প্রথম পাতা > আন্তর্জাতিক, ইসলাম, ধর্মীয়, সমাজ > মিশরে ভয়াবহ যৌন নিপীড়ন

মিশরে ভয়াবহ যৌন নিপীড়ন

পুরনো খবর কিন্তু বাংলাদেশে সাম্প্রতিক কালে ঘটে যাওয়া (অ)ঘটনার প্রেক্ষাপটে বাসি খবর উপস্থাপন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলাম ।

মানবজমিন ডেস্ক: মিশরে এখন নারীদেরকে যৌন হয়রানি মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। মিশরের নারীরা এখন একাকী বা নারী সহযোগীদের সঙ্গে বাড়ির বাইরে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন। মিশরের নারী অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারীরা বলছেন যৌন হয়রানির সমস্যাটা এখন মহামারী আকারই ধারণ করেছে। গত তিন মাসে সেখানে ধরনের সমস্যা বেড়ে গেছে বলে তারা দাবি করছেন। মিশরের অনেক নারীর মতেই যৌন হয়রানির বিষয়টি মিশরে এখন নিত্য নৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধরনের হয়রানির ঘটনা কখনও কখনও চরম আকার ধারণ করে সহিংস হামলার রূপ ধারণ করে। বিবিসি জানিয়েছে গত শীতে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়াতে একজন নারী একদল পুরুষের হাতে নিপীড়নের শিকার হয়েছিল। ওই ঘটনার একটি ভিডি ফুটেজে দেখা গেছে ওই নারীকে কয়েকজন পুরুষ টেনে কাঁধে তুলে নিচ্ছে এবং অন্যরা তাকে টেনেহিঁচড়ে নামাচ্ছে। জনতার হৈচৈয়ের মধ্যে হামলার শিকার ওই নারীর চিৎকার চাপা পড়ে যাচ্ছে। অবস্থা দেখে কোন ভাবেই বোঝার উপায় নেই যে, কে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে আর কে তার ওপর হামলে পড়ছে। এটি নারীদের ওপর যৌন নিপীড়নের চরম অবস্থা হলেও সমীক্ষায় দেখা গেছে, মিশরের প্রত্যেক নারীই প্রতিদিন কোন না কোন ভাবে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

egypt-women-teasing

মারওয়া নামের এক তরুণী বলেছেন, বাড়ির বাইরে গেলে তিনি শারীরিক বা মৌখিক ভাবে নিপীড়নের শিকার হন। তিনি বলেছেন, কারণে সব সময় তিনি ভীতসন্ত্রস্ত থাকেন। মারওয়া বলেন, একজন নারী হিসেবে সব সময়ই বিষয়টি আমাকে আতঙ্কে রাখে। যখনই আমি বাড়ির বাইরে যাই, রাস্তায় হাঁটি তখনই কেউ না কেউ আমাকে নিপীড়ন বা বিরক্ত করবে। কারণে সব সময়ই আমি ভয়ে থাকি। কারণ আমি বাড়ির বাইরে বের হওয়া কমিয়ে দিয়েছি। পোশাক পরার ক্ষেত্রে আমি এখন অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করি। মানুষকে আকর্ষিত করতে পারে এমন ধরনের কাপড় পরা আমি এড়িয়ে চলি।

বাড়ির বাইরে ছেলেদের হয়রানি এড়াতে মিশরের নারীরা ঢিলেঢালা পোশাকের পাশাপাশি মাথায় স্কার্ফ ব্যবহার করছেন। কিন্তু মিশরের নারী অধিকার রক্ষাকারী সংগঠন ইজিপ্ট গার্লস আর রেড লাইনএর দীনা ফরিদ বলেছেন ধরনের রক্ষণশীল পোশাকও তাদের নিরাপত্তা দিতে পারছে না। তিনি বলেছেন চেহারা আড়াল করতে যারা হিজাব ব্যবহার করছেন তারাও যৌন হয়রানির টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন। আসলে রক্ষণশীল পোশাক যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কোন ভূমিকাই রাখছে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। কারণ মিশরের বেশির ভাগ নারীই পর্দা ব্যবহার করেন। অথচ তারা প্রতিনিয়তই যৌন হযরানির শিকার হচ্ছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে যেসব নারী বা তরুণী যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন তাদের বেশির ভাগই নিকাব দিয়ে নিজেদেরকে আড়াল করে রেখেছিলেন।

২০০৮ সালে ইজিপ্টশিয়ান সেন্টার ফর উইমেন রাইট পরিচালিত এক সমীক্ষাতে দেখা গেছে ৮০ ভাগ নারীই কোন না কোন ভাবে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আর ধরনের হয়রানির শিকার অধিকাংশ নারীই ইসলামিক অনুশাসন মেনে হিজাব পরিধান করছেন। কায়রোর আমেরিকান ইউনিভার্সির একজন সমাজবিজ্ঞানি সাঈদ সাদেক বলেছেন মিশরের সমাজের গভীরেই সমস্যার মূল গ্রোথিত রয়েছে। তিনি বলেছেন, এর মূলে রয়েছে ইসলামিক রক্ষণশীলতার মনোভাব এবং পিতৃতান্ত্রিক আচরণের সংমিশ্রণ। তিনি বলেন, ইসলামী মৌলবাদের উত্তান ঘটছে আর তারা এখন নারীদেরকেই তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছেন। তারা চাইছেন নারীরা ঘরেই বসে থাক। বাইরে কাজ করার জন্য তারা যেন বের না হন। তিনি বলেন পিতৃতান্ত্রিক সংস্কৃতি নারীদেরকে পুরুষদের চেয়ে উঁচু স্থানে থাকার বিষয়টি মেনে নিতে পারছে না। কারণ, কিছু কিছু নারী নিজেদের শিক্ষাকর্মদক্ষতা আর যোগ্যতার বলে পুরুষদের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই এক্ষেত্রে নারীদের দমিয়ে রাখার উপায় হচ্ছে যে কোন ভাবে তাদের ওপর যৌন হয়রানি করা। সাদেক বলেন এটা ফারাওদের সংস্কৃতি নয়। এটা বেদুঈনদের সংস্কৃতি।

সাঈদ সাদেক এবং নারী অধিকার সংগঠনগুলো ধরনের প্রবণতা বৃদ্ধির পেছনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দুর্বলতাকেও দায়ী করেছেন। তারা বলছেন, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে আরও জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে নারীদের পোশাকের জন্য তাদেরকে নিপীড়নের শিকার হতে হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। আর নিপীড়নকারীদের মধ্যে টিনেজারদের সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারীদের নিপীড়নের ব্যাপারে কায়রোর একদল টিনেজার জানিয়েছেন নারীরাই তাদেরকে নিপীড়ন করতে ছেলেদেরকে প্রলুব্ধ করে। তারা বলেছে মেয়েরা যদি সম্মানজনকভাবে পোশাক পরে তাহলে কেউই তাদেরকে বিরক্ত করবে না। নারীরাই চাইছে তাদেরকে বিরক্ত করা হোক। এমনকি নিকাব পরা মেয়েরাও নিজেদের পেছনে ছেলেদের ঘোরাতে পছন্দ করে। এজন্য অবশ্য ছেলেদেরকে পুরোপুরি দোষারোপ করা যায় না। কারণ, টাইট জিন্স পরে নেকাব ব্যবহারকারী নারী আর শালীন পোশাকের সঙ্গে হিজাব ব্যবহারকারী নারীদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যে নারীরা টাইট জিন্স পরে আবার নেকাব ব্যবহার করে তাদের তো হয়রানি প্রাপ্যই বলা চলে।

মিশর সরকার অবশ্য বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার কথা জানিয়েছে। তবে নারী অধিকার রক্ষাকারী সংগঠনগুলো দাবি করেছে সরকার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করছে না। তবে সচেতন নারীদের অনেকেই বিষয়টিকে তাদের স্বাধীনতার পরিপন্থি বলে উল্লেখ করেছেন। মিশরের একজন নারী যেমন বলছিলেন আমি নিরাপদে একজন মানুষ হিসেবে রাস্তায় হাঁটতে চাই। আমাকে যেন কেউ বিব্রত বা হয়রানি করতে না পারে। এটাই হচ্ছে আমার স্বাধীনতা।

http://www.mzamin.com Sep 6, 2012

প্রিয় পুরুষ, আপনাকেই বলছি

হাবীবাহ্ নাসরীন : পাঁচ বছরের একটি শিশু ধর্ষিত হয়ে বিছানায় পড়ে আছে। জীবনমৃত্যুর সঙ্গে বোঝাপড়া করছে সে। অথচ এখন তার অ, , , খ বুঝতে বিদ্যালয়ে থাকার কথা ছিল। হয়তো শিক্ষকের কড়া চক্ষু ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে খুনসুটিতে মেতে উঠতো, এর কলম দিয়ে ওর ব্যাগে একটুখানি দাগ টেনে দিতো। সেই নিয়ে নালিশ করতো তার বন্ধুটি, `স্যার, পূজা আমার ব্যাগে দাগ দিয়েছে, দেখেন!` না।

পূজা বিদ্যালয়ে যায়নি। পূজা পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাকে `ধর্ষণ` করা হয়েছে। পাঁচ বছরের পূজা এখনও ছেলে আর মেয়ের তফাৎটাই বোঝে না, সেই কি না ধর্ষণের শিকার! প্রিয় পুরুষ, আপনারা কি দেখতে পাচ্ছেন, পূজার কুঁচকে যাওয়া মুখখানা, ঘৃণাভরা চোখ দুটি? জানি, আপনি ধর্ষক নন। কিন্তু একজন পুরুষ হিসেবে এই লজ্জার দায় আপনি এড়াতে পারেন না। যেমন আমরা পারি না একজন মানুষ হয়েও মানুষের নিরাপত্তাহীনতার দায় এড়াতে।

এ রকম একটা ঘটনার পরে অনেকেই বলে থাকেন, `কী দোষ ছিল মেয়েটির? তার পোশাকে তো সমস্যা ছিল না!` অথবা কোনো হিজাব পরা মেয়ে ধর্ষিত হলে বলে, `মেয়েটি তো পর্দা করতো, তাহলে তাকে ধর্ষণ করা হলো কেন!` এখন, আমার কথা হচ্ছে, একটি মেয়ে হিজাব না পরলে বা অশালীন পোশাক পরলে তাকে ধর্ষণ করা যাবে? মেয়েটি শালীন পোশাক না পরে যদি ভুল করে থাকে, আপনি তার দিকে অসংযত দৃষ্টিতে তাকিয়ে সমান অপরাধ করতে পারেন না নিশ্চয়ই।

ইসলাম শুধু মেয়েদেরকেই পর্দা করতে বলেনি বরং নারীপুরুষ উভয়ের জন্যই পর্দাকে সমানভাবে ফরজ করেছে। পুরুষদেরকে তাদের গোপনাঙ্গের হেফাজত করতে এবং দৃষ্টি সংযত রাখতে বলা হয়েছে। এখন, আপনারা, পুরুষেরা সব মেয়ের দিকেই কামনা নিয়ে তাকাবেন আর মেয়েটি শালীন পোশাকে না থাকলে তাকে ধর্ষণ করা বৈধ হয়ে যাবে আর কালো বোরখায় আবৃত থাকলে আপনাদের লোলুপ দৃষ্টিসীমা থেকে বেঁচে যাবে, এই যুক্তি আপনারা কোথা থেকে এনেছেন?

নারীর পোশাকের প্রসঙ্গ এলেই আপনারা সবাই ইসলামী চিন্তাবিদ হয়ে যান। ইসলাম নারীকে যার যার সম্পত্তিতে যতখানি অধিকার দিয়েছে, একজন বোন হিসেবে, একজন মা হিসেবে, একজন স্ত্রী হিসেবে যতখানি অধিকার দিয়েছে, বুকে হাত রেখে বলুন, আপনি তার কতটুকু আদায় করতে পেরেছেন। একটু পিছনে তাকিয়ে দেখুন তো, আপনার পরিবারেই আপনার ফুফুকে অথবা বোনকে সম্পত্তির ভাগ ঠিকভাবে দেয়া হয়েছে কি না? ছেলে হিসেবে মায়ের প্রতি কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছেন? বিয়ের আগে এবং পরে আপনার স্ত্রীর হক কখনো নষ্ট করেছেন কি না! এখানে যেতে পারবে না, ওই পোশাক পরতে পারবে না, এটা বলে আপনি আপনার `পৌরুষ` টিকিয়ে রাখতে পারেন, কিন্তু এর বদলে নারীদের কাছ থেকে শুধু ঘৃণাই পাবেন।

পরিবার হচ্ছে আমাদের প্রথম বিদ্যালয়। আপনি যদি আপনার পরিবারে নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে পারেন, তবে নিশ্চিত থাকুন, পরবর্তীতে সময়ে আপনার দ্বারা কোনো নারী অসম্মানিত হবেন না। যে তার মাকে ভালোবাসে, বোনকে ভালোবাসে, প্রিয়তমাকে ভালোবাসে সে কখনো অন্য একজন নারীকে উত্ত্যক্ত করতে পারে না। আপনি একজন পুরুষ। আপনি একজন মানুষ। আপনার নিজের কি এতটুকু ব্যক্তিত্ব নেই যে, যে কারো সামনে আপনি উলঙ্গ হয়ে যেতে পারেন!

নারীরা খারাপ তাই তারা ধর্ষিত হয়, এই আপনাদের যুক্তি। কিন্তু কথা হচ্ছে এই ধর্ষণটা করে কারা? যে পুরুষটি ধর্ষণ করলো, কতখানি মানবিক অবক্ষয়ের শিকার হলে সে এই কাজটি করতে পারে, তা আপনাদের চিন্তাতেও আসে না। বিভিন্ন সময় লোকাল বাসে চড়তে গিয়ে আমি একটি বিষয় দেখেছি। একজন পুরুষ সে হয়তো অশালীনভাবে কোনো নারীর গায়ে স্পর্শ করেছে। নারীটি যখন এই কথা বলতে যাবে, বাসের অন্য পুরুষরাও তখন একজোট হয়ে যায়। সবাই পক্ষ নেয় অপরাধীর। যেন একজন পুরুষ দায়ী হলে, সবাই দায়ী হয়ে যায়।

সব পুরুষ কখনোই ধর্ষক নয়। আমি আমার নিজের জীবনেই প্রচুর ভালো পুরুষের দেখা পেয়েছি। আমাদের পরিবারে নারীকে পরিপূর্ণ সম্মান করা হয়। তাই আমার ভাইয়েরা কখনো নারীকে উত্ত্যক্ত করে না বা রাস্তাঘাটে টিজিং করে না। এই শিক্ষাটা সব পরিবারেই জরুরি। আপনি যখন ধর্ষকের পক্ষ নেন বা মৌন থাকেন, তখন বুঝতে হবে আপনি তার নীরব সমর্থনকারী।

অপরাধ করা আর তাতে সমর্থন দেয়া সমান অপরাধ। খাদিজাকে যখন কোপানো হলো, তখন অনেক পুরুষকেই দেখেছি মনে মনে খুশি হতে। যেন তারা তাদের প্রেমিকাদের প্রতি দীর্ঘ দিনের আক্ষেপ বদরুলের মাধ্যমে পূর্ণ করতে পেরেছেন! আমাদের সম্পর্কগুলো নারী কিংবা পুরুষের গণ্ডিতে আটকে না থেকে মানবিক হোক। আমাদের শিশুরা উঠোনজুড়ে নিরাপদে খেলা করে বেড়াক। আর কোনো নরপশু যেন ওদের শৈশব কেড়ে নিতে না পারে। শিশু না বাঁচলে আগামী বাঁচবে না, নারী না বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে না। একটি শিশুর জন্য, একজন নারীর জন্য, একজন

পুরুষের জন্য এককথায় বলতে গেলে একজন মানুষের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়তে হলে সবার আগে সচেষ্ট হতে হবে আপনাকেই। কেউ কোনো ভুলের মধ্যে থাকলে আপনি তাকে পরামর্শ দিতে পারেন সঠিক পথের। কিন্তু আপনি তাকে আক্রমণ করতে পারেন না। আপনি একজন পুরুষ, আপনি এই মুহূর্ত থেকে প্রতিজ্ঞা করুন, আপনার দৃষ্টি সংযত রাখবেন, লুকিয়ে অশ্লীল ভিডিও দেখবেন না, ইনবক্সে মেয়েদের নোংরা মেসেজ পাঠাবেন না, আপনি আপনার লজ্জাস্থানের হেফাজত করবেন, অশ্লীল বাক্য বিনিময় থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন, অফিসে আপনার সহকর্মী নারীটি আপনার দ্বারা কোনোভাবেই নিপীড়িত হবে না, আপনার গৃহকর্মী মেয়েটির সামনে আপনি সুযোগ বুঝে হায়েনা হয়ে উঠবেনা না; আপনার বোন, আপনার মা, আপনার স্ত্রীর অধিকার আপনি নিশ্চিত করবেন। তাহলেই দেখবেন, আগামীকাল থেকে আর কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটবে না।

লেখক : সাংবাদিক।

উৎসঃ জাগো নিউজ

Advertisements
  1. কোন মন্তব্য নেই এখনও
  1. No trackbacks yet.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: