আর্কাইভ

Archive for সেপ্টেম্বর, 2015

সচিত্র ঈদুল আযহা ২০১৫ঃ ফ্যাশন ও খাবার-দাবার

সেপ্টেম্বর 22, 2015 মন্তব্য দিন

eid-fashion

eid-recipe-pic

eid-recipe-3a

eid-recipe-3b

eid-recipe-1

be_clever

benefits from eid

 

সচিত্র ঈদুল আযহা ২০১৫ঃ ঘরে ফেরার মিছিল

সেপ্টেম্বর 22, 2015 মন্তব্য দিন

goodbye-welcome

returning home for eid

rail-ticket-kamlapur

eid-train-tickets-2015

train-journey-4

Launch-full

BRTA-eid-notice

 

সচিত্র ঈদুল আযহা ২০১৫ঃ টিভি বিনোদনের মচ্ছব

সেপ্টেম্বর 22, 2015 মন্তব্য দিন

eid-tv-programs-2

eid-tv-programs-1

eid-tv-programs-5

eid-tv-programs-6

 

সচিত্র ঈদুল আযহা ২০১৫ঃ বিবিধ বিষয়াবলী

সেপ্টেম্বর 22, 2015 মন্তব্য দিন

hogla-mat

wooden-stock

spice-prices-up

knives-on-sale

blacksmiths_busy

skincare-notice

সচিত্র ঈদুল আযহা ২০১৫ঃ অনলাইনে গরু বিক্রী

সেপ্টেম্বর 22, 2015 মন্তব্য দিন

cows8-art

cows-selling-online-4

cows-selling-online-2

cows-selling-online-1

cows-selling-online-3

cow_sale-fb

cow-selfie-2

selfie-with-cow

সচিত্র ঈদুল আযহা ২০১৫ঃ গরুর হাট

সেপ্টেম্বর 22, 2015 মন্তব্য দিন

cow-haat-ad2cow-haat-ad2

cow-haat-ad1cow-haat-ad1

qurbani-cows-4

police-chandabazi-it190915

qurbani-cows-1

qurbani-cows-5

gabtoli-camel-sale

selling-bone

cow-poem

cow-injection

cow-pullers

cows-taken-away

dead1

smaller-cows-in-demand

rent-down

waiting-last-moment-price-drop

শিশু মৃত্যু প্রতিরোধী টিকা উদ্ভাবনে বিল গেইটসের অর্থ দান

সেপ্টেম্বর 21, 2015 মন্তব্য দিন

মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের অন্যতম। তাঁর জন্ম ১৯৫৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও তিনি পড়াশোনা ছেড়ে দেন এবং মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন। ফেব্রুয়ারি ২০১৪ সালে তিনি মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে জনকল্যাণমূলক নানা কাজে যুক্ত আছেন। ২০১৫ সালের ২৭ জানুয়ারি জার্মানির বার্লিন শহরে ‘গ্যাভি প্লেজিং কনফারেন্স’এ তিনি এই বক্তৃতা করেন।

আগামী পৃথিবীর জন্য

বিল গেটস

আজকের এই সম্মেলনে এসে আমার সেই দিনটির কথা মনে পড়ছে, যেদিন মেলিন্ডা আর আমার সামনে বিশ্ব জুড়ে স্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে বৈষম্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। আমরা খবরের কাগজে একটি প্রবন্ধ পড়ছিলাম, যাতে পৃথিবীতে শিশু মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণগুলো তুলে ধরা হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ছিল রোটাভাইরাস নামের একটি রোগ, যা শিশুদের মারাত্মক ডায়রিয়ার অন্যতম কারণ।bill_gates_on-disease-1

মেলিন্ডা আর আমি কখনো এ রোগের নামও শুনিনি। আমরা জেনে অবাক হয়ে গেলাম যে প্রায় অঞ্চলেই এর প্রাদুর্ভাব আছে, কিন্তু শুধু দরিদ্র দেশের শিশুদের ক্ষেত্রেই এটি মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা আরও জানলাম, এর প্রতিরোধে একটি ভ্যাকসিন আবিষ্কারের কাজ চলছে, যা শিগগিরই আলোর মুখ দেখবে। প্রতি বছর লাখ লাখ শিশুর জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।
আমাদের মনে হচ্ছিল
, নষ্ট করার জন্য এক মুহূর্তও হাতে নেই। আমরা ঠিক করলাম আমাদের ফাউন্ডেশনের কাজ শুরু করব এবং গ্যাভি (জিএভিআই) নামে নতুন একটি সংস্থায় বিনিয়োগ করব।

অবশেষে রোটাভাইরাসের কারণে মৃত্যুর হার কমতে শুরু করেছে। চার বছর আগে গ্যাভি সম্মেলনের পর ৩০টি দেশ, যেগুলো গ্যাভি থেকে সহায়তা পেয়ে থাকে, তারা এই ভ্যাকসিনটিকে তাদের প্রচলিত টিকাদান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করেছে। আর আজ এখানে বলা হচ্ছে, গ্যাভি থেকে সহায়তাপ্রাপ্ত দেশগুলোতে প্রতি ১০ জন শিশুর মধ্যে ৭ জন ২০২০ সালের মধ্যে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় রোটাভাইরাস ভ্যাকসিনের শেষ ডোজটি গ্রহণ করবে।

এই অভাবনীয় সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে দাতা সরকারগুলোর সহযোগিতা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও বিশ্বব্যাংকের দূরদৃষ্টি এবং অন্যান্য সংস্থার অংশগ্রহণ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন উন্নয়নশীল দেশগুলোর নেতারা।

গ্যাভি প্রতিষ্ঠার পেছনের সমীকরণটি খুব জটিল কিছু ছিল না। সরকার, বেসরকারি খাত, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সুশীল সমাজের উদ্যোগ, সম্পদ ও দক্ষতাকে একই সরলরেখায় নিয়ে আসা, যাতে সবার প্রচেষ্টার একটি সমন্বিত ফল পাওয়া সম্ভব হয়। এর ফলে তারা অবিশ্বাস্য কম দামে ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে পারছে। এ ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তারা নিজেরাই নেতৃত্ব দিয়ে নিজেদের উপযোগী, টেকসই টিকাদান কর্মসূচি গড়ে তুলেছে।bill_gates_on-disease

গত ১৫ বছরে আমরা ভ্যাকসিন উদ্ভাবন ও প্রস্তুতকরণ নিয়ে অনেক কিছু শিখেছি। সব শিশুর কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার পথে চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কেও আমরা অনেক কিছু জানতে পেরেছি। ভ্যাকসিনের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হলে আমাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যেসব উদ্যোগ এ পর্যন্ত ভালো ফল দিয়েছে, সেগুলোর ওপর যেমন জোর দিতে হবে, তেমনি যেসব বাধা আমাদের সাফল্যের গতি ব্যাহত করে রেখেছে, সেগুলো দূর করার জন্য নতুন উপায় বের করতে হবে।

রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও বিনিয়োগের সমর্থন নিয়ে বাংলাদেশ, রুয়ান্ডা ও তাঞ্জানিয়ার মতো দেশগুলো টেকসই টিকাদানব্যবস্থা গড়ে তোলায় পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করছে। তাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি। ঘানা এ ধরনের কাজে সাফল্য পরিমাপের জন্য তথ্যনির্ভর চমৎকার ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, যা প্রতিটি স্তরে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দারুণভাবে সহায়তা করছে। আমি ২০১৩ সালে সেখানে গিয়ে এটা দেখেছি।

ভারতসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে স্থাপিত অত্যাধুনিক ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন উৎপাদন সম্ভব করেছে। নাইজেরিয়ার মতো দেশগুলোতে সৌরচালিত রেফ্রিজারেটর ভ্যাকসিনের নিরাপদ মজুত নিশ্চিত করেছে, যার ফলে আমাদের পক্ষে আরও বেশিসংখ্যক শিশুর কাছে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।

এটা সত্যি যে প্রযুক্তি নিজে থেকে ভ্যাকসিনের সহজলভ্যতা বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু স্বাস্থ্যকর্মীদের হাতে যখন নতুন ও অধিকতর কার্যকর প্রযুক্তি পৌঁছে যায় এবং তারা তা ব্যবহার করে নতুনভাবে কাজ করতে শুরু করে, তা আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। এ পর্যন্ত যেসব অনুকরণীয় উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে এবং যেসব পাইলট প্রকল্প সফল হয়েছে, আমরা সেগুলো আগামী পাঁচ বছরে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ শুরু করব। এর ফলে সবার হাতের নাগালে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যের দিকে আমরা অনেকগুলো ধাপ এগিয়ে যাব।Bill-Gates-on-MOOCs-and-global-public-health

আমরা ১৫ বছর আগে এক বিরাট ঝুঁকি নিয়ে আমাদের ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। আমাদের বিশ্বাস ছিল, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য খাতে নতুন উদ্ভাবনগুলোকে সহায়তা করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করা সম্ভব। আজ পেছনে তাকিয়ে এ পর্যন্ত অর্জিত সাফল্যগুলো দেখলে মনে হয়, পৃথিবীতে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সমতা অর্জন করা অসম্ভব কোনো লক্ষ্য নয়। এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ হচ্ছে পাঁচ বছরের নিচে শিশুমৃত্যুর হার এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে। এর পেছনে ভ্যাকসিনের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এই সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে আমরা আগামী ১৫ বছরের জন্য আরও উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, ১৫ বছরে দরিদ্র দেশগুলোর অধিবাসীদের জীবনযাত্রার মানের এত দ্রুত উন্নয়ন হবে, যা এর আগে কখনো হয়নি। এর জন্য ভ্যাকসিন সহজলভ্য হওয়ার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দারিদ্র্যমুক্ত পৃথিবী গড়ে তুলতে হলে প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় নিয়ে আসার কোনো বিকল্প নেই। আমরা এমন একটি পৃথিবী চাই, যেখানে মা ও শিশুদের প্রতিরোধযোগ্য কোনো কারণ বা রোগে আর মৃত্যুবরণ করতে হবে না, যে পৃথিবীতে শিশুরা শুধু কোনোমতে বেঁচে থাকবে না, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে বেড়ে উঠবে।

আমরা আগামী দিনের যে সুন্দর, বাসযোগ্য পৃথিবীর স্বপ্ন দেখি, তাকে বাস্তবে পরিণত করতে হবে। এই কাজটি সহজ নয়। এর জন্য সরকারের প্রতিটি পর্যায়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন, অর্থ প্রয়োজন, দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর এক বিশাল বাহিনী প্রয়োজন, ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত জোগান প্রয়োজন এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি, গ্যাভি গত ১৫ বছরে যত জীবন বাঁচাতে সক্ষম হয়েছে, আমাদের আজকের বিনিয়োগের ফলে আগামী ১৫ বছরেও প্রায় তত জীবন রক্ষা পাবে।bill_gates-donation

সূত্র: www.gatesfoundation.org ইংরেজি থেকে অনুবাদ: অঞ্জলি সরকার