যাতনের বিভৎস চিত্র । এই সমাজে এসিড সন্ত্রাস, যৌতুক, ধর্ষণ, অপহরণ ঘটে চলেছে নির্বিঘ্নে। প্র্রকৃতপক্ষে নারীর গণতান্ত্রিক সকল অধিকার রক্ষা ও সর্বক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের, পাশাপাশি আপনার আমার সমাজের সর্বস্তরের সচেতন মানুষের।

কিন্তু এই দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন না হওয়ায় দুষ্কৃতিকারীদের পরোক্ষভাবে নারী নির্যাতনে উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে। এর জন্য দায়ী শুধু সরকার নয়, আমরা সকলেই। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মায়ামমতা, একের দুঃখে অন্যের দুঃখী হওয়া, নির্যাতিতের পাশে দাঁড়ানো, সংঘবদ্ধ হয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করার মতো মানবিক গুণ গুলো যেন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

পরিনামে আমাদের সমাজে প্রায়ই দেখা যায় ইভটিজিং এর ঘটনা, এর কারণে অনেক সময় ঘটছে আত্মহত্যার ঘটনা। নারী নির্যাতনের যে ভয়াবহ রূপটি ব্যক্তিগত ও সমাজ জীবনের ওপর মারাত্মক ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলে সেটি হচ্ছে শ্লীলতাহানী। দুষ্কৃতিকারীরা নারীদের শুধু ধর্ষণের মত ঘৃণিত কাজ করেই ক্ষান্ত হয় না, অনেকক্ষেত্রে নিষ্ঠুর নির্দয়ভাবে খুন করে।

এছাড়াও কখনো কখনো আপনজন দ্বারা নারী ধর্ষিত হচ্ছেন। লোক লজ্জার মুখে নিজের সম্ভ্রম হারিয়ে অনেক নারী এরপর জীবন বিসর্জন দিচ্ছেন বা ঘটনা ধামা চাপা দেওয়ার জন্য আপনজনেরাই নির্যাতিতকে হত্যা করছেন। বর্তমানে নারী নির্যাতন পরিবার ও সমাজে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। যৌতুকের জন্য, ফতোয়ার শিকার হয়ে, স্বামীর পরকীয়ার কারণে, ধর্ষণ কিংবা গণধর্ষণের শিকার হয়ে, শ্বশুর বাড়ীর অত্যাচারনির্যাতনে এ দেশের অনেক অসহায় নারীর প্রাণ চলে গেছে, এখনো যাচ্ছে।

অনেকক্ষেত্রে নারীরা নিজ পৈত্তিক পরিবারের কারনেও নির্যাতিত হচ্ছেন, অনেক কিছু পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে, পরিবারের মান রক্ষায় স্বামীর সংসার ভালবাসা সব কিছু বিসর্জন দিচ্ছেন।

এসব নৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা মানব সমাজকে পীড়া দেয়। মনুষ্যত্বের সঙ্গে নৈতিকতার সম্পর্ক বিদ্যমান। মানুষের জীবনের সাধনা হচ্ছে মনুষ্যত্ব অর্জনের চেষ্টা। মানুষের জীবনকে যথার্থ সৌন্দর্যময় ও সাফল্যমণ্ডিত করে তার নৈতিক মূল্যবোধ। কিন্তু দিন দিন নারী নির্যাতনের যে ভয়াবহ ব্যাধি আমাদের সমাজে বাসা বেঁধেছে, তাতে বর্তমান সমাজে নৈতিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ঘটছে।

হিংস্রতা, নির্মমতা, নিষ্ঠুরতা, অন্যায়ের প্রতিবাদ না করা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ স্থান করে নিয়েছে এবং পরিবার ও সমাজ এক চরম অস্থিরতার মধ্যে নিপতিত হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, যতদিন পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর সামগ্রিক সত্তার বিকাশ না ঘটবে এবং সেভাবে তাকে মূল্যায়ন না করা হবে ততদিন নারীর মুক্তি নেই।

শুধু সাধারণ মানুষ নয়, পুলিশ ছাড়াও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে অহরহ। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দ্বারা নারী নির্যাতনের ঘটনা নিঃসন্দেহে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। মানবাধিকার সংস্থা, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উদ্বেগ প্রকাশ করলেও দেশে এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে যেন দেখার কেউ নেই ।

বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীরা বেশী নির্যাতিত হচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। অধিকারের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০১৫ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৫৮ জন।

এর মধ্যে নারী ও শিশু সহ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭৬ জন, ধর্ষণের পর খুন হয়েছেন ২০ জন, ধর্ষণের পর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ২ জন।

২০১৪ সালে নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৬৬৬ জন, এর মধ্যে নারী ও শিশু সহ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২২৭ জন, ধর্ষণের পর খুন হয়েছেন ৬৬ জন, ধর্ষণের পর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ১২ জন।

২০১৩ সালে নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৮১৪ জন, এর মধ্যে নারী ও শিশু সহ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৩৬ জন, ধর্ষণের পর খুন হয়েছেন ৭১ জন,ধর্ষণের পর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ৬ জন।

২০১২ সালে নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৮০৫ জন, এর মধ্যে নারী ও শিশু সহ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৯৭ জন, ধর্ষণের পর খুন হয়েছেন ৭৫ জন,ধর্ষণের পর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ১০ জন।

২০১১ সালে নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৭১১ জন, এর মধ্যে নারী ও শিশু সহ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৩৯ জন, ধর্ষণের পর খুন হয়েছেন ৯০ জন, ধর্ষণের পর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ১৩ জন।

২০১০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৫৫৯ জন, এর মধ্যে নারী ও শিশু সহ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২১৪ জন, ধর্ষণের পর খুন হয়েছেন ৯১ জন, ধর্ষণের পর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ৭ জন। এখানে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় নারী নির্যাতনের সংবাদ আসলে খুব কম সংখ্যকই সংবাদ মাধ্যমে আসে ।

শুধু নারী নির্যাতন নয়, স্থানীয় প্রভাবশালীদের কারণে অনেক সংবাদ জনগণের আড়ালেই থাকে, ধামাচাপা পরে যায়। আবার নারী নির্যাতনের অনেক ঘটনা লোকলজ্জার ভয়ে আড়াল হয়ে যায়। আমরা আসলে গণমাধ্যমের কল্যাণে যা দেখি, তা প্রকৃতপক্ষে খুবই সীমিত অংশ। যতোই দিন যাচ্ছে সমাজের কিছু বিপথগামী মানুষের জন্য, নারী নির্যাতনের এসব অন্যায় কর্মকাণ্ড বেড়েই চলছে।

আর যার প্রভাব পড়ছে গোটা দেশবাসীর ওপর। দেশ ও জাতির কল্যাণের স্বার্থে সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় দূর করার উদ্যোগ গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।

অপরদিকে, মানুষের নৈতিক আদর্শ ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের মূল স্তম্ভ হচ্ছে পরিবার । নারী নির্যাতন সহ সমাজের অবক্ষয় রোধে পরিবারের ভূমিকার কোনো তুলনা হয় না। নারী নির্যাতন রোধে একমাত্র পরিবারই সবচেয়ে বেশী ভুমিকা রাখতে পারে।

এক্ষেত্রে পরিবারগুলোকে তার অন্তর্নিহিত শক্তি দিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। প্রকৃতপক্ষে, বর্তমান সমাজে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার আধিপত্য সত্ত্বেও পারিবারিক শিক্ষাই শিশুর আচারব্যবহার, মনমানসিকতা, সামাজিকীকরণ ও চরিত্র গঠনে প্রধান ভুমিকা পালন করে থাকে। তাই নারী নির্যাতন রোধে সবার আগে আমাদের সমাজের প্রচলিত ভুল রীতিনীতিগুলো পরিবর্তন করতে হবে এবং নারীদের প্রতি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাতে হবে। সমাজে নারীকে মানুষ হিসেবে এবং সংসারে নারীকে সম অংশিদারিত্বের মর্যাদা দিতে হবে।

এসব মূল্যবোধ জাগ্রত হলে নারী নির্যাতন উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমিয়ে আনা সম্ভব।

লেখক : ক্যাথরিন রোজারিও, সাংবাদিক ও কলাম লেখক।

সূত্রঃ দৈনিক ভোরের কাগজ, ২৮ মে ২০১৬

ড কুদরাত-ই-খুদা’র সংক্ষিপ্ত জীবনী

kudrat-e-khuda

লেবুর নানাবিধ উপকারিতা

lemon benefits

হৃদরোগ প্রতিরোধে চাই সচেতনতা

heart disease consciousness

কার্টুন-রঙ্গঃ মানুষ কি ভাবে আর আসলে তা কি?

reality-check-1reality-check-2reality-check-3reality-check-4

বিভাগ:কৌতুক, সমাজ

সংবাদপত্র ছাড়া এ যুগে সচেতন নাগরিক জীবন অচল

newspapers have no alternative